ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন অ্যাপস কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য লাইভ টিভি লাইভ রেডিও সকল পত্রিকা যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
পাথরে বসে থাকা ‘করঞ্জিয়া’
Published : Sunday, 19 March, 2017 at 12:00 AM
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন ||
সম্প্রতি লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের রেললাইন ধরে পশ্চিমদিকে এগিয়ে চলেছি। নানান পাখপাখির কলতান মুখরিত করে রেখেছে চারদিক। চলতি পথে চোখে পড়েছে অনেক প্রজাপতির আনাগোনা। তাদের অনেকগুলোই রঙ-বৈচিত্র্যের আধিপত্য ততোটা উজ্জ্বল নয়।
প্রাকৃতিক পরিবেশের অনেক উপাদানই স্বাধীনভাবে ঘুরে বেড়ায় এখানে। তাই নতুন কিছু দেখার স্পৃহা মনে দানা বেঁধে রয়েছে।  দুপুর সময় গড়িয়ে যেতে হঠাৎই একটি বর্ণিল প্রজাপতি এসে পাশে ভিড়লো। এদিক-ওদিক উড়াউড়ি করছে সে। কিন্তু গাছের ডালে বা অন্য কোনো স্থানে বসছে না। অনেকণ পর তার সুমতি হলো। এই বিরামহীন ডানামেলে বোধ হয় বেচারা কিছুটা কান্ত হয়ে পড়ছে। মাটি স্পর্শ করে বয়ে চলা রেললাইনের উপর সে গিয়ে বসলো।  সেখানে কিছুণের বিশ্রামের পর আবার সে গিয়ে বসলো রেললাইনের পাথরের উপর। হয়তো এখানেই রোদের উত্তাপ গায়ে মাখছে। তখনই তার আলোকচিত্রটি ধারণ করা সম্ভব হলো।  
প্রজাপতি গবেষক অমিত কুমার নিয়োগী বলেন, এই প্রজাপতির বাংলা নাম ‘করঞ্জিয়া’। এর ইংরেজি নাম ঈড়সসধহফবৎ এবং বৈজ্ঞানিক নাম গড়ফুঁধ ঢ়ৎড়পৎরং। নিম্ফালিডি পরিবারের অন্তর্ভুক্ত এই প্রজাপতিটির ডানার ব্যাস প্রায় ৬০ থেকে ৬৫ মিলিমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।  রঙের বর্ণনা সম্পর্কে তিনি বলেন, পুরুষ ও মেয়ে উভয়েরই ডানার ওপরে কালো, সাদা, কমলা রঙের বিভিন্ন আকৃতির দাগ দেখা যায়। সম্মুখ ও পশ্চাৎ পাখনার ডিসকাল অংশে সাদা রঙের বিভিন্ন আকৃতির দাগ ক্রমশ সরু হয়ে পশ্চাৎ পাখনায় শেষ হয়েছে। সামনের পাখনার সাব-এপিকাল অংশে চারটি করে সাদা দাগ রয়েছে।
সামনের ও পেছনের দুই সারি কালো রঙ আলপোনার আঁকাবাঁকা সাব-মারজিনাল অংশ দিয়ে বয়ে গেছে। করঞ্জিয়ার পাখনার নিচে সাদাটে, যেখানে ওপরের সাদা দাগগুলো বেশ দৃশ্যমান। এর অ্যান্টেনা দু’টি কালো বর্ণের তবে ডগাটি কমলা বর্ণের হয় বলে জানান এ গবেষক।  এর প্রাপ্তি সম্পর্কে অমিত কুমার নিয়োগী বলেন, করঞ্জিয়া আমাদের দেশের সব অঞ্চলে বেশি দেখা যায়। এদের সাধারণত উঁচু গাছের বিশ্রাম নিতে দেখা যায়। বসন্তকালে এদের আধিক্য বেশি ল্য করা যায়। এরা মাঝে মাঝে বনের নিচু গাছগুলোতে এসে ডানা প্রসারিত করে রোদ পোহায়। অন্য প্রজাতির প্রজাপতির সঙ্গে প্রায়সই ণিক যুদ্ধে লিপ্ত হয় এরা। ফুলের নির্যাস খেয়ে জীবন ধারণ করে। এরা কদম বা ইঁৎভষড়বিৎ-ঃৎবব (ঘবড়ষধসধৎপশরধ পধফধসনধ) গাছে ডিম পাড়ে।  আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরণ সংঘ (আইইউসিএন)  এর ‘লাল তালিকা ২০১৫’ তে এদের বাংলাদেশে ‘ন্যূনতম বিপদগ্রস্ত’ (খঈ) বলে ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানান গবেষক অমিত কুমার নিয়োগী।





সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০১৬
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
কার্যালয়: কাজী অহিদুজ্জামান ম্যানশন, তৃতীয় তলা, কান্দিরপাড়,কুমিল্লা-৩৫০০, বাংলাদেশ
ফোন: +৮৮০ ৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২৪৪৩, +৮৮০ ১৭১৮০৮৯৩০২
ই মেইল: hridoycomilla@yahoo.com, newscomillarkagoj@gmail.com,  Developed by i2soft
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আবুল কাশেম হৃদয়
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ কাজী অহিদুজ্জামান ম্যানশান।
তৃতীয় তলা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ। ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ইমেইল : hridoycomilla@yahoo.com Developed by i2soft
document.write(unescape("%3Cscript src=%27http://s10.histats.com/js15.js%27 type=%27text/javascript%27%3E%3C/script%3E")); try {Histats.start(1,3445398,4,306,118,60,"00010101"); Histats.track_hits();} catch(err){};