ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন অ্যাপস কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য লাইভ টিভি লাইভ রেডিও সকল পত্রিকা যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
Count
141
মালয়েশিয়ায় ‘সেকেন্ড হোম’
Published : Sunday, 16 July, 2017 at 12:00 AM
মালয়েশিয়ায় ‘সেকেন্ড হোম’বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়ে যাচ্ছে। মুদ্রাপাচার সংক্রান্ত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার বিভিন্ন সময়ের প্রতিবেদনে এমন অনেক তথ্য উঠে এসেছে। সম্প্রতি সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থ জমা রাখার বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। এরই মধ্যে শনিবারের পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত আরেকটি খবর অনেককেই অবাক করেছে। মালয়েশিয়ার সেকেন্ড হোম প্রকল্পের আওতায় সাড়ে তিন হাজারের বেশি বাংলাদেশি সেখানে বাড়ি করেছে। ১২৬টি দেশের মধ্যে এ প্রকল্পে বিনিয়োগকারীদের সংখ্যার বিচারে বাংলাদেশ রয়েছে তৃতীয় স্থানে। যাঁরা সেখানে বাড়ি করছেন তাঁদের মধ্যে রাজনীতিক, ব্যবসায়ী ও পেশাজীবীরা বেশি সংখ্যায় রয়েছেন। শুধু মালয়েশিয়া বা সুইস ব্যাংকেই নয়, উন্নত আরো অনেক দেশেই বাংলাদেশিরা তাঁদের সম্পদ পাচার করছেন। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, উপযুক্ত নিয়ন্ত্রণ না থাকায় পাচারের এ ধারা ক্রমেই বেগবান হচ্ছে। অসৎ রাজনীতিবিদ, লুটেরা, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী, বিশেষ করে সরকারি চাকরিজীবীরা তাঁদের অবৈধ আয় দেশে বিনিয়োগ করতে ভয় পান। ভবিষ্যতে ধরা পড়ে যাওয়ার ভয়ে তাঁরা সেই অর্থ বিদেশে পাচার করে থাকেন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অর্থপাচারের এই কাজটিও হয় অবৈধ পথে। হুন্ডি, ব্যক্তিগত বিনিময়, আন্ডার ও ওভার ইনভয়েসিংসহ আরো অনেক উপায় রয়েছে অর্থপাচার করার। বিষয়টি দেখার জন্য বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি সংস্থা রয়েছে। কিন্তু তারা মুদ্রাপাচার রোধে এখনো উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখাতে পারছে না। তাই মুদ্রাপাচার ক্রমেই বাড়ছে। প্রকাশিত খবর থেকে জানা যায়, মালয়েশিয়ায় এই সুবিধা নেওয়ার জন্য এক লাখ ডলার জমা দেওয়ার পাশাপাশি বেশ কিছু শর্ত পূরণ করতে হয়। এক লাখ ডলার বা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৮০ লাখ টাকার বেশি জমা দিয়ে যে সাড়ে তিন হাজার ব্যক্তি মালয়েশিয়ায় এই সুবিধা নিয়েছেন, তাঁরা কি সবাই বৈধভাবে তা করেছেন। ধারণা করা যায়, বেশির ভাগই তা করেনি। আমাদের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো এই অর্থপাচার ঠেকাতে পারেনি। মালয়েশিয়ার সরকার তাদের তথ্য গোপন রাখে। কাজেই সরকারিভাবে বিনিয়োগকারীদের তালিকা পাওয়া কষ্টকর হবে। এর পরও দেশের স্বার্থে তাদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা এবং সম্ভাব্য ক্ষেত্রে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। জানা যায়, অনেক দেশের মতোই মালয়েশিয়া থেকে আসা রেমিট্যান্সের প্রবাহও কমে গেছে। প্রবাসীরা পরিবারের কাছে অর্থ পাঠাতে বেশি করে হুন্ডির আশ্রয় নিচ্ছে। কাজেই এ প্রক্রিয়া অনেক দিক দিয়েই দেশের অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। আমরা চাই, হুন্ডি, মুদ্রাপাচারসহ অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর হয়এমন সব কর্মকান্ড কঠোরভাবে দমন করা হোক।




© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০১৬
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
কার্যালয়: কাজী অহিদুজ্জামান ম্যানশন, তৃতীয় তলা, কান্দিরপাড়,কুমিল্লা-৩৫০০, বাংলাদেশ
ফোন: +৮৮০ ৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২৪৪৩, +৮৮০ ১৭১৮০৮৯৩০২
ই মেইল: hridoycomilla@yahoo.com, newscomillarkagoj@gmail.com,  Developed by i2soft
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আবুল কাশেম হৃদয়
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ কাজী অহিদুজ্জামান ম্যানশান।
তৃতীয় তলা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ। ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ইমেইল : hridoycomilla@yahoo.com Developed by i2soft
document.write(unescape("%3Cscript src=%27http://s10.histats.com/js15.js%27 type=%27text/javascript%27%3E%3C/script%3E")); try {Histats.start(1,3445398,4,306,118,60,"00010101"); Histats.track_hits();} catch(err){};