ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন অ্যাপস কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য লাইভ টিভি লাইভ রেডিও সকল পত্রিকা যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
Count
93
স্কুলে অনুমোদনহীন বই
Published : Monday, 17 April, 2017 at 12:00 AM
স্কুলে অনুমোদনহীন বইসরকারের ঠিক করে দেয়া সিলেবাস ও পাঠ্যক্রম থাকার পরও বিভিন্ন স্কুল-কলেজে অনুমোদনহীন বই পড়ানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। বলার অপো রাখে না, অনুমোদনহীন বই পাঠ্য তালিকায় ঢোকানোর পেছনে ‘জোরপূর্বক’ বিক্রি ও কমিশন বাণিজ্যের শুভঙ্করের ফাঁকিটাই মূল উদ্দেশ্য।
কেবল রাজধানী ঢাকাতেই নয়, সারাদেশে বিভিন্ন উপজেলায় শিক্ষক সমিতি, স্কুল পরিচালনা বোর্ড ও লেখক-প্রকাশকদের যোগসাজশে একাধিক পাঠ্যবহির্ভূত বই পড়ানো হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত পয়সা ব্যয় করে অপ্রয়োজনীয় বই কিনতে হচ্ছে। সবচেয়ে বড় কথা কোমলমতি শিার্থীদের কাঁধে বইয়ের বোঝা চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে। বলাবাহুল্য, বইয়ের ভারে স্কুলে যাওয়াই নিরানন্দ হয়ে পড়ছে শিশুদের কাছে। শিউরে ওঠার মতো তথ্য, ইংলিশ ভার্সনে কাস ওয়ানে সরকার তিনটি বই পড়াতে বললেও কোন কোন বিদ্যালয়ে ১২টি বই পড়ানো হচ্ছে।
জানা গেছে, বিভিন্ন প্রকাশনীর বই তালিকাভুক্তির বিনিময়ে শিক্ষক প্রতি এক হাজার ও স্কুল প্রতি ২০ হাজার টাকা উৎকোচ হিসেবে দেয়া হয়। অপ্রয়োজনীয় বই অতিরিক্ত দামে বিক্রি করে ছাত্রদের কাছ থেকেই যে এসব টাকা আদায় করা হয় তা সহজেই অনুমেয়। এছাড়া অনেক স্কুল মালিক বিক্রির জন্য নিজেদের লেখা বই তালিকাভুক্ত করে থাকেন। আমরা মনে করি, শিাকে অধিকারের বিপরীতে পণ্য বানিয়ে ফেলা শিক্ষক, স্কুল কমিটি এবং সংশ্লিষ্ট সবার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক সাজার ব্যবস্থা না নেয়ার বিকল্প নেই। নোট-গাইডবই ও শিশুদের ব্যাগ ভারি করা সম্পর্কে সরকারের নীতিমালা ও উচ্চ আদালতের নির্দেশনা মোতাবেক সবকিছু চলছে কিনা তা খতিয়ে দেখার ব্যবস্থা করতে হবে এনসিটিবি ও শিা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সবাইকে। কেবল বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে দায়সারা দায়িত্ব পালন করে এ সমস্যার সমাধান আশা করা যায় না।
পাঠ্যক্রমের বাইরের যেসব বই তালিকাভুক্ত করা হয় তার বেশিরভাগই ব্যাকরণ, রচনা ও ইংরেজি গ্রামারসংশ্লিষ্ট। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি সরকারি পাঠ্যক্রমবহির্ভূত বই পড়ানোর তালিকা করে দেয়। কেবল শিক্ষক-প্রকাশকদের কমিশনের অতিরিক্ত এসব বইয়ের যে কোনো উপকারিতা নেই তা আমাদের ছাত্রদের ব্যাকরণ ও ইংরেজির দতার মান থেকেই স্পষ্ট। শিক্ষকদের এটা অজানা নয়, এনসিটিবির অনুমোদন ছাড়া কোনো বই পড়ানো বা বুকলিস্ট তৈরি করা নিষিদ্ধ। এ নিষেধাজ্ঞা উপো করে যারা বিভিন্ন বই পাঠ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করছে, জাতীয় স্বার্থে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। পরস্পরবিরোধী বই শিার্থীদের মনন গঠনে প্রভাব ফেলে। তাই আমাদের মতো বহুধাবিভক্ত মত-পথের দেশে অনুমোদনহীন বই শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছানোর বিরুদ্ধে কঠোর পদপেই কাম্য।




সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০১৬
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
কার্যালয়: কাজী অহিদুজ্জামান ম্যানশন, তৃতীয় তলা, কান্দিরপাড়,কুমিল্লা-৩৫০০, বাংলাদেশ
ফোন: +৮৮০ ৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২৪৪৩, +৮৮০ ১৭১৮০৮৯৩০২
ই মেইল: hridoycomilla@yahoo.com, newscomillarkagoj@gmail.com,  Developed by i2soft
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আবুল কাশেম হৃদয়
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ কাজী অহিদুজ্জামান ম্যানশান।
তৃতীয় তলা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ। ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ইমেইল : hridoycomilla@yahoo.com Developed by i2soft
document.write(unescape("%3Cscript src=%27http://s10.histats.com/js15.js%27 type=%27text/javascript%27%3E%3C/script%3E")); try {Histats.start(1,3445398,4,306,118,60,"00010101"); Histats.track_hits();} catch(err){};