ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন অ্যাপস কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য লাইভ টিভি লাইভ রেডিও সকল পত্রিকা যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
Count
77
জনসংখ্যার ভারসাম্যহীনতা
Published : Thursday, 13 July, 2017 at 12:00 AM
জনসংখ্যার ভারসাম্যহীনতাকোনো দেশের জনসংখ্যা অত্যধিক বেড়ে যাওয়াটা যেমন বিপজ্জনক, কমে যাওয়াটাও বিপজ্জনক। উন্নত অনেক দেশে জনসংখ্যার বৃদ্ধি ঋণাত্মক হয়ে পড়েছে, কর্মক্ষম জনসংখ্যা কমে যাচ্ছে। বাড়ছে বৃদ্ধ বা অতি বৃদ্ধ মানুষের সংখ্যা। চীনে একসময় ‘এক সন্তÍান’ নীতি বাধ্যতামূলক ছিল। এখন তারা তা বাদ দিয়েছে। অনেক দেশে বেশি সন্তÍান নেয়াকে উৎসাহিত করতে সন্তÍান প্রতি বিশেষ ভাতার ব্যবস্থা রয়েছে। বাংলাদেশ একটি ছোট্ট ভূখন্ড। কিন্তু জনসংখ্যা বিশাল। তাই দুই সন্তানের বেশি নয় এ নীতি নিয়ে জনসংখ্যা কমাতে নানামুখী উদ্যোগ চলে আসছিল। তার ফলও হয়েছে। ১৯৭৫ সালে দেশে গড় প্রজনন হার ছিল ৬.৩। ২০১১ সালে তা নেমে আসে ২.৩-এ। জনসংখ্যা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বাংলাদেশের জন্য এটাই হচ্ছে প্রত্যাশিত হার। এ হার দুইয়ের নিচে চলে গেলে সামগ্রিক অর্থনীতিতে তার প্রভাব পড়বে। কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা কমতে থাকবে। তাঁরা মনে করেন, এখনই আমাদের আগের জনসংখ্যা নীতি পুনর্মূল্যায়ন করে আধুনিক জনসংখ্যা ব্যবস্থাপনায় মনোযোগী হতে হবে।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নয়নের পাশাপাশি চিকিৎসাবিজ্ঞানও দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। আগে যেসব রোগব্যাধিতে মানুষ ব্যাপক হারে মারা যেত, এখন সেসব রোগের চিকিৎসা ও নিরাময় সহজ হয়েছে। ফলে মানুষের গড় আয়ু বাড়ছে। আগের তুলনায় এখন ষাটোর্ধ্ব মানুষ অনেক বেশি। অন্যদিকে আগে পাঁচ, দশ বা ততোধিক সন্তান নেয়ার যে প্রবণতা দেখা যেত, তা আর নেই বললেই চলে। দুই সন্তÍানের পরিকল্পিত পরিবারের দিকেই মানুষের ঝোঁক বেশি। নানা কারণে নিঃসন্তান পরিবার কিংবা দাম্পত্য জীবনের বাইরে থাকা মানুষের সংখ্যাও বাড়ছে। অভিবাসনের কারণেও অনেক দেশে তরুণ বা কর্মক্ষম জনসংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে। বাংলাদেশেও এমনি সব ধারা সক্রিয়। তাই কর্মক্ষম জনসংখ্যা ঋণাত্মক ধারায় যাওয়ার আগেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।
বাংলাদেশে একসময় জনসংখ্যা বৃদ্ধিকে একটি প্রধান সমস্যা হিসেবে দেখা হতো। দেশ এখন অর্থনৈতিকভাবে এগিয়েছে। দেশ যত এগোবে কর্মক্ষম জনসংখ্যার প্রয়োজন তত বাড়বে। অনেকেই মনে করেন, বাংলাদেশে জনসংখ্যা সমস্যা মনে হওয়ার একটি বড় কারণ জনসংখ্যার সঠিক ব্যবস্থাপনা না থাকা। এখনো বাংলাদেশে লাখ লাখ বিদেশি কাজ করে। কারণ অনেক কারিগরি ক্ষেত্রে আমরা তরুণদের এগিয়ে নিতে পারিনি। তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে আমাদের আরো মনোযোগী হতে হবে। আমাদের বাসস্থান এখনো প্রাচীন ধারায় রয়েছে বলে ভূমির অপচয় হচ্ছে, কৃষিজমি কমছে। বাসস্থান সমতলে না বেড়ে ওপরের দিকে বাড়লে বা বহুতল হলে ভূমির অপচয় কমবে। আমাদের পরিকল্পনায় সেসবও থাকতে হবে। আজকাল বয়স্কদের বোঝা হিসেবে দেখার প্রবণতাও বাড়ছে। এখনই প্রয়োজনীয় উদ্যোগ না নিলে অদূর ভবিষ্যতে তা একটি বড় সমস্যা হয়ে দেখা দেবে। বয়স্কদের সুরক্ষা এবং তাঁরা যাতে সমাজে সাধ্যমতো অবদান রাখতে পারেন, সেসব নিয়েও ভাবতে হবে। আমরা চাই, রাষ্ট্র তার জনসংখ্যার সর্বোত্তম ব্যবহারে এখনই সতর্ক হোক।





© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০১৬
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
কার্যালয়: কাজী অহিদুজ্জামান ম্যানশন, তৃতীয় তলা, কান্দিরপাড়,কুমিল্লা-৩৫০০, বাংলাদেশ
ফোন: +৮৮০ ৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২৪৪৩, +৮৮০ ১৭১৮০৮৯৩০২
ই মেইল: hridoycomilla@yahoo.com, newscomillarkagoj@gmail.com,  Developed by i2soft
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আবুল কাশেম হৃদয়
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ কাজী অহিদুজ্জামান ম্যানশান।
তৃতীয় তলা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ। ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ইমেইল : hridoycomilla@yahoo.com Developed by i2soft
document.write(unescape("%3Cscript src=%27http://s10.histats.com/js15.js%27 type=%27text/javascript%27%3E%3C/script%3E")); try {Histats.start(1,3445398,4,306,118,60,"00010101"); Histats.track_hits();} catch(err){};