ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন অ্যাপস কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য লাইভ টিভি লাইভ রেডিও সকল পত্রিকা যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
Count
178
নির্মাণ কাজ শেষ হতে না হতেই দেবে গেছে অধিকাংশ অংশ
প্রতিদিনই চলছে চাঁছা-ছোলার কাজ--
Published : Wednesday, 6 December, 2017 at 12:00 AM, Update: 06.12.2017 12:50:46 AM
নির্মাণ কাজ শেষ হতে না হতেই দেবে গেছে অধিকাংশ অংশ রনবীর ঘোষ কিংকর ||
বাংলাদেশের লাইফ লাইন হিসেবে খ্যাত ব্যস্ততম ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ফোর লেনে রূপান্তর ছিল দেশের দক্ষিণ-পূবাঞ্চল মানুষের স্বপ্ন। হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যায়ে দেশের সবচেয়ে বেশি  গুরুত্বপূর্ণ মহাসকের কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত ১৯২ কিলোমিটার মহাসড়কের নির্মাণ কাজ শেষ হতে না হতেই দেখা দিয়েছে নানা সমস্যা। কোথাও কয়েক কিলোমিটার জুড়ে দেবে গেছে, কোথাও আবার সৃষ্টি হয়েছে গর্ত আবার কোথাও পিচের স্তুপ।
মহাসড়কের ফোর লেন কাজ সমাপ্ত শেষে উদ্বোধনের এক বছরের পর থেকে বিভিন্ন স্থানে ওই সব সমস্যার কারণে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কখনও  পিচের স্তুপ চেঁছে সমান করছে আবার কখনও দেবে যাওয়া অংশসহ গর্ত ভরাটের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
মহাসড়কের দাউদকান্দির ইলিয়টগঞ্জ বাজার এলাকা সম্পর্কে তো আর কিছুই বলার নেই। প্রায় ৫শ মিটার এলাকায় তো এখন উপড়ে ফেলে আবারও সংস্কার করা হচ্ছে। মহাসড়কের কুমিল্লার আলেখারচর থেকে ময়নামতি পর্যন্ত কয়েক দফা চাঁছা-ছোলার কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। এছাড়া ডিভাইডার গুলোতে পানি নিস্কাশনের যে ড্রেন করা হয়েছে সেই ড্রেন গুলো পরিকল্পিত ভাবে না করায় পানি জমে সৃষ্টি হচ্ছে গর্ত। আর মহাসড়কের মাঝে মাঝে ওই সব গর্তগুলো ছোট যানবাহনের জন্য মৃত্যুকোপে পরিণত হচ্ছে।
তুলনামূলক ভাবে ১৯৯৪ সালে সালে নির্মিত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পুরাতন দুই লেন এখন অনেকটাই মজবুত বলে মনে করেন গাড়ি চালকসহ সর্বস্তরের মানুষ।  
গাড়ি চালক বেলাল উদ্দিন জানান, আমি প্রায় ২৬ বছর যাবৎ এ রোডে গাড়ি চালাই। মহাসড়কের দাউদকান্দি টোল প্লাজা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত ফোর লেনের বর্ধিত অংশের বিভিন্ন স্থান নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। প্রতিটি ব্রীজ ও স্টেশন এলাকায় তো গর্ত আছেই। এছাড়া যে অংশ দিয়ে যানবাহন লাইনে চলে ওই লেনে গাড়ির চাকার দাগে সমপরিমাণ স্থান দেবে সড়কের পাশে পিচের স্তুপ হচ্ছে। আর ওই পিচের স্তুপে ধাক্কা লাগলে যে কোন গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার দাউদকান্দি টোল প্লাজা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত ১৯২ কিলোমিটার মহাসড়ক এলাকায় ফোর লেনে রূপান্তর কাজ শুরু হয় গত ২০১০ সালের জানুয়ারীতে। নির্ধারিত সময়ের প্রায় দ্বিগুন সময় নিয়ে ২০১৬ সালের মাঝামাঝিতে মহাসড়কের নির্মাণ কাজ শেষ হলে ২০১৬ সালের ২ জুলাই উন্নীতকরণ মহাসড়ক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। আর কাজ শেষ হওয়ার প্রায় এক বছর পর ২০১৭ সালের ৩০ জুন সড়ক ও জনপদ বিভাগের কাছে মহাসড়কের দায়িত্ব হস্তান্তর করেন ফোর লেন প্রকল্প। কিন্তু ফোর লেন প্রকল্প থেকে দায়িত্ব বুঝে নেওয়ার সাথে সাথে মহাসড়কের ওই সব সমস্যায় বাড়তি চাপে রয়েছে সড়ক ও জনপদ বিভাগের দায়িত্বরত কর্মকর্তারা।
সড়ক ও জনপদ বিভাগের কুমিল্লা জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী মোফাজ্জল হায়দার বিভিন্ন ত্রুটির কথা স্বীকার করে বলেন, ওভার লোডের গাড়ি গুলো ডিভাইডারের পাশ ঘেঁষে সারিবদ্ধ ভাবে চলার কারণে দেবে গেছে। অপরদিকে স্টেশন এলাকা গুলোতেই বেশির ভাগ গর্ত সৃষ্টি হচ্ছে। সেগুলো সংস্কারে আমাদের কাজ চলছে। তবে স্থায়ী ভাবে সমস্যা সমাধান করার জন্য পাঁচ বছর মেয়াদী নতুন একটি প্রকল্প জমা দেওয়া হয়েছে।



Loading...

সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০১৬
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
কার্যালয়: কাজী অহিদুজ্জামান ম্যানশন, তৃতীয় তলা, কান্দিরপাড়,কুমিল্লা-৩৫০০, বাংলাদেশ
ফোন: +৮৮০ ৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২৪৪৩, +৮৮০ ১৭১৮০৮৯৩০২
ই মেইল: hridoycomilla@yahoo.com, newscomillarkagoj@gmail.com,  Developed by i2soft
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আবুল কাশেম হৃদয়
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ কাজী অহিদুজ্জামান ম্যানশান।
তৃতীয় তলা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ। ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ইমেইল : hridoycomilla@yahoo.com Developed by i2soft
document.write(unescape("%3Cscript src=%27http://s10.histats.com/js15.js%27 type=%27text/javascript%27%3E%3C/script%3E")); try {Histats.start(1,3445398,4,306,118,60,"00010101"); Histats.track_hits();} catch(err){};