ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন অ্যাপস কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য লাইভ টিভি লাইভ রেডিও সকল পত্রিকা যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
Count
68
পেঁয়াজের দাম কমছে না
Published : Friday, 9 February, 2018 at 12:00 AM
পেঁয়াজের দাম কমছে নাবাংলাদেশে প্রতিবছর যে পরিমাণ পেঁয়াজ উৎপাদন হয়, তা দিয়ে দেশের চাহিদা পূরণ হয় না। ফলে আমদানির ওপর নির্ভর করতে হয়। বাংলাদেশে আমদানি করা পেঁয়াজের বড় অংশই আসে ভারত থেকে। ফলে ভারতে পেঁয়াজের দাম ওঠানামা করলে বাংলাদেশের বাজারে তার প্রভাব পড়বে এটাই স্বাভাবিক। ভারত সরকার মৌসুমের শুরুতে পেঁয়াজের ন্যূনতম রপ্তানি মূল্য বা এমইপি নির্ধারণ করে দেওয়ার পর বাংলাদেশের বাজারে তার প্রভাব পড়ে। ভারতে পেঁয়াজের রপ্তানিমূল্য বাড়িয়ে প্রতি মেট্রিক টন ৮৫০ ডলার নির্ধারণ করা হলে বাংলাদেশের খোলাবাজারেও বেড়ে যায় পেঁয়াজের দাম। কিন্তু ভারত সরকার পেঁয়াজের ন্যূনতম দাম প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর তার কোনো প্রভাব পড়েনি বাজারে। বরং দাম আরো বেড়েছে। রপ্তানিমূল্য প্রত্যাহারের আগে চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের আড়তে গত ২ ফেব্রুয়ারি যে পেঁয়াজ পাইকারিতে ৩৫-৩৬ টাকা দামে বিক্রি হয়েছে, রপ্তানিমূল্য প্রত্যাহারের পরদিন তা বিক্রি হয়েছে ৪২ টাকা দামে। এক দিন পর এই দাম বেড়ে হয়েছে ৪৬ টাকা। অর্থাৎ ভারতে ন্যূনতম রপ্তানিমূল্য প্রত্যাহারের কোনো প্রভাব দেশের বাজারে পড়েনি। বরং ব্যবসায়ীদের অজুহাতে দাম বেড়েছে। অনিবার্যভাবেই তার প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে। ভোক্তাদের অভিযোগ, মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিতেই দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। অথচ দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে এত দিন ভারতের বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। ভারত পেঁয়াজের ন্যূনতম রপ্তানিমূল্য ৮৫০ ডলার নির্ধারণ করার পর থেকেই দেশের বাজারে অস্থিরতা দেখা দেয়। পরে এই দাম কমিয়ে যখন ৭০০ ডলার করা হয় তখনো তার কোনো প্রভাব বাজারে ছিল না। এখন ন্যূনতম রপ্তানিমূল্য একেবারে তুলে নেওয়ার পরও তার কোনো প্রভাব বাজারে পড়ছে না। উল্টো পাইকারি বাজারে দাম বেড়ে গেছে। ব্যবসায়ীদের এবারের অজুহাত, বাজারে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম। যে কারণে পেঁয়াজের দাম কমছে না।
বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের স্বাভাবিক প্রবণতা হচ্ছে, আমদানি করা পণ্যের দাম কোথাও বেড়েছে জানতে পারলেই দেশের বাজারে দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়। পেঁয়াজের েেত্রও তেমনটি ঘটে। ব্যবসায়ীদের আরেকটি প্রবণতা হচ্ছে, চাহিদার তুলনায় সরবরাহের ঘাটতির কথা বলে মাঝেমধ্যেই বাজার অস্থিতিশীল করে তোলা হয়। যেমনটি এখন করা হচ্ছে। বাংলাদেশে প্রতিবছর পেঁয়াজের চাহিদা কমবেশি ২২ লাখ টন বলে ধরে নেওয়া হয়। গত বছর দেশে উৎপাদিত হয় ১৮ লাখ টন পেঁয়াজ। উৎপাদনে এই চার লাখ টনের ঘাটতিকেই বড় করে দেখিয়ে আবার বাজার অস্থিতিশীল করা হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতা এবারও ল করা যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপরে নজরদারিই পারে বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে।



Loading...

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০১৬
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
কার্যালয়: কাজী অহিদুজ্জামান ম্যানশন, তৃতীয় তলা, কান্দিরপাড়,কুমিল্লা-৩৫০০, বাংলাদেশ
ফোন: +৮৮০ ৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২৪৪৩, +৮৮০ ১৭১৮০৮৯৩০২
ই মেইল: hridoycomilla@yahoo.com, newscomillarkagoj@gmail.com,  Developed by i2soft
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আবুল কাশেম হৃদয়
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন
কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ। ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ইমেইল : hridoycomilla@yahoo.com Developed by i2soft
document.write(unescape("%3Cscript src=%27http://s10.histats.com/js15.js%27 type=%27text/javascript%27%3E%3C/script%3E")); try {Histats.start(1,3445398,4,306,118,60,"00010101"); Histats.track_hits();} catch(err){};