ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
Count
105
বড় সাধ জাগে
Published : Tuesday, 22 October, 2019 at 12:00 AM
বড় সাধ জাগেশান্তিরঞ্জন ভৌমিক ||
কুমিল্লার ইন্ড্রাস্ট্রিয়েল প্রেসের মালিক সুলতান শাহরীয়ারের অহেতুক ভীমরতি ধরেছে। এটা এমন কোনো মারাত্মক নয়, সঙ্গদোষে অনেকসময় আপন জগতে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়। ভীমরতিট হলো আমাকে প্রশ্ন করে জানতে চায়, ‘আপনারা যদি দু-চার-পাঁচটা বই লিখে গবেষক হতে পারেন, তবে আমি প্রেসম্যান দশ-পনেরটি বই ছেপে গবেষক হবো না কেন? প্রশ্নটি অপ্রাসঙ্গিক হলেও কোথায় যেন যুক্তি আছে। তাই সরাসরি তাকে নিরাশ না করে জানতে চাই, ‘এরূপ উষ্ণ চিন্তা পোষণ করার অর্থ কি?’ সুলতান শাহরীয়ার মুক্তমনের মানুষ, ঘুরিয়ে ফিরিয়ে কথা বলতে অভ্যস্ত নয়। ফলে অনেক সময় কেউ কেউ তাকে ভুল বুঝে, তা অমূলক। তার যুক্তি হলো-‘একজন ব্যক্তি কুমিল্লা শহরের কালিয়াজুরি থেকে এগার বছরের একটি ছেলে, শাসনগাছা থেকে বার বছরের একটি ছেলে, রেলস্টেশন থেকে নয় বছরের একটি ছেলে, টমছমব্রীজ থেকে তের বছরের একটি ছেলে, এবং চকবাজার থেকে আট বছরের একটি ছেলে মোট পাঁচটি ছেলে সংগ্রহ করে এনে যদি বলে এগুলো তার সন্তান, বা সে তাদের বাবা, তা কি ঠিক?’ অবশ্যই ঠিক নয়, কারণ এ পাঁচটি বালকের পৃথক পৃথক পাঁচজন বাবা আছে। ঐ বাবারা জীবিত কি মৃত তা বড় কথা নয়, তারাই তাদের বাবা অন্য কেউ কোনো অবস্থায় দাবী করাটা গর্হিত অপরাধ, অন্যায়। বড়জোর পালকপিতা বলা যেতে পারে। কাজেই সুলতান শাহয়ীয়ারকে বললাম, ‘তুমি ১০/১৫টি বই ছাপলে মুদ্রক হিসেবে স্বীকৃতি পেতে পারো, আর যদি অর্থায়নে সহযোগিতা করো, তবে বড়জোর প্রকাশক হিসেবে দাবি করতে পারো। তুমি তো রচয়িতা নও। যদি সৃজনশীল লেখা হয় তিনি লেখক, গবেষণা হয়, তিনি গবেষক-কাজেই এ পরিচয়টি দেয়া অনৈতিক, প্রকাশনা শিল্পে দন্ডনীয় অপরাধ। শাহরীয়ার তখন বলতে থাকে-অনেক গবেষণা বই সে পড়েছে বা ছাপতে গিয়ে দেখেছে যে মূল লেখকের লেখার পরিমাণের চেয়ে উদ্ধৃতি সংখ্যা অত্যধিক এবং কোনো কোনো বই-এর দু’তৃতীয়াংশ উদ্ধৃতিতে ভরা। অথচ এটি একটি গবেষণা গ্রন্থ এবং এ সকল গ্রন্থের জন্য কেউ কেউ পিএইচডি ডিগ্রি পর্যন্ত পেয়ে গেছেন। তার কথায় যুক্তি আছে, সত্যতাও আছে। কিন্তু মৌলিক ধারণায় ঘাটতি আছে। এই প্রসঙ্গে একটি ঘটনার কথা বলি। ড. হুমায়ুন আজাদ একজন প্রথাবিরোধী লেখক হিসেবে পরিচিত। তিনি আমার পরের বছর (১৯৬৮) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম,এ পাশ করেন। প্রথমে চট্টগ্রাম কলেজ, পরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এবং শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের স্বনামধন্য অধ্যাপক ছিলেন। লেখক হিসাবে সুপরিচিত, সৃষ্টি-কর্ম বহুমাত্রিকতায় সমৃদ্ধ। সৃজনশীল রচনা তথা কবিতা, ছোটগল্প, উপন্যাস লিখেছেন, নানামাত্রিক গবেষণা ব্যাপক এবং যাপিত চিন্তা-চেতনায় সমৃদ্ধ স্বাধীন  রচনাও কম নয়। তিনি ছিলেন স্পষ্টবাদী, এ ব্যাপারে আপস করার স্বভাব ছিল না। যে কোনো ব্যক্তি লঘু-গুরু বিবেচনা না করে তিনি যেভাবে যাপন বা উপলদ্ধি করতেন, তা নির্মোহভাবে কঠিন সত্যটি বলতে, লিখতে দ্বিধা করতেন না। তাঁর আর আমার শিক্ষক ড. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান (ঢা.বি)। স্যারের পিএইচডির থিসিসের নাম-‘বাংলা কবিতায় হিন্দু-মুসলমান সম্পর্ক’। বইটি প্রায় ৪০০ পৃষ্ঠার, গবেষক হিসেবে স্যারের বক্তব্য ১৫০ পৃষ্ঠার মত, ২৫০ পৃষ্ঠার উদ্ধতি। ড. হুমায়ুন আজাদ প্রশ্ন তুলেছেন-‘এটাকে গবেষণা বই হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া কি ঠিক?’ এনিয়ে এবং স্যারের আরো বই এর নিষ্ঠুর সমালোচনা করে মাসিক বিচিত্রায় একটি দীর্ঘ আলোচনা লিখলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উভয়েই তখন একই বিভাগের শিক্ষক। এ লেখা বের হওয়ার পর বিভাগের ছাত্র-শিক্ষকদের মধ্যে একধরনের নীরবতা বিরাজ করছিল। কেউ ভাবছেন-ড. আজাদ তো ঠিকই বলেছেন, আবার অনেকে ভাবছেন-এমন নির্মমভাবে সমালোচনা ছাত্র হয়ে করাটা শোভনীয় হয়নি। কিন্তু প্রকাশ্যে এ নিয়ে কেউ মুখ খুলছেন না। তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক ড. আহমদ শরীফ, যিনি ড. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান স্যার ও ড. হুমায়ুন আজাদেরও শিক্ষক, তিনি হুমায়ুন আজাদকে নিজ ঘরে ডেকে নেন। ড. আহমদ শরীফ অত্যন্ত বিবেকবান স্পষ্টবাদী মুখরা পন্ডিত। তিনি ড. আজাদকে বললেন, ‘ড. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানকে নিয়ে যে লেখাটি বিচিত্রায় লিখেছ, তা আমি পড়েছি। এ প্রেক্ষিতে তোমাকে কিছু বলতে চাই-গবেষণা বলতে তুমি কি বুঝ?’ ড. আজাদ বুঝতে পেরেছেন, ড. আহমদ শরীফ স্যার মানসিক প্রস্তুতি নিয়েই তাঁকে ডেকেছেন এবং কিছু কথা বলবেন। তিনি এও জানেন যে শরীফ স্যারের কথায় যে যুক্তি থাকবে তা খন্ডন করার যোগ্যতা তাঁর নেই। তাই মাথা নীচু করে বসে রইলেন। শরীফ স্যার বললেন যে, গবেষণা হলো অনুসন্ধান। সত্যকে অনুসন্ধান, সত্যকে উদঘাটন এবং যৌক্তিক ব্যাখ্যায় প্রতিষ্ঠিত করা। ফলে একজন গবেষক তার যাপিত মতবাদকে গ্রহণযোগ্য করতে হলে পূর্ববর্তি গবেষকদের অনুকূল বক্তব্য সাক্ষী হিসেবে স্বীকৃতি জানিয়ে উদ্ধৃতি সহকারে উপস্থাপন করা হয়। যিনি গবেষক, তিনি একজন কিন্তু তাঁর বক্তব্য প্রামাণিক করতে অনেকের বক্তব্য সংযোজন করতে হয়। ফলে গবেষকের বক্তব্য ১০/১৫ লাইন বা ১/২ পৃষ্ঠা হতে পারে, প্রামাণিক দলিল এক্ষেত্রে অনেক লাইন বা পৃষ্ঠাও হতে পারে। ফলে মূল গবেষকের বক্তব্য যা, তাঁর উপর অর্পিত গবেষণার বিষয়টিকে গ্রহণযোগ্য করার জন্য অবশ্যই সমর্থিত উক্তি সংযোজন জরুরি। তা নানাভাবে হয়ে থাকে। কখনো বক্তব্য উপস্থাপনের সঙ্গে, অথবা পরিশিষ্ট সংযোজনে, অথবা, তথ্যসূত্র বর্ণনায়। এতে মূল বিষয়টি একটি বড় প্রবন্ধ স¦রূপ, প্রামাণিক দলিলসহ তা পরে বই-এ পরিণত হয়। ড. আহমদ শরীফ গবেষণার প্রকরণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনার শেষে বললেন-পিতা-শিক্ষক-গুরু-এ তিনজন সম্পর্কে নেতিবাচক ভাবা ঠিক নয়। পুত্রের কাছে পিতা, ছাত্রের নিকট শিক্ষক, শিষ্যের নিকট গুরু তর্কাতীত গ্রহণযোগ্য মান্য ব্যক্তি। তাই ড. আজাদকে বললেন, ‘কাজটি ভালো করোনি। মোঃ মনিরুজ্জামানের সঙ্গে দেখা করো। সে মনে মনে, কষ্ট পাচ্ছে।’
    সুলতান শাহরীয়ার যখন আমাকে বলে, ‘আপনি নজরুলের উপর সাতটি বই ছেপেছেন আমার প্রেসে, আপনাকে ‘বিশিষ্ট নজরুল গবেষক’ বলা হয়, আমি যে এ বই গুলো ছাপলাম, আমি কেন ‘নজরুল গবেষক’ নই? এই যে বললাম, তার ভীমরতি ধরেছে। তাকে বুঝাতে চেয়েছি-লেখক-গবেষক-সম্পাদক-সংকলক এককথা নয়। প্রতিটি আলাদা আলাদা বৈশিষ্ট্যে দেদীপ্যামান। লেখক যাঁরা তাঁরা মৌলিক, সৃজনশীল ¯্রষ্টা। কবি- ঔপন্যাসিক-নাট্যকার- তাঁরা লেখক, সৃজনশীল লেখক। যাঁরা বিশেষ বিষয়ের উপর সত্যনিষ্ঠ অনুসন্ধানে ব্রতী হয়ে মতবাদকে প্রামাণ্য করে তুলেন তাঁরা গবেষক। অনেকের লেখা পরিমার্জনা, দরকারবোধে সংশোধন, এমনকি অগ্রহণযোগ্য বিষয় বাদ দেয়ার একজন সম্পাদকের বিশেষ ক্ষমতা থাকে। কোন লেখা ছাপবে, কখন ছাপবে বা ছাপাবে কিনা এটা সম্পাদকের একক এক্তিয়ার। তাঁর সম্পাদিত বই-এ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আবশ্যিক থাকতে হয় ইত্যাদি। আর একজন সংকলক কেবল তাঁর পছন্দের লেখাগুলো সংশোধনহীন অবিকল মলাটবদ্ধ করতে পারেন। সম্পাদকের দায় থাকে, সংকলকের কোনো দায় নেই, দায়িত্ব নেই, জবাবদিহিতাও নেই। শুধু পাঠকের পড়ার সুবিধার্থে লেখাগুলো একত্রিত করা হয়। তবে সংকলনে ছাপার আগে লেখকের অনুমতি নেয়া আবশ্যিক। অনুমতিহীন কোনো লেখা সংকলনে ছাপা হলে প্রকাশনা বিধিতে অপরাধ বলে গণ্য। একজন লেখক বই লিখে এককালীন বহু টাকা পেতে পারেন, অথবা মুদ্রিত বই-এর উপর রয়েলিটি পেতে পারেন। গবেষকের ক্ষেত্রেও তা। সম্পাদক চুক্তিতে কাজ করেন, এখানে রয়েলিটি পাওয়ার সুযোগ নেই, প্রাপ্তি বড়জোর মুদ্রিত বইয়ের ৫% লভ্যাংশ। সংকলক অনেক সময় নিজের টাকা দিয়েই বই প্রকাশ করেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে অতি সামান্য পারিশ্রমিক পেয়ে থাকেন। সুলতান শাহরীয়ারকে বললাম, তুমি তো এপর্যায়ের কোনোটাতেই বিবেচ্য হও না, কাজেই তোমার দাবিটা কতটা অযৌক্তিক, তা কি তোমাকে বুঝাতে পেরেছি? সে অবশ্য কোনো উত্তর দেয়নি, ভেতরে এধরনের জ্বালা যে রয়ে গেছে। কারণ সেও চায়- সভা সমিতিতে তার নামের পূর্বে গবেষক শব্দটি উচ্চারিত হোক। সে চাইতে পারে-এটা তার আত্মগত অভিলাষ, এ ক্ষেত্রে কোনো বাধাই মানতে রাজী নয়। এ ধারায় পাঠক জিয়াজদ্দিন ঠাকুরও নিজেকে ‘পাঠকগবেষক’ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা দিতে ইচ্ছুক। অনেক সময় দেখা যায়, একজন সংকলক ‘গরু’ বিষয়ক লেখা সংগ্রহ করে সুন্দর নাম দিয়ে বই প্রকাশ করেছে। ধরা যাউক বইটির নাম ‘গৌরবে-সৌরভে নান্দনিক গরু’। তাতে গরু বিষয়ে নানা প্রবন্ধ, স্মৃতিকথা, জন্ম-ইতিহাস, নানা তথ্য-সংযোজিত থাকতে পারে, এটাই স্বাভাবিক। মনে রাখতে হবে-এ সংকলনের মধ্যে হাতি-ঘোড়া-কুকুর-বিড়াল-বাঘ বিষয়ক কোনো অপ্রাসঙ্গিক লেখা থাকবে না। এরূপ কোনো সংকলন হলে বুঝতে হবে-সংকলক সংকলনের যথার্থ বিষয়টি সম্বন্ধে অজ্ঞ। একধরনের সাময়িক উত্তেজনায় আপ্লুত। সুতরাং সংকলককেও সেরূপ যোগ্যতা অর্জন করতে হয়।  
অন্যান্য শহরের মতো আমাদের কুমিল্লায় কবির সংখ্যা কম নয়। কিন্তু কবিতার গুণগত বিচারে ২/৩ জনকেই কবি বলা যেতে পারে। অনেকেরই একাধিক কবিতার বই প্রকাশিত হয়েছে, তাঁরা এবং আমরা তাদের নামের আগে ‘কবি’ শব্দটি উচ্চারণ করি। মূলত তারা যে অর্থে কবি, তা শুধু কবিতা নামক বই লেখার জন্যই, ‘কবিতা’র জন্য নয়। পাঠক বুঝলেও কবিরা বুঝেন না। সমস্যা হলো তাদের বইগুলো প্রকাশিত হওয়ায়। যে ২/৩ জন কবি শহরে আছেন, তারা কারা? নাম বলার সাহস নেই। কারণ, যাদের নাম বলতে পারব না, তারা ভালো কবিতা না লিখতে পারলেও তাদের গালি খুবই সমৃদ্ধ ও ছন্দময় এবং দাঁড়ি কমাহীন। কথা উঠতে পারে-তারা পুরস্কার পাচ্ছেন, সম্মাননা পাচ্ছেন, পুরস্কার কিনে এনে ঘর সাজাচ্ছেন, তাদের সংখ্যা তো কম নয়। এগুলোও একসময় সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। এ প্রসঙ্গ এখানে আলোচ্য বিষয় নয় বলেই কোনো মন্তব্য করতে চাই না।
সুলতান শাহরীয়ারের উদ্ভট সব প্রশ্ন। সে আমাকে বলে- ‘যারা তীর্থদর্শনে যায়, তারা কি সবাই সাধু বনে যায়?’ বললাম, ‘এনিয়ে একটি গল্প বলি। গল্পটি শ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃতে আছে। একজন ডাক্তার রামকৃষ্ণকে চিকিৎসা করতে এসেছেন। বলছেন-একটি শিশু বৃষ্টিতে ভেজা গাভীর দুধ খাওয়ায় নাকি শিশুটির হোপিং কাশ হয়েছে, রামকৃষ্ণ শুনে বলছেন- তাই তো, আমি একবার তেতুল গাছের নীচ দিয়ে আসছিলাম, পরে আমার পেটে অম্বল হয়েছিল। শাহরীয়ারকে বললাম- ‘ভেজা গাভীর দুধ খেলে যদি হোপিং কাশ হয়, তেতুল গাছের নীচে গেলে যদি পেটে অম্বল হয়, তবে তীর্থ দর্শনে নিশ্চয়ই কোনো প্রভাব পড়তেই পারে। তবে সাধু বনে যায় কি না জানি না।’ তার ঘুরেফিরে এককথা-শাহরীয়ার এত বই ছেপে কেন গবেষক নয়?
আমাদের সাহিত্যাঙ্গনে এখন সোনামি চলছে, যে যেভাবে পারছে, সেভাবেই নিজেকে প্রতিষ্ঠা দিতে অপ্রতিরোধ্য অভিযাত্রায় এগিয়ে চলেছে। কেউ বিচিত্র পোষাক পরে, কেউ মানহীন বই ছেপে- নানাভাবে নিজেদের পরিচয় প্রতিষ্ঠা দিতে চাচ্ছে। লক্ষণীয়, কেউ এব্যাপারে আগ্রহ না দেখালেও নিজেরাই নিজেকে কবি-লেখক-গবেষক বলে ও লিখে নিরন্তর বিজ্ঞপ্তিত হচ্ছে। লক্ষণ খুব একটা ভালো নয়। এ ক্ষেত্রে সুলতান শাহরীয়ার ব্যতিক্রম থাকবে কেন? সুলতান শাহরীয়ার চলুক তার আপন জগতে, আনন্দে, উপভোগ করুন তার আত্মগত বিশ্বাস-স¦প্ন নিয়ে। তার আনন্দ ও যাপিত বিশ্বাসকে আমরা উপভোগ করি নিজস্ব ঔদার্য্য,ে এটাই শেষকথা, মনে যে তার সাধ জেগেছে।             

                
 





© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০১৮
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ই মেইল: [email protected], [email protected],  Developed by i2soft
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আবুল কাশেম হৃদয়
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন
কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ। বাংলাদেশ। ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ইমেইল : [email protected] Developed by i2soft
document.write(unescape("%3Cscript src=%27http://s10.histats.com/js15.js%27 type=%27text/javascript%27%3E%3C/script%3E")); try {Histats.start(1,3445398,4,306,118,60,"00010101"); Histats.track_hits();} catch(err){};