ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
Count
523
ধানের অধিক ফলনেও কাঁদছে কৃষক!
Published : Monday, 20 May, 2019 at 12:00 AM, Update: 20.05.2019 1:36:10 AM
ধানের অধিক ফলনেও কাঁদছে কৃষক!বারী উদ্দিন আহমেদ বাবর॥
কৃষি প্রধান এই দেশের সিংহভাগ আয় কৃষি খাত থেকে এলেও বোরোর এই মৌসুমে সেই কৃষক এবং কৃষি কাজই যেন দেশের জন্য অভিশাপ হয়ে উঠেছে। হতাশায় নিমজ্জিত হয়ে কৃষকরা এখন শুধুই কাঁদছে। তাদের এই কান্না কৃষির প্রতি উৎসাহের বদলে অবহেলার জন্ম নিয়েছে।
এ বছর দেশজুড়ে ধানের প্রচুর ফলন হয়েছে। ধানের অধিক ফলনের খুশি প্রতিটি কৃষকের ঘরে ঘরে ছড়িয়ে যাওয়ার বদলে তাদের মাঝে উৎকন্ঠা তৈরী করেছে। ফসল উৎপাদনের পর ফসলের ন্যায্য মূল্য না মেলায় সারা দেশের ন্যায় কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার কৃষকদের মাঝেও হতাশা বিরাজ করছে।
ফসলের মাঠ ও বিভিন্ন হাট বাজারে সরেজমিন ঘুরে জানা গেছে, মাঠের ধান কাটা ও মাড়াই প্রায় শেষ পর্যায়ে। এখন শুধু খাবারের জন্য মজুদ ও বিক্রয়ের পালা। কিন্তু ন্যায্য মূল্য না পেয়ে হতাশা ডুবছেন কৃষক। তারা বলছেন ১মন ধানের দামে একজন শ্রমিকের একদিনের বেতন মিলছেনা। একমণ ধানের দাম মাত্র ৪৫০-৫৫০ টাকা। অথচ সরকারের নির্ধারন করা প্রতি মন ধানের দাম ১হাজার ৪০ টাকা। অভিযোগ রয়েছে বিভিন্ন সিন্ডিকেটের কারণে ধানের বাজারে এমন অস্থিরতা বিরাজ করছে। তা ছাড়া সরকার দেরীতে ধান ক্রয় করার ফলেও ধানের ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে কৃষক। সরকারিভাবে দ্রুত ধান ক্রয় শুরু না হলে আরও ভোগান্তিতে পড়তে হবে বলে কৃষকদের মাঝে শঙ্কা তৈরী হয়েছে। লোকসানের কারণে এ পেশা থেকে সরে আসার কথাও বলছেন অনেক কৃষক।উপজেলার কাদবা গ্রামের কৃষক শাহাজাহান, জহিরুল হক, মাঈন উদ্দিন বলেন, একজন শ্রমিকের বেতন ৬শ টাকা। কিন্তু ১মণ ধানের মূল্য ৫শ টাকা থেকে ৫শ ৫০টাকা বিক্রি করতে হচ্ছে। এতে করে কৃষকদের বোরো আবাদ চাষে লাভের চেয়ে ক্ষতির পরিমাণ বেশি। তারা বলেন ধান বাজারগুলোতে সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেটের নিকট তারা জিম্মি হয়ে পড়েছেন। ফলে ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তারা। সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ ও ইউনিয়ন ভিত্তিক সরকারিভাবে ন্যয্যমূল্যে ধান ক্রয় কেন্দ্র খোলার দাবী করেন তারা।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানায়, বিঘা প্রতি ধান উৎপাদন হয় প্রায় ২১ মণ। ওই ধান উৎপাদনে সর্বমোট খরচ ১৮হাজার ৫শ টাকা। ৫শ ৫০টাকায় একমন ধানের দাম হারে বিঘা প্রতি ধানের মূল্য পায় ১১হাজার ৫শ ৫০টাকা। এতে প্রতি বিঘায় কৃষকদের লোকসান গুনতে হচ্ছে প্রায় ৭হাজার টাকা।
জানতে চাইলে উপজেলা কৃষি অফিসার জাহিদুল ইসলাম বলেন, এবার বোরো ফলন লক্ষ্য মাত্রা ছেড়ে গেছে। উপজেলার ১২ হাজার ৬শ ৫০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ করা হয়েছে। সরকারিভাবে ৪শত ৩মেট্রিকটন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইউনিয়নভিত্তিক উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে মাঠপর্যায়ে কৃষকদের নিকট হতে চাহিদা নেয়া হচ্ছে। যেসব কৃষক ধান বিক্রি করতে আগ্রহী আমরা তাদের তালিকা খাদ্য গুদামে পাঠিয়ে দেব।  
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আনিছুর রহমান বলেন, ২০১৬ সাল থেকে সরকারি ভাবে ধান ক্রয় বন্ধ রয়েছে। সরকার নির্দেশনা দিলে আমরা ধান ক্রয় করবো।  উপজেলা কৃষি অফিস আমাদেরকে যেসব কৃষকের তালিকা দিবে শুধৃমাত্র তাদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করা হবে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ধান ক্রয় করা শুরু হবে।






© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০১৮
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ই মেইল: [email protected], [email protected],  Developed by i2soft
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আবুল কাশেম হৃদয়
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন
কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ। বাংলাদেশ। ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ইমেইল : [email protected] Developed by i2soft
document.write(unescape("%3Cscript src=%27http://s10.histats.com/js15.js%27 type=%27text/javascript%27%3E%3C/script%3E")); try {Histats.start(1,3445398,4,306,118,60,"00010101"); Histats.track_hits();} catch(err){};