ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
Count
276
আইনের কঠোর প্রয়োগ জরুরি
Published : Saturday, 7 December, 2019 at 12:00 AM
আইনের কঠোর প্রয়োগ জরুরিজাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরাম, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল ও গার্লস অ্যাডভোকেসি অ্যালায়েন্সের মাঠপর্যায়ের জরিপ থেকে যে তথ্য উঠে এসেছে, তা রীতিমতো উদ্বেগজনক। জরিপ বলছে, পাবলিক প্লেসে ৯৭.৯৬ শতাংশ নারী ও কন্যাশিশু এক থেকে একাধিকবার যৌন হয়রানির শিকার হয়। দেশে নারী নির্যাতনের কয়েকটি মামলায় দৃষ্টান্তমূলক রায় হয়েছে। কিন্তু তার পরও নারী ও কন্যাশিশুরা যে নির্যাতন থেকে মুক্ত হতে পারেনি, এই জরিপের ফল সেটাই যেন দেখিয়ে দিল। গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরগুলোই তো বলে দিচ্ছে, নারী ও শিশুদের প্রতি ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতনের ঘটনা দিন দিন বাড়ছে। বদলে যাচ্ছে এসব নির্যাতনের ধরন ও মাত্রা। পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। শুধু কন্যাশিশুরাই নয়, ছেলেশিশু, প্রতিবন্ধী নারীসহ সব বয়সি নারীর প্রতি ঘটছে ধর্ষণ, ধর্ষণের পর হত্যা এবং নানা ধরনের যৌন হয়রানি। কিছুদিন আগেও সমাজে ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করেছিল ইভ টিজিং। এটাও এক ধরনের যৌন হয়রানি। ইভ টিজিংয়ের মাত্রা কমেছে কিন্তু যৌন হয়রানি বন্ধ হয়নি; বরং ভিন্ন মাত্রায় যৌন হয়রানির ঘটনা ঘটছে। তিন বছরের শিশুও যখন ধর্ষণের শিকার হয়, তখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন আসে, সমাজ কি বিকারগ্রস্ত হয়ে পড়ছে?  
২০০৮ সালে মহিলা আইনজীবী সমিতি যৌন হয়রানিমুক্ত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে উচ্চ আদালতে একটি রিট করেছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৯ সালের ১৪ মে উচ্চ আদালত কর্মক্ষেত্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ১১টি সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেন। তাতে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে পৃথক আইন করার কথা বলা হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত সে ধরনের কোনো আইন হয়নি। যৌন হয়রানি বন্ধে উচ্চ আদালত যে ১১টি নির্দেশনা দিয়েছিলেন সেগুলো বাস্তবায়নের উদ্যোগ কি নেওয়া হয়েছে?
দেশে শিক্ষার হার বেড়েছে। নারী শিক্ষারও অগ্রগতি হয়েছে। উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত নারীরা কর্মক্ষেত্রে নিজেদের প্রতিভা ও কর্মদক্ষতার পরিচয় দিচ্ছেন। সার্বিকভাবেই দেশে শিক্ষার হার বেড়েছে। কিন্তু সমাজ কেন যাচ্ছে অন্ধকারের দিকে? এ থেকে উত্তরণের উপায় কী? নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে নারী-পুরুষ সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। সরকার ও প্রশাসনকেও তাদের অবস্থান থেকে বিশেষ ভূমিকা নিতে হবে। এর পাশাপাশি ঐক্যবদ্ধ হতে হবে নাগরিক সমাজকেও। নারী ও শিশু নির্যাতনকারীদের রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে। সেই সঙ্গে নিশ্চিত করতে হবে নারী নির্যাতন প্রতিরোধ আইনের কঠোর প্রয়োগ।





© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০১৮
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ই মেইল: [email protected], [email protected],  Developed by i2soft
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আবুল কাশেম হৃদয়
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন
কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ। বাংলাদেশ। ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ইমেইল : [email protected] Developed by i2soft
document.write(unescape("%3Cscript src=%27http://s10.histats.com/js15.js%27 type=%27text/javascript%27%3E%3C/script%3E")); try {Histats.start(1,3445398,4,306,118,60,"00010101"); Histats.track_hits();} catch(err){};