ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন অ্যাপস কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য লাইভ টিভি লাইভ রেডিও সকল পত্রিকা যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
Count
66
#রুমথনম্বারথ১৪৬
Published : Saturday, 13 January, 2018 at 12:00 AM
#রুমথনম্বারথ১৪৬শওকত আহসান ফারুক ।।
১০.
এমন দিনে তারে
বিলাসী মন, আকাশে মেঘ দেখলে কষ্টপূর্ণ কোন বোধের জন্ম হয়।  বিকেল থেকে বৃষ্টি হচ্ছে  বৃষ্টি মানে, লাভলেন আজ ছুটি নিয়েছে। এমন দিনে তারে বলা যায়  তেমন বৃষ্টি হচ্ছে,  আজ লাভলেনের মন খারাপ, সবার বিলাসী বিরহ!
আজ যাওয়া হবেনা, মন উড়ু উড়ু কোথাও কি যাওয়া যায়, এমন কোথাও যেখানে মন ভালো হয়ে যাবে? 'মনিকা'তে এখন ভালো আড্ডা জমবে, সন্ধ্যার আড্ডা রাত অবধি গড়ায়, গড়িয়ে যায়।
নিউমার্কেটে মনিকায় কবিদের তুমুল আড্ডা, ছোট কবি, বড় কবি, অ-কবি ভীড় জমায় মনিকায়,  গরম গরম আলুর চপ সাথে চা, কবিতা ভালোই চলে। কবির প্রভাবে প্রভাবিত হয়ে, মনিকার বয় মোঃ রফিক একটি কবিতা লিখে ফেল্লো, আমাদের কেউ একজন ছাপিয়ে দেবার ব্যবস্থা করে দিয়েছে, কোন দৈনিক পত্রকার বরিবারের সাহিত্যের পাতায়, রফিকের খুসী দেখে কে, পত্রিকা হাতে নিয়ে দেখায় স্যার, দেহেন এইডা আমার কবিতা, কাল ছাপা হয়েছে।
নির্মলেন্দু গুণ, রসিকতা করে বলে তাহলে আরো একজন কবি রফিক পাওয়া গেলো। কবি মোহম্মদ রফিক  তখন পাশেই বসা, -- হুম নির্মলেন্দু আরো একজন রফিক পাওয়া গেলো।
সেদিন রফিক জোর করে সবাইকে চা ও আলুর চপ দিয়ে আপ্যায়িত করেছিল।
বৃষ্টি তখনো ঝরছে একমুঠো ঠা-া বাতাস বইছে ঝিরিঝিরি, মনের উঁড়ু উঁড়ু ভাব এখনো কাটছে না।
--চলো শৌকত নীলক্ষেত, রাত বেশী হয়নি।
শুধু একজন আমাকে  এখনো এই নামে ডাকে 'শৌকত'।  বড় ভাললাগে মনের গভীর ছোঁয়া থেকে, হৃদয়ে থেকে ডাকে।  এইতো সেদিন দেখা হলো বই মেলায়, শৌকত নামেই সম্বোধন, আমার সাথে ছিলো নাওমি, ফারজানা, প্রন্তর, রোদ্দুর।
বেশ জমেছিলো মেলার শেষে আড্ডা, একাডেমীর সামনের রাস্তায় বসে জমিয়ে আড্ডা,  ফারজানা গুণ'দার ভীষণ ভক্ত, গুণের কবিতা পড়ে নিজেই কবি হয়ে গেলো।
-- হাত বাড়িয়ে ছুঁই না তোকে--, মন বাড়িয়ে ছুঁই-- নির্মলেন্দু গুণের এই কবিতা পড়ে প্রথম কবিতা লিখে।
আমি ওকে মেয়ে ডাকি শুনে আবাক!
-- কই আমাকে তো কখনো বলোনি ফারজানা, শৌকতের কথা?
শৌকত, তোমার মেয়েটা খুব গুণের, আমি তো রোদ্দুরের ফ্যান, দারুণ দারুণ সব কথা বলে!
অনেক কাথা হলো, পাপড়ির কথা বললো, কুমিল্লার কথা বললো, তারেকের খবর জানতে চাইলো, এখনো লিখি শুনে খুসী হলো।
ফিরে  গেলাম সেই ফেলে আসা স্মৃতিময় সময়ে। আকাশের মন ভালোনেই টুপটাপ ঝরছে, বৃষ্টি মাথায় নিয়ে তারেক আমি গুণ'দা চলে এলাম নীলক্ষেত, ছোট্ট একটি ছাপড়া, বলাকার পাশে কুপির আলো, লালসালু, একতারা, গাইছে গান।
-- মন তুই চিনলি নারে, বুঝলি নারে,
মন মানুষ বিরাজ করে আমার
দিলঈশ্বরে আমার দিলঈশ্বরে,
মনের মানুষ আছে ঢাকা
সাধন করলে পাবি দেখা ---
অঝোড়ে ঝড় নেমেছে, সেদিন এমনি বৈশাখ ছিলো, ঝড়জলে একাকার, কোন লক্ষণ নেই কমবার, শুনেছি রেডিওর খরবে চার নম্বার বিপদ সংকেত, ঝড়বৃষ্টি  মাথায় নিয়ে বেরিয়ে পড়ি।  তারেক ও গুণ'দা একটা রিক্সা নিয়ে চলে গেলো আজিমপুর, গুণ'দা তখন চায়না বিল্ডিং এলাকায় থাকে, যতটুক মনে পড়ে সেদিন তারেক গুণের বাসায় ছিলো, রাত বেশী হয়েছিলো তাই বাসায় ফিরেনি, আমি একটা রিক্সা পেলাম, সেদিন কেন জানি, গাউসিয়া হয়ে শাহবাগ পৌঁছতে  অনেক সময় লাগছে, পথ শেষ হচ্ছে না, চেনা পথ অচেনা লাগছে, সময় কোথাও থেমে গেলো , চলছি ঝড়ের বিপরীতে।
এমন দিনে তারে বলা হলো না।
#
১১.
কুসুমিত ইস্পাত
সকালে দৈনিক পত্রিকায় খবরটা পড়েই মনটা খারাপ হয়ে গেলো, একজন কবি আততায়ীয় গুলিতে নিহত, ছয়মাস হয়েছে দেশ স্বাধীন হলো। একজন প্রগতিশীল কবির এভাবে চলে যাওয়া, মেনে নিতে পারছি না, কবি হুমায়ুন কবির আর নেই।
ছাত্রজীবন থেকেই বামপন্থী রাজনীতির সাথে জড়িত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক, ১৯৬৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় এম.এ, পাশের পর ১৯৭০-এ বাংলা একাডেমী গবেষনা বৃত্তি পান, গবেষনার বিষয় ছিলো সাম্প্রতিক জীবন চৈতন্য ও জীবনানন্দ দাশের কবিতা।
পত্রপত্রিকায় হুমায়ুন কবিরের কবিতা ও প্রবন্ধ পড়েছি, ১৯৭২ সালের প্রথম দিকে গোপন বিপ্লবী রাজনৈতিক কার্যকলাপে প্রত্যক্ষ জড়িয়ে পড়েন। বাম প্রগতিশীল সংগঠনের সাথে যোগাযোগ গড়ে উঠার কারণে, সরকারের রোষানলে পড?েন এবং গ্রেফতার হন।
পূর্ব বাংলার সর্বহারা পার্টির একজন সক্রীয় কর্মী। ১৯৭১ সালে লেখক সংগ্রাম শিবির প্রতিষ্ঠা করেন সমমনাদের নিয়ে, দেশ স্বাধীনের পর ১৯৭২ সালে, লেখক সংগ্রাম শিবিরের নাম বাংলাদেশ লেখক শিবির নামে পরিচিত হয়।
একসময় পূর্ব বাংলার সর্বহারা পার্টির প্রধান সিরাজ সিকদারের সাথে হুমায়ুন কবিরের মতবিরোধ ঘটে,  পার্টির কর্মসূচির প্রয়োগ ও বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়ে। ফলশ্রুতিতে, ১৯৭২সালের ৬ জুন, রাত ৯টায় ঢাকা ইন্দিরা রোডের বাড়ি থেকে ডেকে এনে গুলি করে হত্যা করে।
হুমায়ুন কবিরকে হত্যার কারণ হিসেবে সর্বহারা পার্টির বক্তব্যে ছিলো  'সাহিত্যিক হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করায় পুরোপুরি বুর্জোয়া দৃষ্টিকোণ সম্পন্ন হওয়ায় স্বভাবতঃ হুমায়ুন কবিরের মধ্যে ব্যক্তি স্বার্থের প্রাধান্য ছিলো'।
বাংলাদেশের ভৌগোলিক স্বাধীনতা অর্জিত হওয়ার পরপর, প্রগতিশীল একদল লেখক উদ্যোগী গঠিত হয়ে ‘বাংলাদেশ লেখক শিবির’ প্রতিষ্ঠা করে, লেখক শিবির একটি আন্দোলনের নাম।  কবি হুমায়ুন কবির ও কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা ‘বাংলাদেশ লেখক শিবির’ প্রথম আহ্বায়কের দায়িত্বে ছিলেন, লেখক শিবিরে তখন আহম্মদ ছফা, ফরহাদ মাজহার, রফিক কায়সার, মুনতাসীর মামুন, হেলাল হাফিজ, রফিক নওশাদ প্রমুখ  বিশেষভাবে জড়িত ছিলেন। ‘বাংলাদেশ লেখক শিবিরের’  আহ্বায়ক থাকাকালীন, ১৯৭২ সালের ৬ই জুন অজ্ঞাত আততায়ীর গুলিতে হুমায়ুন কবির নিহত হন।
তাহার  অন্যতম শুভানুধ্যায়ী ও বন্ধু আহমদ ছফা উদ্যেগী হয়ে একজন প্রকাশকের ব্যবস্থা করে দেন, প্রথম কাব্য গ্রন্থ 'কুসুমিত ইস্পাত', প্রকাশনার কাজ চলছে , ৭৪টি কবিতা সম্বলিত, বই  যখন ছাপাখানায় পুরোপুরি কম্পোজ হচ্ছে তখনই কবি আততায়ীর গুলিতে শহীদ।
কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা বলেন যে 'কবিতার শরীর নির্মাণে, বিশেষতঃ উপমা, উৎপ্রেক্ষা ও শব্দনির্মাণে হুমায়ুন বরাবরই জীবনানন্দীয় পরিমন্ডলের অধিবাসী'।
জীবনানন্দ সম্পর্কিত প্রবন্ধাবলী ছাড়াও সাহিত্য, ও সমাজ, বিশেষতঃ ভাষা আন্দোলন সম্পর্কে হুমায়ুন কবির অনেক প্রবন্ধ লিখেছেন।
আবদুল্লা আবু সায়ীদের ‘কণ্ঠস্বর’ পত্রিকাকে কেন্দ্র করে, ষাটের দশকে এ'দেশে  গদ্যচর্চার আবহ সৃষ্টি হয়েছিলো, হুমায়ুন কবিরের বাক্যবিন্যাস সেই ধারারই অনুবর্তী, হুমায়ুন কবির গল্প লিখেছেন অনেকটা খেয়ালের বশে।
কবির বন্ধু-ভাগ্য ছিলো সুপ্রসন্ন, অনেকেই তাহার  সম্পর্কে কবিতা লিখেছেন। ফরহাদ মাজহার লিখেছেন তাহার বিখ্যাত কবিতা ‘--আমি ডেকে বলতে পারতুম হুমায়ুন’। তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে মুহম্মদ নূরুল হুদা রফিক নওশাদ সম্পাদিত কবিতা পত্রিকা ‘কালপুরুষ’-এ স্পন্দিত গদ্যে লিখলেনঃ ‘আরেক লোরকা তিনি, বঙ্গ দেশীয় লোরকা, রক্তাক্ত হয়েছেন জীবনে, মৃত্যুতে এবং কবিতায়।'
সত্যি হুমায়ুন কবির একজন কুসুমিত ইস্পাত।
সহপাঠিনী সুলতানা রেবুকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলন।
#
১২.
দূরদর্শীতা ও অদূরদর্শীতা
১৯৭২ সালের ২৩ জুলাই, সকালে রেসকোর্সে যাবো, ছাত্রলীগের সন্েেমলন। সেদিন আমাদের মিলন মেলা, দেশের সব প্রান্ত থেকে নেতৃস্থানীয় সবাই আসবে, সেই সময় রেসকোর্স ও রমনা এমন ছিলো না। সেখানে সন্মেলনে অন্যান্য জেলার ছাত্রলীগের নেতা কর্মীদের সাথে সখ্যতা গড়ে উঠে।
ফজলুল হক মুসলিম হলের অ্যাসেম্বলি হলে, ১৯৪৮ সালের ৪ঠা জানুয়ারি, দূরদর্শী নেতা শেখ মুজিবর রহমান, মেধাবী ও প্রগতিশীল ভাবাদর্শের একদল ছাত্রদের নিয়ে ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠিা করেন। প্রতিষ্ঠাকালীন সময় নাম ছিল পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ। ছাত্রলীগের প্রথম আহবায়ক ছিলেন নাঈমউদ্দিন আহমেদ। পরবর্তীতে সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু হলে  সভাপতি মনোনিত হন দবিরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক খালেক নেওয়াজ খান।
১৯৭২ সালের ২৩ জুলাই সকালে ঘুম থেকে উঠে আমি আর রাগীব যথারীতি রওনা হই সন্মেলনে যাবো, শাহবাগে থাকি বাসা থেকে রমনা পায়ে হাঁটা পথ, যাবো রেসকোর্স, এমন সময় দেখি রাগীব নেই অন্যদিকে যাচ্ছে, অন্য মিছিলে।
-- এই রাগীব, কোথায় যাস্ সন্মেলন তো এদিকে।
-- না, আমি রেসকোর্স  যাবো না আমি যাবো পল্টনে।
সেদিনই  সকালে দু'জনে চলে যাই দু'দিকে।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সেদিনই আনুষ্ঠানিক ভাবে ভাগ হয়ে গেলো। দুই জায়গায় সন্মেলন রমনা ও পল্টন মায়দান, বঙ্গবন্ধু প্রধান অতিথি দুই অনুষ্ঠানেই। লিডার ভীষণ বিপাকে, কোনদিকে যাবেন?
শেষ সময় পর্যন্ত সিরাজুল আলম খান, আসম আবদুর রব, শাহজাহান সিরাজ সহ সবাইকে  বুঝিয়েছেন, একসাথে থাকার জন্য কিন্তু পারেন নি।  আমরা অধীর আগ্রহ নিয়ে রমনায় প্রতীক্ষা করছি লিডার কখন আসবে, আনান্য বার সকালই চলে আসেন, নিজ হাতে গড়া ছাত্রলীগের এই মিলন মেলায়। তিনি এলেন দুপুরে, দলের ভাঙন রোধ করতে পারেন নি। সেদিন লিডারকে খুব চিন্তিত, বিষাদাচ্ছন্ন দেখেছি। যেই ছাত্রলীগ ১৯৫২ থেকে ১৯৭১ মুক্তিযুদ্ধ, এ'দেশর সব আন্দোলনের পুরোধা আজ ভাগ হয়ে হয়ে গেলো ২৫ বৎসর পরে, দেশ যখন স্বাধীন। লিডার এসে তেমন কিছুই বলেন নি শুধু বলেছিলেন আমি আছি তোমাদের সাথে। দলের কর্মসূচি, নেতৃত্ব  নিয়ে মতোবিরোধ চলছিলো বেশ কয়েক দিন আজ বহিঃপ্রকাশ হলো।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ(রব), এই নামে নতুন একটি দল, গণতান্ত্রিক মূলধারা রাজনীতি থেকে বেড়িয়ে গেলো। নতুন দল ছাত্রলীগ(রব) সমাজতন্ত্রকে প্রাধান্য দিয়ে 'বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র' এই শ্লোগানে। ছাত্রলীগের একটা বৃহৎ অংশ মেধাবী ও প্রগতিশীল সবাই সেই পথ বেছে নিলো।
দেশে বহু আগে থেকেই,  ছাত্র ইউনিয়ন(মতিয়া),  ছাত্র ইউনিয়ন(মেনন), ন্যাপ (মোজাফ্ফর), ন্যাপ (ভাসানী) সহ অনেক উগ্রবাদী দল সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নিরলস কাজ করছে। আরো একটি নতুন দল আত্মপ্রকাশ করলো, সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার নিমিত্তে।
১৯৪৮ সালে দূরদর্শী মুজিব ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, একটি গণতান্ত্রিক সংগঠন। স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ সব সংগ্রামে ছাত্রলীগ এ'দেশের জনগণের সাথে হাত মিলিয়ে কাজ করেছে, নিপীড়ন, শোষণ, নির্যাতনের বিরুদ্ধে।
সেদিন সিরাজুল আলম খানের নেতৃত্বে  মেধাবী নেতৃবৃন্দ দলটাকে ভেঙে দিলো। সমাজতন্ত্র এমনিতেই বিজ্ঞান সম্মত, বৈজ্ঞানিক বিশেষণ লাগিয়ে আরো একটু পাকপোক্ত করলো।
সদ্য স্বাধীন দেশ কিছুই ঠিকঠাক নেই, হাতে হাত মিলিয়ে দেশ গড়বো। সেই সময় দেশের অর্থনীতির বাস্তবতায় বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র অনুপযোগী, দেশে এখনও গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়নি।  অদূরদর্শীতা  সেদিন কাজ করেছিলো, আমাদের মেধাবী অগ্রজদের মাঝে, মনে হলো বিরোধিতার জন্যই বিরোধিতা, নেতৃত্বের জন্য বিরোধিতা।
চলবে।
শওকত আহসান ফারুক
#





Loading...

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০১৬
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
কার্যালয়: কাজী অহিদুজ্জামান ম্যানশন, তৃতীয় তলা, কান্দিরপাড়,কুমিল্লা-৩৫০০, বাংলাদেশ
ফোন: +৮৮০ ৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২৪৪৩, +৮৮০ ১৭১৮০৮৯৩০২
ই মেইল: hridoycomilla@yahoo.com, newscomillarkagoj@gmail.com,  Developed by i2soft
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আবুল কাশেম হৃদয়
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ কাজী অহিদুজ্জামান ম্যানশান।
তৃতীয় তলা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ। ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ইমেইল : hridoycomilla@yahoo.com Developed by i2soft
document.write(unescape("%3Cscript src=%27http://s10.histats.com/js15.js%27 type=%27text/javascript%27%3E%3C/script%3E")); try {Histats.start(1,3445398,4,306,118,60,"00010101"); Histats.track_hits();} catch(err){};