ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন অ্যাপস কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য লাইভ টিভি লাইভ রেডিও সকল পত্রিকা যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
সেই হারানো অর্কিড
Published : Monday, 20 March, 2017 at 12:00 AM
সেই হারানো অর্কিডমহাদেব সাহা ||
আমার সঙ্গে রফিক আজাদের দেখা হওয়ার আগেই ‘পূর্বদেশ’ পত্রিকায় রফিক আজাদকে নিয়ে আমি একটি কলাম লিখেছিলাম। আমি ঢাকায় এসে ‘কণ্ঠস্বর’র আড্ডায় শুনলাম রফিক আজাদ এখন ঢাকায় নেই। তিনি ঢাকার বাইরে টাঙ্গাইলের একটি কলেজে পড়ান। আমার খুব খারাপ লাগল। আমি অনুভব করলাম, আমাদের সবার সঙ্গে রফিক আজাদের ঢাকায় থাকা দরকার। আমার কলামটি পত্রিকায় বের হওয়ার কিছুদিন পর হঠাৎ একদিন রফিক আজাদ আমার সঙ্গে দেখা করতে ঢাকায় ‘পূর্বদেশ’ পত্রিকার অফিসে চলে এলেন। রফিক আজাদ খুবই আনন্দিত-উচ্ছ্বসিত। সেই রফিক আজাদের সঙ্গে আমার প্রথম দেখা। তারপর বহু দেখাদেখি, জানাজানি, ঘোরাঘুরি, আড্ডা, অহেতুক কবিতার মতো বায়বীয় বিষয় নিয়ে মেতে থাকা। সম্ভবত মুক্তিযুদ্ধের পর রফিক আজাদ বাংলা একাডেমির চাকরি নিয়ে স্থায়ীভাবে ঢাকায় চলে এলেন।
রফিক ভাই খুব আড্ডাবাজ মানুষ, আড্ডা খুব জমাতে পারেন। কতজনকে কত মজার মজার টাইটেল দিয়েছেন, এ বয়সে এটা বলা ঠিক হবেনা। সবই নির্দোষ তামাশা। এর মধ্যে কোনো মালিন্য ছিল না। ধীরে ধীরে সময় চলে গেছে, রফিক আজাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বেড়েছে। আমার নানা উপদ্রবও সহ্য করতে হয়েছে। অভিমান, মন খারাপ, ােভ- এসব নিয়েই আমরা জীবন চালিয়ে গেছি। সে মিলিত জীবনের সব গল্প মনে নেই। টুকরো টুকরো ছবি, উজ্জ্বল নত্রের মতো মনের মধ্যে গেঁথে আছে, সেসব হারানো অর্কিড।
আমি বোধহয় ঢাকার কবিদের সঙ্গে তখনও ঠিক খুব বন্ধু হয়ে উঠতে পারিনি। ঢাকায় এসেছি সবার শেষে। ঢাকা তখন একদল ষাটের কবির দখলে চলে গেছে। আমি নবাগত, জায়গা করে নিতে হয়েছে আমাকে। কে জায়গা দেবে, আমি তখন এত চোখে-মুখে কথা বলা শিখে উঠতে পারিনি। মফস্বল শহর থেকে আসা এক অজ্ঞাত-অপরিচিত তরুণ। বলা যায়, পায়ের নিচে মাটি নেই, প্রতি ইঞ্চি মাটি আমাকে দখল করতে হয়েছে। আমার বন্ধুরা তখন সব প্রতিষ্ঠিত। তাদের কথায় সায় দিয়ে চলতে হয়, কী বলতে কী বলে ফেলি, ফলে না অপদস্থ হতে হয়। সবাই ইউরোপ-আমেরিকার নবীন কবিদের কথা বলে, তিরিশ-পঞ্চাশের কবিদের কথা বলে, আমি ঠিক তাদের সঙ্গে তাল রাখতে পারি না। অনেকটা বোকা মুখচোরা লাজুক। ঢাকার কবিদের সব নতুন নতুন কথা আমাকে রপ্ত করতে হয়। যেমন তারা বলেন, যাও মিয়া, ধুর মিয়া, খাতারনাক! একে অপরকে ওস্তাদ বলে ডাকে। আমি বুঝে উঠতেই পারি না। এ কোথায় এলাম রে বাবা, আড্ডায় কবিতার আসরে নিষ্প্রভ হয়ে চুপচাপ বসে থাকি। কথা বললে গোমর ফাঁস হয়ে যাবে। তারা সব দেশ-বিদেশের কবিদের কথা বলে, আমি অনেকের নামই শুনিনি। পকেটে কারও কারও পেঙ্গুইন, ফেবার এ-ফেবারের মতো বড় বড় প্রকাশনা সংস্থার পেপারব্যাক বই। আমি এত কিছু হদিস জানব কী করে? তাদের সেই ভয়ঙ্কর তুখোড় খড়খড়ে হাসি, রসিকতার ভয় একেবারে চুপসে থাকতাম। এখনকার মতো চালাক-চতুর হয়ে উঠিনি। তখন যে কেউ আমাকে ঘোল খাওয়াতে পারত। সে সময়ে রাজধানী শহর ঢাকার ইট-কাঠ-পাথরের মধ্যে নির্বান্ধব-অনাত্মীয় পরিবেশে সেই নিঃসঙ্গতার মধ্যে মন হাঁপিয়ে উঠত। তাচ্ছিল্য-অবহেলা-উপো এসব সহ্য করে নীরবে মেসে ফিরে চোখের জলে কবিতা লিখেছি। কবিতাই ছিল বাঁচার উপায়।
রফিক আজাদকে আমার প্রতি কোনো কোনো সময় স্নেহকাতর হতে দেখেছি। আহ! হা! সে সময় একটু সমর্থন, সহানুভূতি পেলে কী যে ভালো লাগত। মন মাঝে মধ্যে এ নিঃসঙ্গতায়, এই একাকিত্বে, বহু ধরনের নির্দয়তার মধ্যে পালাতে চাইত। আমি তখন আমার ‘বন্ধুর জন্য বিজ্ঞাপন’, ‘বৈশাখে নিজস্ব সংবাদ’- এ ধরনের কবিতাগুলো লিখেছি। আমি এক ধরনের কাতর স্বভাবের মানুষ। একটু আশ্রয়ের জন্য, একটু স্নেহের জন্য, একটু বন্ধুত্বের জন্য কী যে ব্যাকুলতা ছিল আমার! হয়তো রফিক আজাদের মধ্যেও আমি এ ধরনের কিছু আশ্রয় খুঁজে পেয়েছিলাম। কতটা বন্ধু হয়ে উঠেছিলাম তা বলা যাবে না। আমি হয়তো সবার বন্ধুর যোগ্যও নই। কিন্তু পাগলের মতো পদ্য লিখেছি। অবিরল ধারায়। সেই আমাদের একমাত্র যোগসূত্র। সেই কবিতাই আমাদের একমাত্র মিলিত হওয়ার জায়গা। পরস্পর ভালোবাসার উৎস। ষাটের দশকের মতো অন্য কোনো দশকে একসঙ্গে এত উজ্জ্বল কবি দেখা গেছে বলে আমার মনে হয় না। আমি কে ছিলাম, কী ছিলাম সেটা বড় কথা নয়, আমি কবিতার মধ্য ছিলাম, কবিতার সঙ্গে ছিলাম। এই আড্ডায়, এই তর্ক-বিতর্কে, এই কলহে, এই বন্ধুত্বে আমরা জড়িয়ে গিয়েছিলাম। সেখানেই যেমন আমার অন্য বন্ধুরা নির্মলেন্দু গুণ, আবুল হাসান, হুমায়ুন আজাদ, হুমায়ুুন কবির, নুরুল হুদা, সানাউল হক খান, আমি, ষাটের প্রথমদিকের কবিরা যেমন রফিক আজাদ, সিকদার আমিনুল হক, আসাদ চৌধুরী এসব মিলে একটা বৃত্ত। এ বৃত্ত আকাশে-মাটিতে অনেক তারা ফুটিয়েছিল, ফুলও ফুটিয়েছিল, সেই গন্ধ এখনও উপভোগ করি। মনে মনে আনন্দ পাই।
আমি দীর্ঘ সময়, প্রায় ২৫ বছরেরও বেশি আজিমপুরে ছিলাম। বহু বাড়িতে, বাসা বদল করে করে। এ সময় কিছুদিন পর রফিক আজাদ আজিমপুরে স্টাফ কোয়ার্টারের পাশে টুইন কোয়ার্টারগুলোর একটিতে এসে উঠলেন। আমাদের নিউমার্কেটের আড্ডা আরও জমে উঠল। তিনি আড্ডায় নানা ধরনের হাসির কথা বলতে পারেন, কৌতুক করতে পারেন, হাসাতে পারেন। আমাদের সান্ধ্য আড্ডা জমজমাট হয়ে উঠল। কখনও মনিকো, কখনও লিভার্টি। তারপর প্রতিদুপুরে আমাদের বন্ধু কবির খানের বইয়ের দোকান ‘প্রগতি’তে অন্তহীন আড্ডা চলত। প্রায় অভুক্ত থেকে আমরা বিস্কুট, কোক- এসব খেয়ে কথায় পেট ভরিয়েছি। শুধু পেট নয়, মনও। হো হো দরাজ হাসি, প্রগতি প্রকাশনীর দেয়াল কেঁপে উঠত। কখন মধ্যাহ্ন গড়িয়ে অপরাহ্ন নেমে আসত আমরা বুঝতেই পারতাম না। সেখানে রফিক আজাদ ছিলেন, সিকদার আমিনুল হক ছিলেন, নির্মলেন্দু গুণ ছিল, হুমায়ুন আজাদ ছিল, নুরুল হুদা ছিল, সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম ছিল, অসীম সাহা ছিল, আবেদিন কাদের ছিল, মনজুরে মওলা, আতাউর ভাই (আতাউল হক) এঁরাও মাঝে মধ্যে আসতেন। চেয়ারে কুলোতো না। পাশের দোকান থেকে চেয়ার টেনে আনতে হতো। দুপুরে আড্ডা শেষ করে আবার সন্ধ্যায় লিভার্টিতে আড্ডা। সে আড্ডা শেষ করে আমরা আজিমপুর কলোনির মাঠে থৈ থৈ জ্যোৎস্নায় মধ্যরাত পার করা অবধি আড্ডা দিয়েছি। আমাদের হাসির শব্দে, কোলাহলে আকাশের জ্যোৎস্না যে সে মাঠে গলে গলে পড়ত। কত কথা যে আমরা বলেছি মধ্যরাতের আকাশকে সাী রেখে। আজ আর ভেবে শেষ করতে পারি না। রফিক আজাদ একসময় ইত্তেফাক ভবনের সাপ্তাহিক পত্রিকাটির চাকরি নিলেন। আমি ইত্তেফাকে চাকরি করি। ফলে দেখা-সাাৎ আরও বেড়ে গেল। রফিক ভাইয়ের বাংলা একাডেমির অফিসও ছিল আমাদের প্রিয় আড্ডার জায়গা। এসব কথা বলে শেষ করা যাবে না। আমি মানুষটাই বোধহয় এমন, আমার কথা কারোই বোধ হয় খুব বেশি মনে পড়ে না। এক ধরনের মানুষ থাকে কেমন পরাজিত, ব্যর্থ; ছাত্র হলে যেমন লাস্ট বেঞ্চে বসে। আমিও তেমনি। আমি তো বন্ধু খুঁজি। তাই সবাইকে বন্ধু ভেবেছি, আমাকে ঠিক কে কতটা বন্ধু ভাবে জানি না, যাদের খুব বেশি বন্ধু ভেবেছি, সেটা আমারই ভাবা। আমাকে কে, কীভাবে দেখেছে তা আমার জানার কথা নয়। জানতে চাইও না। যা দেখেছি, যা পেয়েছি তুলনা তার নেই। এই তো অনেক। এই ছোট্ট জীবনে এই তো যথেষ্ট। তবে এটা ঠিক ওই যে বলা যায়, আমিও গান গেয়েছিলাম, এতেই আমার আনন্দ। রফিক আজাদের সঙ্গে একদিন সারা রাত একসঙ্গে কাটিয়েছিলাম আমার আজিমপুরের বাসায়। কলকাতা থেকে এসেছিলেন মলয়চন্দন মুখোপাধ্যায়। আমাদের দু'জনের, রফিক আজাদ ও আমার মিলিত সাাৎকার নেবেন। টেপ রেকর্ডার ছেড়ে দিয়ে সারারাত নির্ঘুম কাটিয়েছি, বারান্দার মতো বসার জায়গায়। আমার মা থাকেন একটা রুমে আর আমার স্ত্রী ও দুটি সন্তান মিলে আরেক রুমে। আমাদের আর কোনো বসার মতো জায়গা নেই। ওই বারান্দায় বসার জায়গাটাতেই টেপ রেকর্ডার খুলে আমাদের জীবনের সব পৃষ্ঠাগুলো উন্মোচন করতে চেয়েছিলাম আমরা। রাত জাগা তারাগুলো আমাদের সঙ্গে পেরে ওঠেনি, ঘুমিয়ে পড়েছিল। আমরা বিনিদ্র রাত কাটিয়েছিলাম। এটি সারারাতের সাাৎকার। মলয় সাাৎকার নিয়ে কলকাতায় চলে যায়। সে সাাৎকার আমার আর শোনা হয়নি, জানা হয়নি।
আমাদের সে জীবনের মধ্যে যে প্রাণখোলা হাসি ছিল, একাকিত্ব ছিল, বেদনা ছিল, নির্জনতা ছিল, দুঃখবোধ ছিল, আমরা পরস্পর তা আবিষ্কার করার চেষ্টা করেছি। এই বোধহয় আমাদের কবি-জীবন! তবে কবিতার জন্য আমাদের যে অফুরন্ত ভালোবাসা ছিল তার কোনো তুলনা নেই। কবিতার জন্যই জীবনের এ অপচয়, য়, রণ, এক ধরনের নিজের মধ্যে নিজের নির্বাসন তৈরি করা, এক ধরনের উচ্ছৃঙ্খলতা। নারীর জন্য ব্যাকুলতা। ভালোবাসার জন্য কষ্ট এই যে, জেনেশুনে বিষপান, জীবনকে ক্রমাগত অপচয়, অপচয়, অপচয়, সুরায় মগ্ন মোহিত হয়ে থাকা, আচ্ছন্নতা, ঘোরের মধ্যে থাকা- এসবের কোনো ব্যাখ্যা হয় না। কোনো ফুটনোটহীন এসব নিরর্থক কাজকর্ম। তবে এ হচ্ছে কবিতার সুখ, এ হচ্ছে কবিতার দুঃখ।
রফিক আজাদের সঙ্গে ১৯৮৭ সালে নিখিল বঙ্গ সাহিত্য সম্মেলনে যোগ দিতে দিল্লিতে গিয়েছিলাম। অধ্যাপক রফিকুল ইসলামও গিয়েছিলেন এ সম্মেলনে। সম্মেলনে সমরেশ বসু ছিলেন, ছিলেন জয়া ভাদুড়ী। আমরা; আমি আর রফিক আজাদ এক ঘরেই ছিলাম। দিল্লিতে থাকতেন তখন কৃত্তিবাস গোষ্ঠীর মিহির রায় চৌধুরী। তার বাসায় আমরা অনিঃশেষ আড্ডা দিয়েছি, পান করেছি কড়া মদ্য। সে আকণ্ঠ পানে আমি যখন বেশ অসুস্থ হয়ে পড়েছিলাম, রফিক আজাদ তখন আমার জন্য স্নেহপ্রবণ হয়ে ওঠে। পরিচর্যা করে। একেবারে আত্মীয়-বান্ধবের মতো আমার যতœ করে। আসলে আমরা এতই পান করেছিলাম যে, অসুস্থ না হয়ে উপায় ছিল না। ১৯৮৮ সালের ১ জানুয়ারি আমরা কলকাতায় ফিরে আসি। উঠেছিলাম তারাপদ রায়ের বাসায়। পরে অবশ্য সুনীল দা আমাদের জন্য থাকার একটি পৃথক বাড়িতে ব্যবস্থা করেন। আমরা বেশ কয়েকটি দিন ভালোবাসাবাসির মধ্যে দিল্লি ও কলকাতায় ছিলাম। এ বাড়িতে-ও বাড়িতে, কাবে সান্ধ্য আড্ডা, কবিতা পাঠ। মনে পড়ছে জাদুকর পিসি সরকারের জামাতা পার্থ সারথি চৌধুরী, তিনি তখন কলকাতা ইমপ্রুভমেন্ট ট্রাস্টের চেয়ারম্যান। ভালো কবিতাও লেখেন। তার বাসায় আমরা আড্ডা দিয়েছি। পানাহার করেছি। একসঙ্গে মিলিত হয়েছি। সেখানে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, শক্তি চট্টোপাধ্যায়, তারাপদ রায়, পিসি সরকার জুনিয়র, সন্দীপন চট্টোপাধ্যায় সবাই ছিলেন। কত কথা মনে পড়ছে। না না, আর এত কথা নয়। কথা দিয়ে সব কথা বোঝানো যাবে না। শেষ পর্যন্ত কোনো কথাই আমাদের সমস্ত কথা বলতে পারে না। রফিক আজাদের স্মৃতির মধ্যে আমরা সবাই জড়িয়ে আছি, বাংলা কবিতা জড়িয়ে আছে। তিনি বাংলাদেশের প্রধান কবিদের একজন। ‘চুনিয়া আমার আর্কেডিয়া’, ‘চ’লে যাবো সুতোর ওপারে'সহ তার অসংখ্য কবিতা আছে, যা এখনও পাঠকের মুখে মুখে ফেরে।
এ লেখা তার কবিতার মূল্যায়ন নয়। সব কবিরই কবিতার মূল্যায়ন করে ভবিষ্যৎ। সেখানে আমি কথা বলার কে? রফিক আজাদ আমাদের কবিতার সংহত, দৃঢ়বদ্ধ, সুগঠিত, শক্ত গাঁথুনি দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। সুধীন্দ্রনাথ দত্তের মতো তৎসম শব্দের ব্যবহারে খুব পারদর্শী। সেই যে ভবভূতি বলেছিলেন 'কাল নিরবধি, সব কবিকেই কাল থেকে কালে অপো করতে হয়। এ ছাড়া কবির আর কী করার আছে।'
শুধু এটুকু বলতে পারি। রফিক আজাদের বাংলা নির্মাণে ঝোঁক ছিল ল্য করার মতো। ঢিলেঢালা এলানো কবিতার বদলে রফিক আজাদের কবিতা সুসংবদ্ধ রূপ নিতে অধিক মনোযোগী ছিল। আমি অবশ্য নিজে অন্য ধরনের কবিতা লিখি। জন¯্রােতের মতো। বাংলা কবিতার পাঠকরা রফিক আজাদকে বহু বছর মনে রাখবে। তার প্রতি আমার ভালোবাসার নীরব অশ্রু, স্মরণের নিঃশব্দ অঞ্জলি।




সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০১৬
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
কার্যালয়: কাজী অহিদুজ্জামান ম্যানশন, তৃতীয় তলা, কান্দিরপাড়,কুমিল্লা-৩৫০০, বাংলাদেশ
ফোন: +৮৮০ ৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২৪৪৩, +৮৮০ ১৭১৮০৮৯৩০২
ই মেইল: hridoycomilla@yahoo.com, newscomillarkagoj@gmail.com,  Developed by i2soft
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আবুল কাশেম হৃদয়
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ কাজী অহিদুজ্জামান ম্যানশান।
তৃতীয় তলা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ। ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ইমেইল : hridoycomilla@yahoo.com Developed by i2soft
document.write(unescape("%3Cscript src=%27http://s10.histats.com/js15.js%27 type=%27text/javascript%27%3E%3C/script%3E")); try {Histats.start(1,3445398,4,306,118,60,"00010101"); Histats.track_hits();} catch(err){};