ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন অ্যাপস কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য লাইভ টিভি লাইভ রেডিও সকল পত্রিকা যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
Count
48
সর্বগ্রাসী হয়ে উঠছে মাদক
Published : Monday, 8 January, 2018 at 12:00 AM
সর্বগ্রাসী হয়ে উঠছে মাদকমাদকের নেশা যেভাবে ছড়িয়ে পড়ছে তাতে দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন অনেকেই। আগে তরুণ-যুবকরা মাদকে আসক্ত হতো। এখন কিশোর, এমনকি কিশোরীরাও মাদকাসক্তির শিকার হচ্ছে। অতীতে মাদকের তালিকায় প্রধান দ্রব্যটি ছিল গাঁজা। এখন সেই তালিকায় যোগ হয়েছে আরো অনেক নাম। তার মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর মাদকটির নাম ইয়াবা। চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের মতে, এটি কেউ দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে তার মধ্যে মানবিক গুণাবলি বলে কিছু অবশিষ্ট থাকে না। খুন-খারাবিসহ হেন অপকর্ম নেই, যা তারা করতে পারে না। শারীরিকভাবেও এর ক্ষতি ভয়ংকর। অথচ ইয়াবা এখন প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলেও সহজলভ্য হয়ে গেছে। এই ইয়াবার কারবার অত্যন্ত লাভজনক হওয়ায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর অনেক সদস্যের বিরুদ্ধেও মাদক কারবারে বা মাদক পরিবহনে যুক্ত থাকার অভিযোগ উঠছে। পত্রিকান্তরে প্রকাশিত খবর থেকে জানা যায়, নরসিংদীর মনোহরদীতে পুলিশ ইয়াবার কারবারে জড়িয়ে গেছে। এর আগেও রাজশাহীর পবা ও গোদাগাড়ীতে পুলিশের সহায়তায় নিয়মিত মাদকের হাট বসার খবর এসেছে। মাদক কারবারিদের কাছ থেকে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ তো আছেই। তাহলে মাদকের বিস্তার কমবে কিভাবে? আবার মাদক কারবারে যুক্ত থাকার অভিযোগে যাদের আটক করা হয়, প্রকাশিত খবর থেকে জানা যায়, তারাও কয়েক দিনের মধ্যেই জামিনে বেরিয়ে আবার এই কারবারে যুক্ত হয়। ঢাকায় যৌথ বাহিনীর ২০০ সদস্য বিহারি ক্যাম্পে অভিযান চালিয়ে নাদিম নামে এক ভয়ংকর মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছিল। মাত্র ১২ দিনের মাথায় সে জামিনে বেরিয়ে এসেছে। আইনের এমন দুর্বলতাও মাদকের বিস্তার রোধের জন্য কাক্সিক্ষত নয়।
মাদক সহজলভ্য হলে মাদকাসক্তিও বাড়ে। আর সেটাই এখন দেখা যাচ্ছে চারদিকে। ইয়াবা আসে মূলত মিয়ানমার থেকে। সীমান্তে তার চোরাচালান আমরা আটকাতে পারছি না। সেগুলো ঢাকাসহ সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে। সড়ক-মহাসড়কে মাদকের পরিবহন ঠেকাতে ব্যর্থ হচ্ছি। হাট বসিয়ে কেনাবেচা হলেও তা রোধ করতে পারছি না। উপরন্তু যারা এসব রোধ করবে, তারাই যদি কারবারে জড়িয়ে যায়, তাহলে ফল কী হবে? দ্রুত বিস্তার ঘটবে। হচ্ছেও তাই। এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্র বা সরকারের কি কোনো ভূমিকা থাকা উচিত নয়? মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নামে সরকারের একটি অধিদপ্তর রয়েছে, যেটি ‘ঢাল নেই, তলোয়ার নেই-নিধিরাম সর্দার’ বা ‘ঠুঁটো জগন্নাথ’ হিসেবেই বেশি পরিচিত। তাদের না আছে লোকবল, না আছে মাদক কারবারিদের মোকাবেলা করার সক্ষমতা। জানা যায়, নানা কৌশলে দেশের বন্দরগুলো দিয়েও প্রচুর মাদক ঢুকছে। কখনো তুলার কিংবা অন্য কোনো পণ্যের বস্তায়, কখনো ইলেকট্রনিকস সামগ্রীর ভেতরে করে। কিন্তু দেশে কোনো ড্রাগ ডিটেক্টর যন্ত্র নেই, যা দিয়ে এগুলো ধরা যায়। এমন কিছু যন্ত্র কেনার সামর্থ্য কি দেশের নেই? নিশ্চয়ই আছে। কিন্তু যা নেই তা হলো মাদক নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করা। দেশের স্বার্থে, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষার স্বার্থে এই উপলব্ধিটাই আজ সবচেয়ে বেশি জরুরি।



Loading...

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০১৬
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
কার্যালয়: কাজী অহিদুজ্জামান ম্যানশন, তৃতীয় তলা, কান্দিরপাড়,কুমিল্লা-৩৫০০, বাংলাদেশ
ফোন: +৮৮০ ৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২৪৪৩, +৮৮০ ১৭১৮০৮৯৩০২
ই মেইল: hridoycomilla@yahoo.com, newscomillarkagoj@gmail.com,  Developed by i2soft
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আবুল কাশেম হৃদয়
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ কাজী অহিদুজ্জামান ম্যানশান।
তৃতীয় তলা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ। ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ইমেইল : hridoycomilla@yahoo.com Developed by i2soft
document.write(unescape("%3Cscript src=%27http://s10.histats.com/js15.js%27 type=%27text/javascript%27%3E%3C/script%3E")); try {Histats.start(1,3445398,4,306,118,60,"00010101"); Histats.track_hits();} catch(err){};