ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
Count
1802
গোমতী পাড়ের কুমিল্লা আর উদয়পুর...
Published : Friday, 10 July, 2020 at 1:22 AM
গোমতী পাড়ের কুমিল্লা আর উদয়পুর...রেজাউল করিম শামিম:
দেলোনীদের এই ঐতিহ্যের ধারা বর্তমান প্রজন্মও অভ্যাহত রাখার চেষ্টা করছে। কুমিল্লা থাকাকালীন সময়ে তেমনি অনুষ্ঠানে আমার উপস্থিত থাকার সুযোগ হয়েছে অনেকবার।ঐ বাড়ীর বড় ছেলে বাবুলের সাথে আমাদের বন্ধুত্বের সম্পর্ক। বর্তমানে লুক্সেমবার্গ প্রবাসী, বন্ধু সুহাস,প্রয়াত বন্ধু অসকার রোজারিও আর আমি আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াও ঐ বাড়ীতে গেছি বহুবার।
দেলোনীর স্ত্রী, এখনো জীবিত আছেন।আন্টি আমাদের খুবই স্নেহ করেন। তাদের বিশাল পুকুরে মাছ ধরেছি বড়শিতে। বিশাল বাড়ির অনেকটুকুই এখন বেদখল হয়ে গেছে। তারপরও এখনো বাড়ীটির বিশালত্ব দর্শনার্থীকে অবাক না করে পারেনা।

কুমিল্লাতে তেমনি আর একটি ঐতিহ্যবহি বাড়ী ‘ফারুকী হাউজ‘। এটির বিশালত্বও কম নয়।পুরনো গোমতী ছিলো এ বাড়ীর সীমানা প্রাচীর ঘিরেই। সে এলাকার বাসিন্দা,বর্তমানে ডেপুটি এ্যটর্নী জেনারেল,আমার ঘনিষ্ঠজন, এডভোকেট আবদুল আজিজ মাসুদ থেকে জানা যায়, আফতাব উদ্দিন নামে ধর্নাঢ্য একব্যক্তি ১৮৩০ সালে এখানে বসতী স্থাপন করেনে।তাঁদের জমিদারী সূত্রে তাঁর ছেলে রেজাউদ্দিন এখানে থেকেই লেখাপড়া করেন এবং আইন ব্যবস্যা শুরু করেন।আর তার ছেলে গোলাম মহিউদ্দিন ফারুকী(জিএম ফারুকী নামে পরিচিত) ১৯৩০ সালে, সংস্কার করে বাড়িটিকে আভিজাত্যপূর্ণ বাড়ীতে রপান্তর করেন।বাড়ির ভিতরে ছিলো একটি রঙমহল। ছিলো একটি বিশাল মসজিদ।
কুমিল্লা হাই স্কুলে পড়ার সময় সেই মসজিদে আমিও নামাজ পড়েছি।বাড়ীটির সেই রমরমা অবস্থা এখন আর নেই।পরবর্তী প্রজন্মের উত্তরাধিকারেরা নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি আর বেচাবিক্রির ফলে, বাড়ীটি আজ অনেকটা পরিত্যক্ত বাড়িতে পরিণত হয়েছে।এ বাড়ীর ব্যপ্তি বোঝা যেতে পারে ছোট একটি উদাহরনের মাধ্যমে।বাড়িটির যে নহবতখানা(অন্দর মহলে প্রবেশ দ্বার) ছিলো,তার লোহার গেইটটি এতটাই বড় ছিলো যে, চট্রগ্রামের এক ব্যবসায়ী ঐ আমলেই তা কিনে নিয়ে ছিলেন সাত হাজার টাকার বিনিময়ে।
ফারুকী হাউজের সাথে দেলোনীদের লঞ্চ বাধা থাকতো,এখানে যাত্রীসাধারন উঠানামা করতো ঠিকই।কিন্তু, গোমতীর গতীপথ ধরে ধরে কুমিল্লায় ব্যবসা জমে উঠে।আর ব্যবসাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিলো রাজগঞ্জ বাজার বিশেষ চকবাজারের মতো কেন্দ্র ।বহু আগে থেকেই সেখানে বড় বড় গহনা নৌকায় দূরদূরান্ত থেকে মালামাল আসতো যেতো।এসব মালামাল উঠানামা করার সুবিধার্থে এবং স্থানীয় জনসাধারনের ব্যবহারের জন্যে বাজারের কাছে ঘাট তৈরী জরুরী হয়ে পড়ে। এব্যপারে আবেদন জানানো হলে ১৮৫৯ সালেই ত্রিপুরার তৎকালিন মহারাজ চকবাজার এলাকায় পৃথক দু‘টি পাকা ঘাট তৈরী করে দেন। তার একটি মালামাল উঠানো-নামানো এবং অপরটি স্থানীয় জনসাধারেনরে গোছল,ধোয়ামাজা ইত্যাদির জন্যে।‘রাজঘাট‘ হিসাবে পরিচিত পাওয়া সেসব ঘাটের অংশ বিশেষ এখনো টিকে রয়েছে।বর্তমান চকবাজারের ব্যপ্তী আর জনসমাগম দেখে সেসময়কার অবস্থা এখন হয়তো আর বোঝা সম্ভব নয়।

গোমতী পাড়ের কুমিল্লা আর উদয়পুর...গোমতী নদীর উত্পত্তির বিষয়েওতো একটু না বলল্লেই নয়।আগেই উল্লেখ করা হয়েছে গোমতীর উৎপত্তি উদয়পুরের ডুম্বুর নামক পর্বতাঞ্চলে।অনেক উচুঁতে।সেখানে ছোট-বড় অনেক জলপ্রপাত রয়েছে।এসব জলপ্রপাত গোটা নির্জন এলাকে খুবই মনোহর করে তুলেছে।ত্রিপুরা রাজাদের ইতিহাস বর্ণনা করা গ্রন্থ‘রাজমালা“সহ বিভিন্ন পুরান কাহিনীতে বলা হয়েছে, আঠারোমুড়া পর্বত হতে উৎপন্ন সাইমা নদী এবং লংতরাই পর্বতে উৎপন্ন রাইমা নদী হচ্ছে গোমতীর আদি মাতা।

তাছাড়া এইসব জলধার আশপাশে আরো কিছু ছড়া জাতীয় জলাধার রয়েছে-যেগুলো সমন্মিলিত ভাবেই বড় জলধারা হিসাবে প্রবাহিত হয়ে সামনে ঝাড়িমুড়া নামক স্থান পেড়িয়ে তীর্থমুখ নামক স্থানে এসে গোমতীর সৃষ্টি করেছে।আর যে স্থানটিতে গোমতীর ধারা নিচে নেমে এসেছে।সেখানে ছোট-বড় সাতটি জলপ্রপাত বা জলকুন্ড রয়েছে। এগুলোকে একত্রে ‘ডুম্বুর‘বলা হচ্ছে।আর সেজন্যে গোমতীর উৎপত্তি ডুম্বুর হিসাবে চিহিৃত।জানা যায় ঐসব জলপ্রপাত বা জলধারার আকৃতি হিন্দু দেবতা মহাদেবের হাতে থাকা ‘ডুঙ্গু‘র মতো দেখতে। আর তা থেকেই ডুম্বুর নাম হয়েছে।কঠিন প্রস্তরের মাঝে চারদিক থেকে ছুটে আসা জলধারা একটি বিশালাকার বিল বা কুন্ডের সৃষ্টি করেছে।

এর ব্যপ্তির বিশালত্ব বলতে গিয়ে ‘রাজমালায়‘ বলা হয়েছে,‘শতহস্থ পরিমিত ব্যাসের একটি কুন্ড সৃষ্টি হইয়াছে।এই কুন্ডের গভরিতা বিশ হস্থ হইবে‘।ঐ সময়তো পরিমাপের অন্যকোন একক ছিলো না,হাতের মাপই চিলো পরিমাপের একক।এর ফলেও ঐ জলধারার বিশালত্ব বুঝতে অসুবিধে হয়না।এর উপরে অবশ্য আরো সাতটি কুন্ড রয়েছে। যার জন্য ঐ স্থানকে সাত ডুম্বুর বা সাততলাও বলা হয়।এগুলোতে অনেক আগে থেকেই পূর্ণস্নান,পুজা-অর্চনা ইত্যাদি হয়ে আসছে। এখনো,সেখানকার নানা উপজাতি বিশেষ করে রিয়াং সম্প্রদায় সেখানে পুজা করে থাকে।

গোমতী পাড়ের কুমিল্লা আর উদয়পুর...এই গোমতী যে শুধু সুখ বহে এনেছে তা কিন্তু না।মাঝে-মধ্যে বসত বাড়ি-ঘর, ব্যবস্য,ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এমনি অনেক কিছুই এক এক করে উজার করে ভাসিয়ে নিয়ে গেছে, এমন ঘটনাও কিন্তু কম নয়।কুমিল্লার মতো,উদয়পুর থেকে সোনামুড়া, সবক্ষানেই এই নদীর ধ্বংসের কাহিনী রয়েছে।সর্বশেষ এমনি বন্যার ঘটনা পাওয়া যায় প্রার্থপ্রতীম বাবুর লেখায় । তিনি এক জায়গায় লিখেছেন,১৯৮৩ সালের বড় বন্যায় কল কল করে জল উঠে এলো বাড়ির উপর। সেবার তাদের পাঁচটি ঘর চলে গিয়েছে ভেসে নদীর জলে। এমনি ঘটনা আরো অনেকেরই আছে।

তাছাড়া,রাইমা-সায়মায় বাঁধ দিয়ে যে বিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মান করা হয়েছে,সেখানেও রয়েছে অনেক উপজাতির বাড়ি ঘর হারানোর কান্না। জানা যায় যে সেখানে কাশিরাম চাকমা নামে এক বিত্তবানে বাড়ি ছিলো। ড্যাম তৈরী ফলে ঐবাড়িটিসহ অনেক বাড়িঘর,জমিজমা পানির নিচে তলীয়ে যায়।এখনো নাকি অনেকেই শুষ্ক মৌসুমে সেসব দেখতে যান।সেসময় তাদের চোখের নোনা পানিও নাকি এসে মিশে যায় গোমতীতে।
অন্য একটি লেখায় দেখা যায়,গত শতাব্দির সাতের দশকেও গোমতী অনেক বেশি প্রসস্থ এবং অনেক বেশি স্রোতসীনি ছিলো। সেখানে গোমতীর দু‘পাশেতো আমাদের কুমিল্লার মতো তেমন কোন স্থায়ী বাঁধ নেই। ফলে বর্ষার সময় তীরবর্তী যাদের বসত বাড়ি ছিলো তারা পরতেন বিপদে।বর্ষা এলেই পাড় বাঁধার হিড়িক পরতো।মোটা মোটা শালের খুঁটি বসানো হতো নদীর তীরে।‘মাঙ্কি‘ দিয়ে সজোরে চেপে চেপে বসিয়ে দেয়া হতো নদীর বুকে।‘মাঙ্কি‘ ছিলো দশাশই আকাঁরের লোহার পিন্ড,যার মধ্যেখানে সাবল ঢোকানোর জন্য ছিদ্র থাকতো। মাঙ্কিকে কপিকলের দড়ি লাগিয়ে, চড়কি ঘুড়িয়ে শালখিুটির উপর বসানো হতো।এরপর শাবল জাতীয় একটি মোটা লোহাকে খুটির উপর পুঁতে দেয়া হতো-যাতে মাঙ্কিটি খুঁটির উপর ঠিকমত থাকে।এরপর দড়িটেনে সজোরে আঘাতের পর আঘাত দেয়া হতো।আর এভাবে অনেকগুলো শাল খুঁটি নদীর বুকে বসানো হতো। তারপর এগুলো যাতে নড়াচড়া না করে সেজন্যে মোটা মোটা কাঠ দিয়ে ক্রশিং-ব্রেশিং লাগানো হতো।আর তার ভিতর কখনো লোহার জালি বাক্সে ইট, কখনো বস্তা ভরা বালু দেয়া হতো। এই ব্যবস্থাকে বলা হতো‘হানা‘।কখনো আবার বরাক বাশঁ পুঁতে পূঁতে বেড়ার মতো বানিয়ে তাতে গাছের ডালপালা দিয়ে দেয়া হতো।বর্ষার আগ থেকে ঘোরতর বর্ষা এলে, এগুলোই ছিলো গোমতী থেকে রক্ষার কার‌্যক্রম।এরকম ব্যবস্থা আমাদের এখানেও এক সময় ছিলো। এতে কি আর বাড়িঘর রক্ষা হতো? যা নেয়ার নদী তা ভাসিয়েই নিয়ে যেতো।

গোমতী পাড়ের কুমিল্লা আর উদয়পুর...মজার বিষয় হলো, কিছু উপজাতির লোকজন এই ‘হানা‘গুলির ভিতরে ডুবিয়ে ডুবিয়ে মাছ ধরতো। তা চলতো দুপুর অবদি।তারপর তারা নদীর ওপাড়ে বালিচড়ে গিয়ে ‘সান বাথ ‘নেয়ার মেতো শুয়ে জিরিয়ে নিতো।তারা সেখান থেকে কালিবাউস,আইড়,বোয়াল,শোল,শিং-মাগুর ইত্যাদি মাছ ধরে নিয়ে যেতো। তাছাড়া এই সব হানাকে ঘিরে একধরনের প্রাণীর আবাস গড়ে উঠতো। এগুলোর নাম ‘গুইল ‘বা গোসাপ। এরা পানি ছেড়ে ডাঙ্গায় এসে ঘুরে বেড়াতো।পোকামাকড় খেতো।আবার মর্জিমত পানিতে নেমে হাড়িয়ে যেতো।এমনি আরো হৃদয়গ্রাহী কাহিনী রয়েছে প্রার্থবাবুসহ সেখানকার লেখকদের।তবে একথা বলতেই হয় সব কিছুর পরও উদয়পুরের মানুষের জীবন-জীবিকার পাশাপাশি বিনোদনের ক্ষেত্রেও গোমতীর অবদান অনেক।উদয়পুরে,বাজারের কাছে গোমতীর উপর একটি লোহার ঝুলন্ত ব্রিজ করা হয়েছে। এই দৃষ্টিনন্দন ব্রিজটি ওপড়পাড়ের বকুলপুরসহ ঐ এলাকার অন্যন্য স্থানের সাথে মূল কেন্দ্রের যোগাযোগের আমূল পরিবর্তন এনেছে। সেসাথে উদয়পুরের সম্প্রসারনেও ভূমিকা রেখেছে অপরিসীম। সেখানে এখন একটি অত্যাধুনিক বিজ্ঞান কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে-যা আধুনিক মনষ্ক নাগরিক তৈরীর ক্ষেত্রে অবদান রাখবে।

এই গোমতীকে নিয়ে,ত্রিপুরা সরকারের অনেক পরিকল্পনার কথাও শোনা যায়।এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের সাথে একটি সমঝোতা চুক্তিু হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে এই নদী পথ ধরেই দাউদকান্দি হয়ে সুদূর খুলনার মঙ্গলা বন্দর পর‌্যন্ত নৌপথ চালু করা হবে। গোমতী ড্রেজিং করে এর নব্যতা বৃদ্ধির মাধ্যমে জাহাজ চলাচলের ব্যবস্থা করা হবে। সে পরিকল্পনাকে সামনে রেখে, সোনামূড়ায় নবনির্মিত স্থলবন্দরের পাশেই একটি নৌবন্দর নির্মান কাজ চলছে। পরবর্তীতে উদয়পুরেও এমনি একটি বন্দর স্থাপন করার পরিকল্পনাও নাকি নেয়া হয়েছে।

একটি প্রবাহমান জলধারা মানুষের সম্ভাব্য প্রয়োজনীয় সবকিছুই দিতেই পারে।আর তাই পৃথিবীর সভ্যতার দিকে তাকালেই দেখা যাবে যে প্রায় প্রতিটি সভ্যতাই নদীকে ঘিরেই গড়ে উঠেছে। উদয়পুরওতো এর ব্যতিক্রম নয়।কঠিনশীলার পর্বতমালা আর গহীন বনজঙ্গলে ভরা,হাতিসহ বিভিন্ন বণ্যপ্রাণীর অবাধ বিচরনের এই স্থানটিতেও মানুষের বসতি গড়ে উঠেছিলো এই গোমতী নদীর দেয়া সুবিধাকে কেন্দ্র করেই।সেখানে যখন মানুষ সভ্যতা গড়ে উঠে তখন এর নাম ছিলো‘রাঙ্গামাটি‘-ইতিহাস তারই সাক্ষী।১৫৬৭ সালে তৎকালীন রাজা, উদয়মানিক্যের নাম থেকেই উদয়পুর নামটি এসেছে বলে বলা হয়। আর বিভিন্ন স্থানে রাজ্যের রাজধানী স্থানান্তরের পরও শেষ পর‌্যন্ত উদয়পুরকেই রাজধানী হিসাবে গড়ে তোলা এবং স্থায়িত্ব দেয়া হয়। কিন্তু এই নদী থেকে রাজাপ্রজারা যেমনি সুযোগ-সুবিধে লাভ করেছেন। তেমনি এ নদী পথের কারনেই এখানকার সমৃদ্ধশালী জনপদের প্রতি চোখ পরে দূরদূরান্তের ভিন্ন দেশীদেরও । তারাও এই নদীপথ ব্যবহার করেই বারবার আক্রমন চালিয়েছে উদয়পুরের উপর ।নিয়ে গেছে হাতিসহ অনেক মূল্যবান সম্পদ। এমন কি মোঘলরা পর‌্যন্ত উদয়পুর দখল করে নিয়েছিলো। পরে মহামারির কারনে এই এলাকা ছেড়ে তারা চলে যেতে বাধ্য হয়। এসব কারনেই শেষমেশ ১৭৬০ সালে অধিকতর নিরাপত্তার কারনে সম্ভবত রাজা কৃষ্ণমানিক্য,তাদের রাজ্যের রাজধানী আগরতলায় স্থানান্তর করেন।
গোমতী পাড়ের কুমিল্লা আর উদয়পুর... ত্রিপুরার মানুষ ঐতিহ্য প্রিয়। তারই স্বাক্ষর বহন করে,শত শত বছর আগে গোমতীর উতপত্তি স্থল ‘লংতারাই পর্বতমালাকে বেছে নিয়েছে নিজেদের পণ্যের নামকরনের জন্য। আর তা ব্যবহার করে প্রচারের ক্ষেত্রেও।
এমনি ভাবে  গোমতী নদীর বাঁকে বাঁকে ত্রিপুরা-কুমিল্লার জনপদের অতীত অনেক ইতিহাস,হাসিকান্না আর গল্পগাঁথা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে। নদীর ঢেউয়ে ঢেউয়ে অনেক ইতিহাস তলিয়েও গেছে অনেক অতলে। নদী জানে তার সব কিছুই। শুধু গবেষকদের সে দিকে নজর দেয়ার অপেক্ষায়।নদীতো নিজে কিছু বলতে পরেনা।
এজন্যেই হয়তো শিল্পী বলেছেনঃ এত জানে নদী, তবু কথা বলে না...(সমাপ্ত)

লেখকঃ সিনিয়ার ষ্টাফ রিপোর্টার,সাবেক সভাপতি কুমিল্লা প্রেস ক্লাব






© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০১৮
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ই মেইল: [email protected], [email protected],  Developed by i2soft
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আবুল কাশেম হৃদয়
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন
কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ। বাংলাদেশ। ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ইমেইল : [email protected] Developed by i2soft
document.write(unescape("%3Cscript src=%27http://s10.histats.com/js15.js%27 type=%27text/javascript%27%3E%3C/script%3E")); try {Histats.start(1,3445398,4,306,118,60,"00010101"); Histats.track_hits();} catch(err){};