ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন অ্যাপস কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য লাইভ টিভি লাইভ রেডিও সকল পত্রিকা যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
Count
63
নির্বাচনী আইন সংস্কার
Published : Sunday, 16 April, 2017 at 12:00 AM
নির্বাচনী আইন সংস্কারবাংলাদেশের রাজনৈতিক কর্মকান্ড এখন অনেকটাই জোটনির্ভর। ভোটের রাজনীতিতে জোটের প্রভাব ধরে রাখতে একই প্রতীকে জোটভুক্ত দলগুলো অংশগ্রহণ করে থাকে। এখানে দলীয় প্রতীকে নির্বাচনের কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। জাতীয় নির্বাচনে পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভিত্তিতে এক দল প্রার্থী দিলে অন্য দল প্রার্থী দেয়া থেকে বিরত থাকে। ফলে জাতীয় রাজনীতিতে কোন দলের কতটা প্রভাব বা সব রাজনৈতিক দলের জনসমর্থন নিরূপণ করা কঠিন। জোটভুক্ত থাকার কারণে অনেক সময় ছোট দলের প্রার্থীও বড় দলের সমর্থনে জয়ী হয়ে আসেন। ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচন থেকেই জোটভুক্ত হওয়ার প্রবণতা ল করা যায়। নির্বাচন নিয়ে কাজ করেন এমন অনেকের মতে, এ ব্যবস্থার ফলে দলগুলোর নিজস্ব মতাদর্শ বিকশিত হওয়ার পথ বন্ধ হয়ে যায়। বাংলাদেশের রাজনীতির মূল ল্য এখন নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়া। ফলে জোটের প্রভাবে দলগুলোর গণতান্ত্রিক চর্চা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, থাকছে না দায়বদ্ধতা। ২০০৮ সালে আরপিও সংশোধনের সময় রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করার পাশাপাশি পর পর দুইবার জাতীয় নির্বাচনে অংশ না নিলে নিবন্ধন বাতিলের বিধান রাখা হয়েছে। এখানেও কিছু দুর্বলতা রয়েছে বলে অনেকে মনে করেন। জোটভুক্ত হয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে গিয়ে অনেক রাজনৈতিক দল দুর্বল প্রার্থী দিয়ে দলের নিবন্ধন টিকিয়ে রাখে বলে অভিযোগ আছে। আবার জোটভিত্তিক নির্বাচনের সুযোগ নিয়ে অনেকেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে আসেন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার রেকর্ড সৃষ্টি হয়। ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার বিধান যে উদ্দেশ্যে রাখা হয়, তা এখন প্রয়োগ হচ্ছে না। এখন ব্যক্তিত্ব নয়, জোটের রাজনীতিই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আবার নির্বাচনের ফল নানা অপকৌশলে নিজেদের পে রাখারও চেষ্টা করা হয়।
নির্বাচনসংশ্লিষ্ট অনেকেই মনে করছেন, আগামী সাধারণ নির্বাচনও জোটভিত্তিক হবে; যেখানে দলীয় প্রতীক নয়, জোটের শীর্ষ দলের প্রতীকেই অনেক প্রার্থী নির্বাচন করবেন। তাতে দলের জনসমর্থন কোনোভাবেই যাচাই করা যাবে না। আবার দলের জনসমর্থন অনুযায়ী সংসদে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা যাবে না। দেশের ছোট-বড় সব রাজনৈতিক দলেরই কিছু না কিছু জনসমর্থন রয়েছে। নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের অনেকে মনে করেন, জাতীয় সংসদে সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব থাকলে সব দলের অংশগ্রহণ যেমন নিশ্চিত করা যেত, তেমনি সব দলের অংশগ্রহণে জাতীয় সংসদ বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারত। এ জন্য নির্বাচনী আইনের সংস্কার করতে হবে। নির্বাচন কমিশন চাইলে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা সাপেে বিদ্যমান আইনে যেকোনো সংস্কার করতে পারে। সে েেত্র আইন সংস্কারের আগে দলগুলোর সঙ্গে বসতে হবে।




সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০১৬
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
কার্যালয়: কাজী অহিদুজ্জামান ম্যানশন, তৃতীয় তলা, কান্দিরপাড়,কুমিল্লা-৩৫০০, বাংলাদেশ
ফোন: +৮৮০ ৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২৪৪৩, +৮৮০ ১৭১৮০৮৯৩০২
ই মেইল: hridoycomilla@yahoo.com, newscomillarkagoj@gmail.com,  Developed by i2soft
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আবুল কাশেম হৃদয়
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ কাজী অহিদুজ্জামান ম্যানশান।
তৃতীয় তলা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ। ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ইমেইল : hridoycomilla@yahoo.com Developed by i2soft
document.write(unescape("%3Cscript src=%27http://s10.histats.com/js15.js%27 type=%27text/javascript%27%3E%3C/script%3E")); try {Histats.start(1,3445398,4,306,118,60,"00010101"); Histats.track_hits();} catch(err){};