ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন অ্যাপস কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য লাইভ টিভি লাইভ রেডিও সকল পত্রিকা যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
ইতিহাসের পাতায় মার্চ মাস
Published : Tuesday, 21 March, 2017 at 12:00 AM
ইতিহাসের পাতায় মার্চ মাসশান্তিরঞ্জন ভৌমিক ||
১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর জাতীয় নির্বাচন পাকিস্তানের ইতিহাসের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ নির্বাচনের মহাসড়ক দিয়েই বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়। তখন পর্যন্ত পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশ পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত ছিল। জনসংখ্যার দিক দিয়ে পূর্ব পাকিস্তানের জনসংখ্যা পাকিস্তানের অর্ধেকেরও অনেক বেশি।
পাকিস্তানের তখন পাঁচটি প্রদেশ, পশ্চিম পাকিস্তানে চারটি, আর পূর্ব পাকিস্তান একটি। ১৯৪৭ সালে ভারত যখন ভাগ হয়, তখন পাকিস্তানের লোকসংখ্যা ছিল ৬ কোটি ৯০ লক্ষ। তন্মধ্যে পূর্ব পাকিস্তনের ছিল ৪ কোটি ৪০ লক্ষ। তারপরও একটি প্রদেশ হিসেবেই বিবেচিত ছিল। এই বৃহত্তর জনগোষ্ঠিকে প্রদমিত করতে পশ্চিম পাকিস্তানের কূটচরিত্রের অধিকারী রাজনীতিবিদরা প্রথম থেকেই চক্রান্ত করে চলেছিল। তার বহিঃপ্রকাশ ঘটে রাষ্ট্রভাষা নিয়ে। পাকিস্তানের শাসনকর্তারা উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার পক্ষে শক্ত অবস্থান নেয়। অথচ উর্দু কোনো প্রদেশের মাতৃভাষা নয়, একশ্রেণি তথাকথিত অভিজাত পরিবার উর্দুকে তাদের পারিবারিক ভাষা হিসেবে ব্যবহার করে আসছিল, যদিও উর্দুভাষায় সাহিত্যসম্ভার বর্তমান ছিল।
অন্যদিকে প্রতিটি প্রদেশের নিজস্ব মাতৃভাষা রয়েছে। এক্ষেত্রে পূর্ব পাকিস্তানের শতকরা ১শজন বাংলা ভাষায় কথা বলে। ১৯৪৮ সালে পাকিস্তানের গণপরিষদে একটি বিধি ছিল- গণপরিষদে বক্তৃতার ভাষা হবে উর্দু ও ইংরেজি, তখন কংগ্রেসদলীয় গণপরিষদের অন্যতম সদস্য কুমিল্লার কৃতী সন্তান ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত সংশোধনী প্রস্তাব উত্থাপন করে বলেন- উর্দু ও ইংরেজি ভাষার সঙ্গে বাংলা সংযোজন করা হোক। তাঁর প্রস্তাবনার পক্ষে অকাট্য যুক্তি উপস্থাপন করার পরও পরিষদে তা গৃহীত হয়নি। ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত তাও বললেন যে একটি দেশের মোট জনসংখ্যার অধিক সংখ্যক অধিবাসীর মাতৃভাষাই রাষ্ট্রভাষা হওয়া উচিত। তারপরও সহনশীল মানসিকতায় বলা হলো- বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা হোক। এখানে লক্ষণীয় যে, পূর্ব পাকিস্তানের পক্ষে বাংলাকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করা হোক- এরূপ দাবি উত্থাপন করা হয়নি। অথচ সংখ্যালঘু পশ্চিম পাকিস্তানবাসীর স্বার্থ সংরক্ষণে উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা- এ দাবির পক্ষে কায়েদে আজম মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, লিয়াকত আলী খান, খাজা নাজিম উদ্দীনসহ কট্টরপন্থীরা কঠোর অবস্থানে দৃঢ় হলেন, তখন থেকেই পূর্ব-পশ্চিমের বিরোধের সূচনা, তারপর নদী দিয়ে অনেক জল সাগরে পতিত হয়েছে, অনেক জনপদ ভাঙ্গা-গড়ায় ১৯৭০ সালের জাতীয় নির্বাচনের দ্বারপ্রান্তে এসে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়। উল্লেখ করতে হয় যে, জিন্নাহ সাহেব উর্দুর পক্ষে অবস্থান নিলেও পরবর্তীতে তার কবরে বাংলা হরফের উপস্থিতি আমাদের অবাক করে। ১৯৭০ সালে পাকিস্তানের জাতীয় নির্বাচনের জন্য আসন সংখ্যা ছিল ৩০০ টি। তন্মধ্যে পূর্বপাকিস্তানের আসন সংখ্যা ১৬২, পশ্চিম পাকিস্তানের চারটি প্রদেশের আসন সংখ্যা ১৩৮। এ নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আওয়ামীলীগ ১৬২ আসনের মধ্যে ১৬০ টি জয়লাভ করেন।
পশ্চিম পাকিস্তানে বড় দুটি অঞ্চল- পাঞ্জাব ও সিন্ধুতে জুলফিকার আলী ভুট্টো এবং তার নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) ১৩৮ টি আসন থেকে ৮২টি জয়লাভ করেন। উল্লেখ্য জনাব ভূট্টো ও বঙ্গবন্ধুর দল যথাক্রমে পূর্বপাকিস্তানে ও পশ্চিম পাকিস্তানের কোনো আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেনি। সংগত কারণেই বঙ্গবন্ধুর আওয়ামীলীগ পাকিস্তানের সংখ্যা গরিষ্ঠ দল হিসেবে ক্ষমতায় আরোহণের কথা। কিন্তু পশ্চিম পাকিস্তানীরা তথা জনাব ভুট্টো তা মানতে রাজি নন। নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরেই ভুট্টো নিজেকে মোটামুটি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বলে ঘোষণা দিতে থাকেন। তাঁর বক্তব্য হলো- তিনি পশ্চিম পাকিস্তানের সংখ্যা  গরিষ্ঠ দলের নেতা, আর শেখ মুজিব পূর্ব পাকিস্তানের নেতা। এজন্য পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য পৃথক দুটি সংবিধানের প্রয়োজন। ভৌগোলিক কারণে পশ্চিম পাকিস্তান কিন্তু সেখানে যে চারটি প্রদেশ রয়েছে এটা যেন ইচ্ছে করে ভুট্টো ভুলে গেছেন।
নির্বাচনে যাবার আগে আওয়ামীলীগ পূর্ব পাকিস্তানে পূর্ণাঙ্গ স্বায়ত্তশাসনের জন্য অঙ্গীকার করেছিল। বিশেষত অর্থনৈতিক বৈষম্য দূরীকরণ, সেনাবাহিনীতে অধিকসংখ্যক বাঙালির নিয়োগ প্রদান, প্রশাসনে বাঙালির মর্যাদাপূর্ণ অংশীদারিত্ব দেয়া, সম্পদের সুষম বন্টন, জনসংখ্যা বিবেচনায় উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি অগ্রণী ভূমিকা নেওয়া ইত্যাদি ছিল আওয়ামীলীগের নির্বাচনী ইস্তেহারের মূল প্রতিপাদ্য অঙ্গীকার। অবহেলিত পূর্ব পাকিস্তানবাসী ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর এ অঙ্গীকারের প্রতি নিরঙ্কুশ সমর্থন জানায়। ফলে পাকিস্তানের রাজনীতির ধারায় এক নতুন মাত্রা সংযোজন হয়। এ ধারাকে বেগবান করে তোলেন প্রত্যক্ষভাবে জুলফিকার আলী ভুট্টো। নির্বাচনের পর ভুট্টো পশ্চিম পাকিস্তানিদের মনে ভয় দেখিয়ে বললেন যে, পূর্ব পাকিস্তানে পূর্ণাঙ্গ স্বায়ত্তশাসন দিলে সেখানে কেন্দ্রীয় সরকারের কোনো কর্তৃত্ব থাকবে না। কেবলমাত্র সামরিক বাহিনী, মুদ্রা এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ছাড়া তখন কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে কিছু থাকবে না।
বাঙালিরা সংখ্যা গরিষ্ঠের জোরে সব কিছুতেই নিজেদের কর্তৃত্ব করবে। এমন কি পশ্চিম পাকিস্তান থেকে যে সব সাংসদদের সংসদ অধিবেশনে যোগদান করার জন্য ঢাকায় আসার কথা ছিল, ভুট্টো তাদের উদ্দেশ্য করে বলেন- তারা ঢাকা এলে তিনি তাদের পা ভেঙ্গে দেবেন। কেউ গেলে তাকে পশ্চিম পাকিস্তানে ফিরে আসতে দেয়া হবে না। এরূপ কল্পিত জুজুর ভয় দেখিয়ে পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিবেশকে জটিল করে তুললেন ভুট্টো। তার প্রধান উদ্দেশ্য ক্ষমতায় আরোহণ করা। পরে অনুসন্ধানে জানা যায়- সমগ্র ব্যাপারটিই ছিল ভুট্টো এবং কয়েকজন জেনারেলের ষড়যন্ত্র, যা পাকিস্তানকে এক পতাকার নিচে থাকতে দেওয়া হলো না। ভুট্টোর প্রচ- চাপে এবং ক্ষমতায় থাকার জন্য জেনারেল ইয়াহিয়া খান পূর্ব পাকিস্তানে অনুষ্ঠিতব্য ১৯৭১ সালে ২৫ মার্চের জাতীয় সংসদের অধিবেশন স্থগিত করেন এবং আওয়ামীলীগকে রাষ্ট্রবিদ্রোহী দল হিসেবে ঘোষণা করেন। সমস্ত ব্যর্থতাকে ঢাকবার জন্য বঙ্গবন্ধুকে রাষ্ট্রদ্রোহী হিসেবে চিহ্নিত করে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচনে বিজয়ী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করেন। নিরস্ত্র বাঙালির উপর ২৫ মার্চ রাত্রে অতর্কিতে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ঝাঁপিয়ে পড়ে। এতে পূর্ব পাকিস্তানে সকল বাঙালি-জনতা অস্ত্রধারণ করেন। তারপরের ইতিহাস সকলেরই জানা।
পাকিস্তানীরা ক্রমশ দ্বিধাহীন স্বীকার করে যে, ১৯৭১ সালে পূর্ব পাকিস্তানে যা হয়েছিল, সেনাবাহিনী দিয়ে যে হত্যা, অত্যাচার, ব্যভিচার করা হয়েছিল পাকিস্তানের ইতিহাসে তা ছিল সবচেয়ে কলঙ্কজনক অধ্যায়। তাদের ধারণা - পূর্ব পাকিস্তানের ভেঙ্গে যাওয়া আর বাংলাদেশের জন্ম হওয়া ছিল অদক্ষ রাজনৈতিক ঘুঁটি চালাচালির নগ্ন বহি:প্রকাশ। যদিও পরবর্তীতে সেনাবাহিনীকে দোষ দেয়া হয়, মূলত উচ্চাভিলাষী ভুট্টো ও কতিপয় জেনারেলের চক্রান্তই এজন্য দায়ী- তা আজ ঐতিহাসিক সত্য।
একজন অদক্ষ ও অপদার্থ রাষ্ট্রনায়কের কার্যক্রমকে ছোট করে দেখারও সুযোগ নেই। ইতিহাস বলে পাকিস্তান ভাঙ্গার জন্য প্রধানত জুলফিকার আলী ভুট্টোর দায়ী। তিনি ছিলেন একজন ফ্যাসিস্ট। প্রগতিশীলতার খৈ ফুটতো তার মুখে একমাত্র ক্ষমতা পাওয়ায় ও আঁকড়ে রাখার জন্য। পাকিস্তানের সাবেক সেনাপ্রধান প্রেসিডেন্ট একনায়ক পারভেজ মোশাররফও মনে করেন যে ‘পাকিস্তানের আজ পর্যন্ত সবচেয়ে নিকৃষ্ট লোকটিই হচ্ছেন ভুট্টো। আমার দৃঢ় ধারণা যে, পাকিস্তানের এত বেশি ক্ষতি তার মত আর কেউ করেনি, আর সে ক্ষতির মাত্রা এত বেশি যে আজও পাকিস্তান তা কাটিয়ে উঠতে পারেনি। ধর্মীয় বিশ্বাস প্রতিষ্ঠার নামেও তিনি প্রতারণামূলক কাজ করেছেন। তার আমলে মদ ও জুয়া নিষিদ্ধ এবং রোববারের বদলে শুক্রবার ছুটির দিন ঘোষণা দেওয়া হয়। এটি তার প্রতারণার চূড়ান্তÍ, কেননা কে না জানে যে, ব্যক্তিগতভাবে এসব ব্যবস্থার কোনটিতেই তার বিশ্বাস ছিল না।’
আমি তো মনে করি-বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পিছনে ভুট্টোর অবদান কম নয়। বিষয়টি বিপরীত দিক দিয়ে মূল্যায়ন করলে তার সত্যতা বুঝা যাবে। একদিকে ভুট্টোর ক্ষমতালাভের প্রতি প্রচ- আগ্রহ, তা পাকিস্তান ভেঙ্গে গেলেও ব্যক্তিগত লাভ লোকসানে তার হিসাবটি ছিল ঐকিক অংকের মতো। তিনি হিসেব কষে দেখেছেন- পূর্ব পাকিস্তান বিচ্ছিন্ন হয়ে স্বাধীন বাংলাদেশ হলে পাকিস্তানে (পশ্চিম) তার পিপলস পার্টির সর্বোচ্চ সংখ্যক আসন প্রাপ্তির সুযোগে ক্ষমতায় আরোহণে বাধা থাকবে না। দৃশ্যত ১৯৭১ সালে ১৬ ডিসেম্বরের পর এ কূটচালেই ভুট্টো পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট বনে গেলেন, আর একটি মৌলিক আইনের অভাবকে ছুঁতো হিসেবে ব্যবহার করে তিনি প্রধান সাময়িক আইন প্রশাসকও হয়ে গেলেন। কারণ, ভুট্টো জানতেন- পূর্ব পাকিস্তান পাকিস্তানের সাথে থাকলে ইহজীবনে প্রধানমন্ত্রী বা প্রেসিডেন্ট হওয়া স্বপ্নবাসরে বাস করা ছাড়া বাস্তবে কোনদিন সম্ভব হতো না। তার এরূপ প্রচ- উদগ্র বাসনাই বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে ত্বরান্বিত করেছে। এজন্য বক্রভাবে তার অবদানকে বিশ্লেষণ করার সুযোগ পেলাম।  
মার্চ মাস বাঙালির স্বাধীনতার মাস, মুক্তির মাস। মার্চ এলেই প্রতিটি বাঙালির স্মৃতিপটে ১৯৭১ সালের রক্তঝরা দিনগুলোর কথা মনে পড়ে। এ মার্চই বাঙালিকে ঐক্যবদ্ধ করেছে, জাতিসত্তা কি সে বিচার শিক্ষা দিয়েছে, স্বাধীনতার স্বাদ পাওয়ার আনন্দে জীবনবাজী রাখার প্রত্যয়ী করে তুলেছে। এ মার্চ প্রতিটি বাঙালির স্মৃতিপটে দেদীপ্যমান।
যদিও আজ নানা প্রেক্ষাপটে আমাদের নীতি- আদর্শে বিভক্তি রয়েছে-তারপরও বলব আমাদেরকে এ মার্চের কাছে বারবার ফিরে যেতে হবে, শিক্ষা নিতে হবে মাথা নত করে অঙ্গীকার করতে হবে। এ মার্চে আমরা হারিয়েছি অনেককে, পেয়েছি অখ-কে,ঐক্য ও অস্তিত্বকে।
বাংলাভাষা-বাঙালি-বাংলাদেশ মার্চের রোপিত বীজ, যা আজ ফসল আমরা উত্তরাধিকারীরা ভোক্তা, মার্চ আমাদের অহংকার, অপার প্রাপ্তির অমূল্য সম্পদ। মার্চকে প্রণাম জানাই কোটিবার।




সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০১৬
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
কার্যালয়: কাজী অহিদুজ্জামান ম্যানশন, তৃতীয় তলা, কান্দিরপাড়,কুমিল্লা-৩৫০০, বাংলাদেশ
ফোন: +৮৮০ ৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২৪৪৩, +৮৮০ ১৭১৮০৮৯৩০২
ই মেইল: hridoycomilla@yahoo.com, newscomillarkagoj@gmail.com,  Developed by i2soft
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আবুল কাশেম হৃদয়
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ কাজী অহিদুজ্জামান ম্যানশান।
তৃতীয় তলা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ। ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ইমেইল : hridoycomilla@yahoo.com Developed by i2soft
document.write(unescape("%3Cscript src=%27http://s10.histats.com/js15.js%27 type=%27text/javascript%27%3E%3C/script%3E")); try {Histats.start(1,3445398,4,306,118,60,"00010101"); Histats.track_hits();} catch(err){};