ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন অ্যাপস কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য লাইভ টিভি লাইভ রেডিও সকল পত্রিকা যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
যে স্মৃতি ধূসর হয়নি
Published : Saturday, 16 September, 2017 at 12:00 AM
যে স্মৃতি ধূসর হয়নিশওকত আহসান ফারুক ||
৩৫.
আমাদের প্রেরণা
বাংলার গণ সংগীত প্রবর্তণে যে কয়জনের ভূমিকা উজ্জ্বল সুখেন্দু চক্রবর্তী তদের  অন্যতম। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে, আমাদের স্বাধীকারের আন্দোলনে, গণসংগীত সর্বদা জাতিকে করেছে উজ্জীবিত।
সুখেন্দু চক্রবর্তী সুরারোপিত রাহাত খানের 'মাগো তোমার সোনার মানিক ছুটি হলেও আর ফিরবে না'
গানটি বাংলাদেশের সব অনুষ্ঠানে গাওয়া হতো। নিজের গলায় ছিলো দ্রোহ।
রক্তে রক্তে এই রাখো সংবাদ'
ভাষার দাবি আর বাঁচার দাবি কোন ভেদ নাই
সব কিছুতে সমভাগ চাই'
তাহলে বন্দুক আর বেয়োনেট উদ্ধত গুলিতে ভয় কি'
সাহিত্যিক, সাংবাদিক রাহাত খান গণসংগীত রচনায় ছিলেন পারদর্শী। সাথে সুখেন্দু চক্রবর্তীর দরাজ কন্ঠ ও অসাধারণ কম্পোজিশন আমাদের দেশের গণসংগীতের ইতিহাসের অন্যমাত্রা।
গান গুলি শুনেই যৌবনে আমরা নিজেদের করেছি উজ্জীবিত। গণসংগীতের সুর ¯্রষ্টা ১৯২৬ সালে চান্দিনার হাড়িখোলায় জমিদার পরিবারে জন্ম। সেই সময় আমাদের কোন অনুষ্ঠানে খোকা'দা নেই ভাবাই যায় না, আমরা সুখেন্দু চক্রবর্তীকে ডাক নাম খোকাদা' নামেই ডেকেছি।
সুখেন্দু চক্রবর্তী গায়কী ঢং ছিলো দেখার মতো। হারমোনিয়াম টেনে নিয়ে যখন গাইতেন। গণমানুষের হৃদয়ে রক্তের প্রবাহে তা প্রতিফলিত হতো।
গলায় হরমোমিয়াম নিয়ে মিছিলে এখনো সুখেন্দু চক্রবর্তী গাইছে।
'সব কিছুতে সম ভাগ চাই'।
#
মৌলভীবাড়ি
মুরাদপুর মৌলভীবাড়ি জানে আলম চৌধুরীর বাড়ি। পশ্চিমগাঁয়ের নওয়াব ফয়জুন্নেসার পরিবারে সাথে আত্মীয়তা, মাতুলালয়। বিশের দশকে কুমিল্লার সংগীত ভুবনে জানু মিয়ার ভূমিকা সংগীত উল্লেখ্য। শচীনদেব বর্মণ, কাজী নজরুল ইসলাম, ওস্তাদ মোহম্মদ খসরু, অজয় ভট্টাচার্য়, সকলেই নিয়মিত যেতেন জানু মিয়ার বাড়ি জানে আলম চৌধুরীর কাছে। এখনেই হয়েছে অনেক বিখ্যাত সংগীত সাধকের হাতেখড়ি।
মৌলভীবাড়ি এখন জানু মিয়ার বাড়ি নামেই খ্যাত।
#
অভয় আশ্রম
নিয়মিত গানের কাশ বসতো অভয় আশ্রমে। পরিমল দত্ত শান্তি নিকেতন থেকে ১৯২৬ সালে স্থায়ীভাবে চলে আসেন অভয় আশ্রমে। শুদ্ধ সংগীত চর্চায় বিশেষ করে রবীন্দ্রচর্চায় পরিমল দত্তের অবদান কুমিল্লাকে করেছে পরিশীলিত।
#
গানের স্কুল
ছোট থেকেই দেখে এসেছি কুমিল্লায় বেশ কয়েটি সংগীত শিক্ষার বিদ্যালয় ছিলো। বাসার নিকটে তালপুকুর পাড়ে ছিলো 'সংগীত শিক্ষার্থী সম্মিলন'।
সকাল বিকাল কাশ হতো এখান থেকে হাতেঘড়ি নিয়ে অনেকেই দেশের মুখ উজ্জ্বল করেছে।
ওস্তাদ সুরেন দাশ নামেই খ্যাত। পুরো নাম গায়নচার্য সুরেন্দ্র নারায়ন দাশ। ১৯০৮ সালে জন্ম। সংগীতে তালিম নিয়েছেন পন্ডিত হরিহর রায়, ভারতভূষণ, ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ, ড. যামিনী গাঙ্গুলী প্রমুখ গুণীজনের কাছে। শচীনদেব বর্মণ প্রতিষ্ঠিত 'আগরতলা  সংগীত মহাবিদ্যালয়ে' কিছুকাল অধ্যক্ষ ছিলেন। নিয়মিত কলিকাতা আকাশবাণীতে উচ্চাঙ্গ সংগীত পরিবেশন করতেন।
১৯৪২ সালে কুমিল্লা নিজ বাড়িতে সংগীত শিক্ষার স্কুল খুলে সংগীত সাধনা ও শিক্ষকতায় নিজকে উৎসর্গ করেন।
তাঁর নিকট শিক্ষালাভ করে অনেকেই দেশের সংগীতকে করেছেন ঋদ্ধ। মীনা বন্দোপাধ্যায়, ভাই সুধীন দাশ ও তার স্ত্রী নীলিমা দাশ, মেয়ে অলকা  দাশ, ছেলে মানস দাশ, মীরা দাশগুপ্তা, বিথী ভদ্র উল্লেখ্য।
#
সুধীন দাশ
সুরেন দাসের ছোট ভাই সুধীন দাশ ১৯৩০ সালে কুমিল্লায় জন্ম। বড় ভাই সুরেন দাশের অনুপ্রেরণায় নিজকে করেছেন ঋদ্ধ। নজরুল ইসলামের গানের শুদ্ধ স্বরলিপি প্রণয়নে তার ভূমিকা অবিস্মরণীয়। আধুনিক, রবীন্দ্র সংগীত, অতুল প্রসাদ, রজনীকান্ত সবার গানেই পারদর্শী। পাশে আছে যোগ্য সহধর্মিণী নীলিমা দাশ। তবে নজরুল গবেষণায় দিয়েছেন প্রাধান্য। কুমিল্লার এই কৃতী সন্তানের সংগীত সাধনা এ'দেশের সংগীতকে করেছে সমৃদ্ধ।
#
বাণীবিতান
১৯৪৫ সালে ঠাকুরপাড়ায় 'বাণীবিতান' নামে একটি সংগীত শিক্ষালয় প্রতিষ্ঠা করেন কুলেন্দু দাস।
কুলেন্দু দাশের প্রথম শিক্ষক বড়বোন উপ-মহাদেশের বিখ্যাত সংগীতশিল্পী শৈলদেবী'। ১৯২০ সালে কুমিল্লা মোগলটুলিতে জন্ম। কবি নজরুলের নিকট একযুগ, তালিম নেন শাস্ত্রীয় সংগীতে, তালিম নেন ওস্তাদ সমরেন্দ্র পাল, বিশ্বদের চ্যাটার্যির কাছে। কলিকাতায় সেনোলা গ্রামোফোন কোম্পানি থেকে দুইটা নজরুলগীতির রেকর্ড বের হয়।
বন্ধু শ্যাম ভট্টাচার্য ছিলেন নৃত্যে পারদর্শী, তাহার নিকট নৃত্যে শিক্ষায় দক্ষতা অর্জন করেন।
১৯৪৭ সালে দেশভাগ হলে ত্রিপুরায় উদয়পুরে চলে যান। সোনামুড়া, আগরতলা উদয়পুরে কয়েক বছরে বেশ সুনামের সাথে শিক্ষকতা করেন।
কুমিল্লার জনগণের প্রাণের দাবিকে উপেক্ষা করতে পারেননি '৪৯ সালে জন্মভূমি কুমিল্লায় ফিরে আসেন। পরবর্তীকালে 'সুরবিতান' ও কুমিল্লা সংগীত বিদ্যালয়' প্রতিষ্ঠা করেন।
নাম ছিলো কুলেন্দ্রনাথ দাশ, কাজী নজরুল ইসলাম নামটি বদলে দিলেন হয়ে গেলেন কুলেন্দু দাস।
নিজের কম্পোজ করা- কারার ঐ লৌহ কপাট, শিকারি, জিপসি, অবাক পৃথিবী, রানার, কোন এক গাঁয়ের বধুর কথা শোনাই। সবার মনকে নাড়া দিয়েছিলো।
এখনো মনে হয় শুনছি কুমিল্লা টাউন হলে কলেন্দু দাশ মেইল ব্যাগ কাধে বর্শা নিয়ে ছুটছে-
রানার ছুটেছে খবরের বোঝা নিয়ে।
#
পহেলা বৈশাখ
ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনকে তরান্বিত করেছে ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ। বিভিন্ন ধারায় বাঙ্গালী জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে। ১৯০৬ সালে কংগ্রেসি স্বরাজ নেয় বিভিন্ন রূপে অহিংশ, অসহযোগ, সশস্ত্র।
১৯২৩ সালে কুমিল্লায় প্রতিষ্ঠিত হয় 'অভয় আশ্রম'। ব্রাহ্ম সমাজের আনুকূল্যে। অনেক বিপ্লবী, আত্মত্যাগীর আতুর ঘর অভয় আশ্রম।
'২৬ সালে এখনে কবিগুরুর সাথে স্থায়ীভাবে চলে এলেন পরিমল দত্ত।
#
পূর্ব বাংলায় প্রথম
পরিমল দত্ত একজন পরিশীলিত মানুষ, অকৃতদার, কবিগুরুর সাহচার্যে নিজেকে করেছন ঋদ্ধ।
১৯২৬ সালে এখনে শান্তিনিকেতনের আদলে পরিমল দত্ত পহেলা বৈশাখের আযোজন করেন। ভোরে উদযাপিত হয় গান ও কবিতায় পহেলা বৈশাখ। পূর্ব বাংলায় সম্ভবত কুমিল্লায়ই প্রথম পহেলা বৈশাখ উদযাপিত হতো আনুষ্ঠানিক ভাবে, সেই স্বদেশী যুগ থেকে। আমিও গিয়েছি সেই অনুষ্ঠানে সূর্য উঠার আগে।
প্রায় ৯০ বছর আগেই বর্ষবরণ, অভয় আশ্রমে পহেলা বৈশাখ, আছি আমি সেই ধারাবাহিকতায়।
'আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে বিরাজ সত্য সুন্দর'
গান দিয়ে নববর্ষ বরণ, ভীষণ ভালো লাগছে কুমিল্লাই প্রথম।
#
একজন বিপ্লবী
নিয়মিত বাসায় আসেন অসীম কাকা, বাবার প্রিয় ছাত্র ও কলিগ, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের রসায়ন বিভাগের ইন্সট্রাক্টর। একটা সাইকেল চালিয়ে আসেন বাগিচাগাঁও থেকে। সাইকেলের প্রতি লোভ আমার সবসময়ই।
চালাবে নাকি বেশী দূরে যেওনা, সাবধানে, আমাকে স্নেহ করতেন।
পিতা অতীন্দ্র মোহন রায়, বিপ্লবী অতীন রায় নামেই খ্যাত।
সাদা চুল, খাদির কাপড় পড়েন, কাঁধে খদ্দরের ব্যাগ, হেঁটেই নিয়মিত চলাচল করেন।
কুমিল্লা ইউসুফ স্কুল থেকে এন্ট্রান্স পাশ করে ভিক্টোরিয়া কলেজে ভর্তি হন। স্কুলে পড়ার সময়ই জড়িয়ে পরেন সক্রিয় রাজনীতিতে। ঢাকায় পুলিন দাশ 'অনুশীলন সমিতির' প্রধান অতীন রায় হয়ে গেলেন অনুশীলন সমিতির সক্রিয় সদস্য।
কলেজে ২য় বর্ষে পড়ার সময় এই বিপ্লবী কর্মী সক্রিয় হলে গ্রেফতার হন। সেদিন চুকে যায় পড়াশুনার পাঠ। ১৯২১ সালে জেল থেকে ছাড়া পেয়ে কুমিল্লায় চলে আসেন। কাজী নজরুল ইসলাম ধূমকেতু' প্রকাশ করলে অতীন রায় নজরুলকে শুভেচ্ছা বাণী পাঠান। ধূমকেতু ছিলো বিপ্লবীদের মুখপত্র।
#
তারাশংকরের যতীন
কুমিল্লায় এসে আবার দলকে সংগঠিত করেন। বিপ্লবের পুঁজি জোগারের জন্য মেইল ব্যাগ ছিনতাই। ধনী ইংরেজ কর্মকর্তাদের বাড়ি লুট ও বিভিন্ন পন্থায় তহবিল সংগ্রহ করেছেন। বিপ্লবের জন্য দেশ ও দেশের বাইরে থেকেও অস্ত্র  সংগ্রহ করেছেন। ট্রেনিং দিয়েছেন নিজেই গড়ে তুলেছেন গোপন সংগঠন। 'অনুশীলন সমিতি'  যুগান্তর' সবার সাথে যোগাযোগ রেখেই উগ্রপন্থী কর্ম পরিচালনা করেন।
সশস্ত্র বিপ্লরের জন্য অতীন রায়ের বিভিন্ন সময়ে প্রায় ২৫ বছর কারাবাসে কাটাতে হয়।
বীরভূমে লবপুরের মুক্ত কারাগারে থাকাকালীন সময়ে লবপুরে ঔপন্যাসিক তারাশংকর বন্দোপাধ্যায়ের সান্নিধ্য লাভ করেন এবং বন্ধুত্ব হয়। তারাশংকরের বিখ্যাত উপন্যাস 'গঙ্গা-দেবতার' নায়ক যতীন আমাদের কুমিল্লার বিপ্লবী অতীন।
#
কুমিল্লাকে ভালোবেসে
রাজস্থানে দেউরী জেলে থাকাকালীন সময়ে তিনি ও তার অনুসারীরা মার্ক্সসীয়, সমাজতাত্ত্বিক তত্ত্ব অনুধাবন  করেন এবং 'বিপ্লবী সমাজতাত্ত্বিক পার্টি' নামে দল গঠন করেন।
কারবাসেও দাবি আদায়ের জন্য সবার সাথে ৩৫ দিন অনশন করেন।
১৯৪২ সালে বন্দী জীবনের অবসান। কুমিল্লায় ফিরে এসে জনহিতকর কর্মে নিজকে সম্পূর্ণ নিয়োজিত করেন। ১৯৪৬ থেকে ১৯৫৬ সাল অবধী কুমিল্লা পৌরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন। '৪৭ সালে দেশভাগ হলেও তিনি জন্মভূমি ত্যাগ করেননি। অভয় আশ্রম, টউন হল, গণপাঠাগার, ভাষা সংগ্রামে ছিলো সক্রিয় ভূমিকা। আগরতলার মহারাজা অর্থিক সহযোগিতায় 'ঐড়ঁংব ড়ভ ষধনড়ঁৎং' শ্রমিক গৃহ প্রতিষ্ঠা করেন। সেখানে উৎপাদনমূখী কাজে কমরেডদের কর্মসংস্থান করেন এবং সেখান থেকেই বিপ্লবী সমাজতাত্ত্বিক পার্টির' কর্মকার্য পরিচালনা করেন।
#
আলো
'কুমিল্লা ইলেক্টিক সাপ্লাই লিঃ' ছিলো সেই 'ঐড়ঁংব ড়ভ ষধনড়ঁৎং' এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান। অতীন রায় ছিলেন প্রথম  ম্যানেজিং ডাইরেক্টর। শহরে জেনেরেটরটা দিয়ে তিনিই আলো বিতরণ করেন। ১৮৯৪ সালে ত্রিপুরা জেলার নবীনগরের ভোলাচং রায় জমিদার পরিবারে ক্ষণজন্মা বীর অতীন রায়ের জন্ম।
#
পরিশীলিত নাগরিক চাই
১৯৩০ সালে কান্দিরপাড়ে 'বিদ্যায়তন' নামে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা  করেন। পরবর্তীকালে সেই স্কুল নতুন জায়গায় কুুমিল্লার সিনিয়র আওয়ামী লীগ নেতা টিপ্লেন্টার ও শিল্পপতি কাজী জহিরুল কাইয়ুম সাহেবের সার্বিক সহযোগিতায় তাঁর মেয়ের স্মৃতির নামে বর্তমান জায়গায় নজরুল এভিনিউতে সেই বিদ্যায়তন' হয়ে গেলো 'ফরিদা বিদ্যায়তন'।
বন্ধু বিপ্লবী নেতা অমূল্য মুখার্জির স্মরণে কুমিল্লা কান্দিরপাড়ে করেন অমূল্য স্মৃতি পাঠাগার। কুমিল্লা পূর্বাশা ও মধুমিতা কচিকাঁচা মেলার প্রধান পৃষ্ঠপোষক দাদুভাই। সাথে ছিলেন ফরিদা বিদ্যায়তনের প্রধান শিক্ষক সেলিনা বানু, সাংবাদিক গোলাম মোস্তফা, সবার প্রিয় মোস্তফা ভাই।
একজন সক্রিয় বিপ্লবীর সাথে পথ চলেছি, মিছিলে হেঁটেছি, আমাদের অনেক প্রাপ্তি।




সর্বশেষ সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০১৬
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
কার্যালয়: কাজী অহিদুজ্জামান ম্যানশন, তৃতীয় তলা, কান্দিরপাড়,কুমিল্লা-৩৫০০, বাংলাদেশ
ফোন: +৮৮০ ৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২৪৪৩, +৮৮০ ১৭১৮০৮৯৩০২
ই মেইল: [email protected], [email protected],  Developed by i2soft
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আবুল কাশেম হৃদয়
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ কাজী অহিদুজ্জামান ম্যানশান।
তৃতীয় তলা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ। ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ইমেইল : [email protected] Developed by i2soft
document.write(unescape("%3Cscript src=%27http://s10.histats.com/js15.js%27 type=%27text/javascript%27%3E%3C/script%3E")); try {Histats.start(1,3445398,4,306,118,60,"00010101"); Histats.track_hits();} catch(err){};