ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন অ্যাপস কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য লাইভ টিভি লাইভ রেডিও সকল পত্রিকা যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
Count
135
প্রাক বাজেট ভাবনা
Published : Tuesday, 16 May, 2017 at 12:00 AM
প্রাক বাজেট ভাবনাশান্তিরঞ্জন ভৌমিক ||
আসছে অর্থ বৎসরের জন্য বিশাল বাজেট প্রস্তুত হচ্ছে। আর এই বাজেটের টাকা আহরণের জন্য এনবিআর উঠে পড়ে লেগেছে। শোনা যায়- এখন আর বাজেট প্রণয়নে বিদেশের সাহায্য আগের মতো পাওয়া সম্ভব নয়। নিজ দেশ থেকেই বাজেটের অর্থ সংগ্রহ বা আহরণের ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়া মধ্য আয়ের দেশ এগিয়ে চলেছে, সে ক্ষেত্রে তো যেনতেন একটি বাজেট প্রণয়ন করা যায় না।
নানা দিক বিবেচনা করলে মান-সম্মানের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে হয়। তাই আসছে বাজেটের আকৃতি হবে বিশালাকার, আকাশ ছুঁই ছুঁই, সূর্য না হোক অন্তত ‘আয় মামা চাঁদকে’ তা স্পর্শ করতে হবেই।
কাজেই প্রাক বাজেট আলোচনার জন্য বাংলাদেশের বিভিন্ন অর্থ-আহরণ কেন্দ্রগুলো সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকদের সঙ্গে কৌশলগত যোগাযোগ শুরু করেছেন। এই মর্মে কুমিল্লা কর ভবনের প্রধান ব্যক্তি কর-কমিশনার মহোদয় বিগত ২৪ এপ্রিল ২০১৭ মতবিনিময় সভার আয়োজন করেছিলেন।
আলোচনার বিষয় ছিল- ‘জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নির্দেশনা মোতাবেক প্রত্যক্ষ কর আইন আধুনিকীকরণ ও যুগোপযোগী করার প্রচেষ্টা।’ সে মতামত সভায় আমাকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। প্রথমে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ছিল মনে। কারণ কর অফিসে আমাকে আহ্বান জানানো যেকোনো বিবেচনায় ব্যতিক্রম বলে মনে হয়েছিল। সেদিন ছিল প্রাকৃতিক দুর্যোগ, মুষলধারা বৃষ্টি, ঘর থেকে বের হওয়াই অসম্ভব পরিস্থিতি। তা উপেক্ষা করে যথাসময়ে উপস্থিত হয়েছিলাম। বলতে দ্বিধা নেই। আমি ছাড়া সাংবাদিক খায়রুল আলম মাণিক ব্যতীত তখনও কেউ আসেননি। শুনেছি ৭০/৮০ জনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল, ২৫/৩০ জন, তন্মধ্যে করভবনের কর্মকর্তা প্রায় অর্ধেক উপস্থিত ছিলাম এবং ১০টার সভা ১১টায় শুরু হয়।
করভবনের ব্যবস্থাপনায় আন্তরিকতার বিন্দুমাত্র অবহেলা ছিল না এবং কর কমিশনার মহোদয়ের প্রাণবন্ত প্রারম্ভিক আলোচনা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সভাটি এক ধরনের চমৎকার পরিবেশ ও উচ্ছ্বলতা লাভ করেছিল এবং আমার বিবেচনায় তা অনেকটাই ফলপ্রসূ ও সার্থক হয়েছে  বলে দাবি করা যায়। বক্তারা স্বাধীনভাবে দ্বিধাহীন মতামত ব্যক্ত করেছেন এবং আগামী বাজেটের রূপরেখা প্রণয়নে সহায়ক অর্থ সংস্থান বিষয়ে কার্যকর মতামত প্রকাশ করেছেন।
কর ধার্য হয় লভ্যাংশের উপর। নানা পর্যায় যারা আয় করেন, বার্ষিক কত আয় করেছেন, তার উপর নির্ধারিত হার অনুযায়ী আয়কর দিতে হয়। আছে মূসক। যদিও আয়করদাতা চিহ্নিত হন এবং ক্ষেত্র বিশেষে অনুপ্রেরণামূলক শীর্ষ করদাতাদের সম্মানিত বা পুরস্কৃতও করা হয়।
কিন্তু আসলে এই আয়করটা কে দেন? সূক্ষ¥ভাবে বিশ্লেষণ করলে অনুমান করা যায়- সাধারণ জনগণই এই আয়কর ও মূসকের অর্থযোগান দিয়ে থাকেন। আদায় প্রক্রিয়ার এক ধরণের শুভংকরী ফাঁকি প্রচলন থাকায় আমাদের মতো নির্বোধ জনগণ তা কখনও তলিয়ে খোঁজ নেই না, এ নিয়ে ভাবিও না। প্রতিবাদ করিনা, জানিনা বলে, জানতে চাই না বলে নিরবে মেনে নিয়ে অনন্তকাল ভুক্তভোগী হয়েই রইলাম।
নিমসার বাজারে যে ফুলকপি/ বাঁধাকপি পাঁচ টাকায় বিক্রি হয়, তা রাজগঞ্জ বাজারে ২৫/৩০ টাকা ক্রেতা বা ভোক্তা কিনতে বাধ্য হয়। মাঝখানের যারা বিশ টাকা উৎপাদন বা ভোগ না করে আয় করলেন, তারা কারা? তারা যদি আয়করদাতা হন, তবে এ টাকা তারা কোথায় পান, কীভাবে আয় করেন তার কোনো মূল্যায়ন নেই। শুভংকরী একটি হিসাব নি¤œরূপ। তিনজন একটি ঘর ভাড়া নেয় ৩০ টাকায়। কাজেই তাদের মাথাপিছ্ ুভাড়া ধার্য হলো ১০/- টাকা হারে। কয়েকমাস পর তারা দেখল- এ টাকায় আরো ভালো ঘর ভাড়া নিতে পারে। সুতরাং মাস শেষে চাকর ছেলের হাতে ৩০/- টাকা দিয়ে বলল- মালিককে যেন বলে ভাড়া কম রাখতে, না হয় আগামী মাসে অন্যত্র চলে যাবে। মালিক এ কথা শুনে ৫/- টাকা ফেরৎ দেয়। চাকর ছেলেটি এ পাঁচ টাকা থেকে ২/- টাকা নিজের কাছে রেখে দেয় এবং ৩/- টাকা ফেরৎ দেয়। এখন দেখা যায়- প্রতিজনের  মাসিক ভাড়া হলো ৯/- টাকা। ৩ জনের ৯/- টাকা করে ২৭/- টাকা ভাড়া, চাকর ছেলে নিজের কাছে রাখল ২/- টাকা। সুতরাং ২৭+২= ২৯/- টাকা। প্রশ্ন হলো ১/- টাকা কোথায় গেল? এসব হিসাব অন্তত আমি বুঝি না।  
আয়কর দাতারা কর দিতে চায়। কিন্তু মধ্যস্বত্বরা অনেক ক্ষেত্রেই নিরুৎসাহিত করে থাকে। একজনের ২০,০০০/- টাকা কর ধার্য হলো, মধ্যস্বত্বরা যে কোনো ভাবে তা ১০,০০০/- টাকা সরকারের ঘরে দেয়ার ফাঁকফোকর বের করে, বিনিময়ে ৫,০০০/- টাকা নিয়ে বিষয়টি সমাধান করে, করদাতা ৫,০০০/- টাকা কম দিতে পারায় স্বস্তি লাভ করে। এক্ষেত্রে হিসাবের খাতা না থাকলেও চলে। এটা আমার ধারণাপত্র নয়, বাস্তব। নাম বলতে চাই না,বলব না। কিন্তু বিষয়টি অতীব বাস্তব। এক্ষেত্রে সরকারের পক্ষে নতুন আয়কর আইন প্রণয়ন জরুরি হয়ে পড়েছে এবং উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সাধুবাদ জানানো দরকার, কিন্তু জানাব না। কারণ উন্নত বা উন্নতকামী দেশের আয়কর আইন কীরূপ তা থেকে ধারণা নিলেই চলে। আমি যতটুকু জানি- সরকার প্রতি নাগরিকের সম্পদ কী আছে, বার্ষিক কত আয় করেন এবং তাতে আয়কর কত টাকা- তা প্রাথমিক উপায়ে সংগ্রহের ব্যবস্থা রয়েছে। করদানহীন টাকা কালোটাকা, তা খরচ করার সুযোগ নেই।
ব্যাংকে টাকা জমা দিতে গেলে তা সাদা কীনা তা করপ্রদানের নিশ্চয়তাই প্রমাণিত হয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে বাড়ি বাড়ি, জনে জনে খোঁজখবর নেওয়ার প্রয়োজন আছে কী। প্রতিটি আয়যোগ্য ব্যক্তির আয়কর দলিল থাকলে সবই তো স্বচ্ছ হয়ে যায়। আমরা তো এখন তৃতীয় বিশ্বের দরিদ্র দেশ নই। কাজেই স্বাভাবিকভাবে আয়কর প্রদানের বা আদায়ের এমনই ব্যাপকতা লাভ করবে। সরকার কাঙ্খিত কর আদায় করতে পারে, ইচ্ছামত বাজেট প্রণয়ন করতে পারবে। কিন্তু কথা থেকে যায়, একটি বাস্তব ঘটনার কথা বলে প্রাসঙ্গিক বিষয়টি অবতারণা করব।
আমার ছেলেকে ১,০০০/- টাকা দিয়ে বাজার করতে পাঠালে সে লিস্ট লিখতে থাকে অর্থাৎ কী কী আনতে হবে। প্রথমই লিখে- (১) আমার ৫০/- টাকা, (২) রিক্সা ভাড়া ৫০/- টাকা, (৩) মাছ-তরকারি ইত্যাদি, দেখা গেলো- বাজারে গিয়ে ৬০০/৭০০ টাকায় মাছ কিনে বাকী টাকায় আর অন্য জিনিস আনার টাকা থাকে না। এখন প্রশ্ন- বাজারের টাকার থেকে নিজের ও রিক্সার খরচ প্রথমেই রেখে দিলে বাজারটা কেমন হবে তা ধারণা করা যায়।
পত্রিকায় একবার দেখলাম- আমাদের মহামান্য রাষ্ট্রপতি একটি ডিমের ওমলেট খেতে চাইলে নানাজনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা বা টেস্টের পর শেষ পর্যন্ত তাঁর ভগ্যে প্রায় অর্ধেকটি এসে পৌঁছে।
মূলকথায় আসি- সরকার কর আদায় করে উন্নয়ন বাজেট করলেন- এক্ষেত্রে কোনো কাজের জন্য নির্ধারিত ব্যয় খরচের উপর প্রথমই টেন্ডার খরচ, আয়কর, মূসক এবং .......টাকা যদি আগেই কর্তন করে রেখে দেন, তবে মূল কাজটা যথাযথ টেকসই হবে কী, ২০,০০০/- টাকা কাজের প্রারম্ভে যদি ২,০০০/৩,০০০ টাকা কর্তন হয়, ঠিকাদার যদি ১০% লাভ করেন, তবে ধার্যকৃত টাকার মূল কাজটি কী যথাযথ হবে? এজন্য দায়ী কে? পরিকল্পনা, না ব্যবস্থাপনা? সুতরাং আয়কর আদায়ের যেমন কৌশল নির্ধারণের জন্য সহজীকরণের আইন প্রণয়ন করতে হবে, তেমনটি সরকার এটাও নিশ্চিত করতে হবে- জনগণের টাকাটা ঠিকমত বা যথাযথ ব্যবহার হচ্ছে কী না। জনগণ আর শুভংকরী হিসেবের মায়াজালে আবদ্ধ থাকতে চায় না। আমি মনে করি- সরকার স্বচ্ছভাবে পরিকল্পনা করলে দিনমজুর রিক্সাওয়ালাদের কাছে থেকেও বার্ষিক কোটি কোটি টাকা কর আদায় করতে পারে, যেমন- ধরা যাক, কুমিল্লা শহরে লাইসেন্সধারী ৫০০ রিক্সাওয়ালা আছে, তারা যদি দৈনিক ২/- টাকা করে আয়কর দেয়, তবে দৈনিক ১,০০০/- টাকা, মাসে ৩০,০০০/- টাকা, বছরে ৩,৬০,০০০/- টাকা, এভাবে শহরগুলোতে এ ব্যবস্থা নিলে জেলা-উপজেলা ইত্যাদি মিলে ২০০টি শহর থেকে গড়ে ২,০০,০০০/- টাকা আদায় করলে মাসিক মোট ৪কোটি টাকা এবং বার্ষিক ৪^১২=৪৮ কোটি টাকা রিক্সাওয়ালা থেকেই কর আদায় করা যাবে, এতে তাদের পক্ষে আপত্তি বা অনীহা থাকার কথা নয়। এক্ষেত্রে তাদের ভবিষ্যৎ কল্যাণের জন্য দৈনিক মাথাপিছু ১০/- টাকা করে জমা নিলে কেবলমাত্র কুমিল্লায় ৫০০ জনের দৈনিক আদায় ৫,০০০/- মাসে ১,৫০,০০০/- টাকা এবং বছরে ১৮,০০,০০০/- টাকা। এ টাকা রিক্সাওয়ালাদের যে কোনো কল্যাণে মূল টাকা জমা রেখে লভ্যাংশ দিয়ে তাদের আপদকালীন সহায়তা করা যেতে পারে। প্রশ্ন হলো- এ উদ্যোগটা কে নিবে? বিভিন্ন কারণে ব্যক্তি-উদ্যোগ বা সমিতি বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়ে ফেলেছে। এক্ষেত্রে সরকার উদ্যোগ নিতে পারে মানবিক ও কল্যাণ  বিবেচনায়। তা কী সম্ভব? আমি বলব- সম্ভব। চাই সদিচ্ছা এং আন্তরিক ও সৎ উদ্যোগ। ব্যক্তিপর্যায় আর্থিক উন্নতি জাতীয় উন্নয়ন, সামগ্রিকভাবে অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করে সামর্থ্যরে ক্ষেত্রটি ব্যক্তি পর্যায়ের কাছাকাছি নিয়ে আসলেই সামাজিকভাবে সমতা আসবে, জাতি এগিয়ে যাবে, প্রতিজন নাগরিক সম্মানের স্থানে অবস্থান করবেন।
আয়কর প্রতিষ্ঠান কেবল কৌশলগত পদ্ধতি বা আইন প্রণয়ন করে রাজস্ব বৃদ্ধি করার কথা ভাবলেই হবে না। সামাজিক প্রতিষ্ঠানের মতো জনগণের সর্ম্পকটি কাছাকাছি নিয়ে আসারও উদ্যোগ গ্রহণ করতে এগিয়ে আসতে হবে। সরকারের তহবিলে কাক্সিক্ষত বা তারও বেশি টাকা আদায় করে, গৌরববোধ বা ধন্যবাদপ্রাপ্তির সঙ্গে সঙ্গে একজন দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে উদ্যোগ গ্রহণ করে এক যুগান্তকারী ভূমিকা নিবেন, তা প্রত্যাশা করতে পারি।
সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয় নানা কৌশলে কর আদায়ের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করেন এবং দেশের উন্নয়ন খাতে তা ব্যয় করা হয়। কিন্তু দেয় অর্থের খরচ কীভাবে হয় তার কোনো মূল্যায়ন নেই। অর্থদাতা অর্থ-খরচের তদারকি না করলে শুধু হিসাবই মিলানো যাবে, অনেকটা আমার বাবার মতো। আমার বাবার পকেট থেকে চার আনা গায়েব হয়ে যায়।তিনি খুবই হিসেবি ছিলেন। অনেক খুঁজে না পেয়ে দৃঢ় ধারণা হয়, আমার ছোট ভাই চুরি করেছে। তাই অনেকটা নিশ্চিত হয়ে হিসেবের খাতায় লিখে ছোট ভাইয়ের নাম(চুরি) চার আনা। আমি বললাম- বাবা কী হলো। তিনি নির্বিকার উত্তর দিলেন- তার কপাল সে খাবে, আমার হিসাব মিলে গেছে। সরকারের অর্থ বিভাগ কী তা-ই মনে করে, বাবা যেমন কষ্টার্জিত টাকা, সরকারের টাকা তো জনগণের কষ্টার্জিত।
প্রশ্ন উঠতে পারে- কাজটি কী সহজ? কঠিন বা ঝামেলা মনে করলে বেঁচে থাকাই সমস্যা। কঠিনকে সহজ ভাবলে এবং সহজ পথ নির্মাণে আত্মত্যাগ মনোভাব যাপন করে এগিয়ে গেলে বন্ধুর অভাব হয় না, হবে না। এভাবেই ব্রাকের জনাব আবেদ খান হওয়া যায়। তবে পরনির্ভরশীলতায় নয়- নিজেকে দিয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি- কোনো তুলনা চলে না।
কী বলতে চাইছিলাম, আর কী লিখলাম তার হয়ত মিল খুঁজে পাওয়া যাবে না। তারপরও তো কিছু বলতে চেয়েছি, এটাই সান্ত¦না। প্রতিটি ব্যক্তি যদি নিজের অবস্থান থেকে ভাবেন, কিছু একটা করেন এবং তা যদি হয় কল্যাণকর ও আন্তরিক এবং বিষয়টি পরিচালিত হয় সততা-শক্তি দ্বারা, তাহলে আশাভঙ্গের কারণ তো এই মুহুর্তে দেখছি না। কুমিল্লা কর কমিশনার অফিসের মাধ্যমে সম্মানিত কর্মকর্তাগণ এই বিষয়টি নিয়ে ভাবতে পারেন, যদি চাকরির শর্তের চেয়েও মানবিক মূল্যবোধ বিবেককে নাড়া দেয়। অপেক্ষায় থাকব।






© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০১৬
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
কার্যালয়: কাজী অহিদুজ্জামান ম্যানশন, তৃতীয় তলা, কান্দিরপাড়,কুমিল্লা-৩৫০০, বাংলাদেশ
ফোন: +৮৮০ ৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২৪৪৩, +৮৮০ ১৭১৮০৮৯৩০২
ই মেইল: hridoycomilla@yahoo.com, newscomillarkagoj@gmail.com,  Developed by i2soft
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আবুল কাশেম হৃদয়
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ কাজী অহিদুজ্জামান ম্যানশান।
তৃতীয় তলা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ। ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ইমেইল : hridoycomilla@yahoo.com Developed by i2soft
document.write(unescape("%3Cscript src=%27http://s10.histats.com/js15.js%27 type=%27text/javascript%27%3E%3C/script%3E")); try {Histats.start(1,3445398,4,306,118,60,"00010101"); Histats.track_hits();} catch(err){};