ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
Count
895
দেবীদ্বার করোনা আক্রান্ত সন্দেহে রোগি ভর্তি
Published : Tuesday, 7 April, 2020 at 12:00 AM
হাসপাতাল ছাড়লেন অন্যরা চিকিৎসক নার্সদের মধ্যে আতঙ্ক---
এবিএম আতিকুর রহমান বাশার||
কুমিল্লার দেবীদ্বারে করোনা ভাইরাসের লক্ষণ জনিত এক মহিলা রোগি ভর্তির করার কারনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অন্যান্য রোগিদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় ভর্তি রোগিদের অনেকেই হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যাওয়ার সংবাদ পাওয়া গেছে। শুধু তাই নয় ডিউটিরত সকল চিকিৎসক ও নার্সদের মধ্যেও আতঙ্ক দেখা দেয়। রোববার রাতে সংবাদ পেয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আহাম্মেদ কবির এবিষয়টি সাংবাদিকরা যাতে জানতে না পারে সে বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়ে রোগির নমুনা সংগ্রহ পূর্বক আইইডিসিআর-এ প্রেরনের নির্দেশ দেন। একই সাথে ওই রোগীর সংস্পশের্^ থেকে চিকিৎসাদানকারী সকল চিকিৎসক ও নার্সদের আইইডিসিআর’র রিপোর্ট আসার পূর্ব পর্যন্ত হোম কোয়ারাইন্টেনে থাকার নির্দেশ দেন।
ঘটনাটি ঘটে রোবার বিকেল সাড়ে ৪টায়। উপজেলার কামারচর গ্রামের মালুমিয়ার স্ত্রী তাছলিমা আক্তার(৩৫) গুনাইঘর উত্তর ইউনিয়নের উঞ্জুটি গ্রামে বাবার বাড়িতে বেড়াতে যান। বাবার বাড়ির লোকজন তাছলিমার শারিরীক অবস্থা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সন্দেহে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ খবর পেয়ে তাছলিমাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে নামিয়ে দিয়ে চলে যায়। পরে সে ইমার্জেন্সীতে গিয়ে তার শ^াসকষ্টের কথা বললে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ লিমা সাহা তাকে ক্যাবিন বরাদ্ধে ভর্তি করিয়ে দেন। নার্সরা যখন তার রোগের বিবরন শোনে করোনা সন্দেহে ডাঃ লিমা সাহার সাথে যোগাযোগ করে বলেন, এ রোগি কিভাবে ভর্তী করিয়েছেন। তখন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করেন। এ সংবাদে পুরো স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগী চিকিৎসক ও নার্সদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
এব্যপারে তাছলিমার স্বামী মনুমিয়া জানান, আমার স্ত্রী পূর্ব থেকেই এজ্মা রোগে আক্রান্ত, পিজি হাসপাতালেও তার চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়েছে। সে তার বাবার বাড়িতে বেড়াতে গেলে ওখানকার লোকজন করোনা সন্দেহে তাকে পুলিশ দিয়ে হাসপাতাল পাঠায়। পুলিশ হাসপাতাল গেইটে নামিয়ে দিয়ে চলে যায়।
এব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সেবিকা জানান, বিষয়টি উচ্চ পর্যায়ে গড়ালেও রাতের বেলায় বিষয়টি গোপন রাখার পরামর্ষ দিয়ে বলেন, সাংবাদিকরা যাতে জানতে না পারে। আমাদেরকেও হোম কোয়ারেইন্টেনে থাকার পরামশর্^ দেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আহাম্মেদ কবির ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, রোগির শ^াসকষ্ট পূর্ব থেকেই ছিল। নেবুলাইজার দেয়ার পরও কোন পরিবর্তন না আসায় আজ সোমবার সকালে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করে দেই। রোগীর নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে যা আমরা আইইডিসিআর’-এ পরীক্ষার জন্য পাঠাব। আইইডিসিআর’র রিপোর্ট আসার আগ পর্যন্ত ওই দিন ডিউটিরত সকল চিকিৎসক ও নার্সদের হোম কোয়ারেইন্টেনে থাকার নির্দেশ দিয়েছি।







© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০১৮
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ই মেইল: [email protected], [email protected],  Developed by i2soft
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আবুল কাশেম হৃদয়
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন
কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ। বাংলাদেশ। ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ইমেইল : [email protected] Developed by i2soft
document.write(unescape("%3Cscript src=%27http://s10.histats.com/js15.js%27 type=%27text/javascript%27%3E%3C/script%3E")); try {Histats.start(1,3445398,4,306,118,60,"00010101"); Histats.track_hits();} catch(err){};