ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন অ্যাপস কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য লাইভ টিভি লাইভ রেডিও সকল পত্রিকা যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
কুমিল্লার কাগজ এক যুগের প্রজ্বলিত দীপশিখা
Published : Thursday, 15 December, 2016 at 3:30 PM, Update: 15.12.2016 4:02:47 PM
শাঈখ মোহাম্মদ মোহতাসিম প্রীতিম
একটি যুগ, একটি নির্দিষ্ট সময় বা কাল অথবা ইংরেজিতে  ধ পবৎঃধরহ ঢ়বৎরড়ফ ড়ভ ঃরসব কে প্রতিনিধিত্ব করে। সময় হিসেব করলে ১২টি বছর অথবা ৩৭,৮৪,৩২০০০ সেকেন্ড। যে সময়ে রয়েছে অজস্র মুহূর্ত, রয়েছে সীমাহীন চোখের পলক। এ সময়ে পৃথিবীর বুক উত্তপ্ত হতে পারে সহস্র কোটি রবিরশ্মির কিরণে, সমুদ্রের বুকে ঢেউ এর আস্ফালন ঘটতে পারে অজস্রবার, আকাশ ফুঁড়ে শান্তির ধারা বর্ষিত হতে পারে অগণিতবার।  পৃথিবী কম্পিত হতে পারে অনেকবার। ধরণীর বুকে বয়ে যায় অনেক আনন্দ। আবার বিষাদময় ঘটনার অবতারণা হয়। অনেক বুক ফেটে যায় অভিমানে-অপমানে-ধিক্কারে। আবার অনেক কৌট ভালোবাসার বিনিময় হতে পারে এ সময়ের ব্যবধানে। আর সময়টি শূন্য (০) থেকে বার (১২) বছর হলে তা কৈশোরিক কাল হিসেবে গণ্য। তার যাত্রারম্ভ তার”ণ্যের পথের। তার”ণ্যের ক্রেজ তার সাথে লেগে থাকে। আর সে ক্রেজই তো মহাকালিক যাত্রার তেজোদ্দীপ্ত উদগিরণ। মহাকালের গর্ভেই তো কাল কিংবা কালের সমষ্টিতেইতো মহাকাল! যুগধর্ম লালন করে যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করলেই তো যুগ-যুগান্তর ¯'ায়ী আসনে অধিষ্ঠিত হবার উজ্জ্বল সম্ভাবনা। আর এসবই তো যুগের চারিত্র্য-বৈশিষ্ট্য। এভাবে যুগ বিশেষ সময়কে প্রস্ফুটিত করে। আর তা দেহে-মনে-প্রাণে ছড়ায় উত্তাল আনন্দের ঢেউ। আজ সে উত্তাল আনন্দের ঢেউ এর বন্যা বইছে আমাদের, কুমিল্লাবাসীর প্রাণে। কারণ ৪৫ বছর আগে ১৯৭১ সালে আজকের দিনে পাক হানাদার বাহিনীর কাছ থেকে মুক্ত হয়েছিল প্রিয় কুমিল্লা। আর এক যুগ আগে ২০০৪ সালের এদিনেই আরেকটি আনন্দের সূচনা হয়েছে। আর সেটি হল কুমিল্লার সংবাদপত্র জগতে নতুন প্রাণ সঞ্চারণকারী “কুমিল্লার কাগজ” এর বর্ণিল আত্মপ্রকাশ।
১৮৬০ সালে তৎকালীন ত্রিপুরায় (আজকের কুমিল্লা) কৈলাশচন্দ্র সরকার মাসিক “ত্রিপুরা জ্ঞান প্রসারিণী” সম্পাদনার মাধ্যমে সর্বপ্রথম সংবাদপত্রের মশাল প্রজ্জ্বলিত করেন। সে মশালের দীপশিখা ক্রমান্বয়ে বিকিরিত হতে লাগল। ১৮৭৬ সালে প্রকাশিত হয় প্রথম পাক্ষিক ‘ত্রিপুরা পত্রিকা’। ১৮৮০ সালে প্রকাশিত হয় প্রথম সাপ্তাহিক ‘ত্রিপুরা বার্তাবহ’। ১৮৮৩ সালে প্রকাশিত হয় গুর”দয়াল সিংহের সম্পাদনায় ‘ত্রিপুরা হিতৈষী’ যার দায়িত্বভার পরবর্তীতে তাঁর পুত্র কমনীয় কুমার সিংহ হয়ে অর্পিত হয় কমনীয় সিংহের স্ত্রী ঊর্মিলা সিংহের হাতে। ঐতিহাসিকদের মতে, ঊর্মিলা সিংহই সারা বাংলাদেশের প্রথম মহিলা সম্পাদক। দীর্ঘ পাঁচ যুগ পাঁচ বছর ধরে রাজত্ব করেছিল পত্রিকাটি। এরকম  ঋদ্ধ, সমৃদ্ধ যাত্রা সেসময়কার ত্রিপুরা তথা আজকের কুমিল্লার সংবাদপত্রের। সে ধারা বজায় রাখার জন্য ক্রমে কত পত্রিকার যে জন্ম হয়েছে, আবার অপমৃত্যুও ঘটেছে তার ইয়ত্তা নেই। সে ধারারই বাহক মোহাম্মদ ফজলে রাব্বীর সম্পাদনায় ১৯৫৫ সালের ৫ মে প্রকাশিত হওয়া ইউনেসকো স্বীকৃত দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সফল আঞ্চলিক সংবাদপত্র সাপ্তাহিক ‘আমোদ’ আজ অবধি প্রকাশনা অব্যাহত রেখেছে। আর স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্র”য়ারী অধ্যাপক আবদুল ওহাব এর সম্পাদনায় প্রকাশিত সাপ্তাহিক ‘রূপসী বাংলা’ ১৯৭৯ সালের ১০ ডিসেম্বর কুমিল্লা জেলার প্রথম দৈনিক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে যা আরেক অগ্রপথিক হিসেবে আজও প্রকাশমান। আর এ মুকুটের পালকে আরেকটি নাম, যাঁর পত্রিকা শুধু চমকেই দেয়নি, সৃষ্টি করেছে বিস্ফোরণ, আলোড়িত করেছে হৃদয়, ধাক্কা দিয়েছে কুমিল্লার সংবাদমানসকে-সেটি হল ২০০৪ সালের ৮ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক আবুল কাশেম হৃদয়ের সম্পাদনায় সাপ্তাহিক ‘কুমিল্লার কাগজ’ যা বর্তমানে কুমিল্লার অন্যতম প্রধান দৈনিক। সংবাদ পরিবেশনের মুনশিয়ানায় চমৎকার গেটআপ-মেকআপ-নিউজট্রিটমেন্ট সমৃদ্ধ কাগজটি বৈশিষ্ট্যসূচক একটি পত্রিকা যা আজ কুমিল্লার অন্যতম প্রধান মুখপত্র হয়ে দন্ডায়মান।
১৮৬০ সালে কৈলাশচন্দ্রের যুগে কী ছিল? যদি বিশ্বের দিকে একটু নজর দেই তাহলে দেখা যায় সে বছরের ১৭ মার্চ ঘবি তবধষধহফ এর ঘড়ৎঃয ওংষধহফ এর ঞধৎধহধশর ফরংঃৎরপঃ এ ১ংঃ ঞধৎধহধশর ডধৎ হয়েছিল গধড়ৎর এবং ঘবি তবধষধহফ এড়াঃ.এর মধ্যে, যার ¯'ায়িত্বকাল ছিল পরের বছর  ১৮ মার্চ পর্যন্ত। সে বছর নভেম্বরের ৬ তারিখ প্রথমবারের মত জবঢ়ঁনষরপধহ ঢ়ধৎঃু থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন আব্রাহাম লিঙ্কন। আর ১৮৫৬ সালের ৮ অক্টোবর ঈযরহধ তে ছরহম ফুহধংঃু এর বির”দ্ধে ইৎরঃধরহ এবং ঋৎধহপব এর অংশগ্রহণে শুর” হওয়া ২হফ ঙঢ়রঁস ডধৎ  এর পরিসমাপ্তি ঘটে ১৮৬০ সালের ২৪ অক্টোবর। আর যদি ত্রিপুরার পরি¯ি'তির কথা বলি তাহলে দুটি তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনার একটি হল, ১৮৫৭ সালে তৎকালীন ভারতবর্ষের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম ছিল সিপাহি বিদ্রোহ। সে মহান বিদ্রোহের স্বাধীনতাকামি নায়কেরা যাঁরা ছিলেন ওহফরধহ জবঢ়ঁনষরপ অৎসু(ওজঅ). ঐ সময় ওজঅ এর একটি গ্র”প চট্টগ্রামে বিদ্রোহ করতে গিয়ে ফেরার পথে ত্রিপুরায় ধরা পড়ে। যাঁরা ধরা পড়েননি তাঁরা সিলেটে গিয়ে ভারতের করিমগঞ্জ শিলচর অতিক্রম করে আরও দূরে গিয়েছিলেন।আর ১৮৬০ সালে সামন্ত প্রথার বির”দ্ধে বিদ্রোহ করেছিল কুকি উপজাতিরা, যারা পূর্ব ভারতের সীমান্তবর্তী চট্টগ্রামের ফেনী নদীর সম্মুখে জড়ো হয় এবং অগ্নিসংযোগ ও হত্যা করে। তারপর ছাগলনাইয়াতে টিপ্পারার সমতল ভূমিতে হামলা করে এবং গ্রাম লুণ্ঠন, ব্রিটিশ নাগরিকদের জবাই ও বন্দিদের তুলে নেয়া সহ স্বর্ণ, রূপা এবং লোহা বহন করে নিয়ে যায়। সে সময় আমাদের সমতল ভূমি ত্রিপুরা জেলার জমিদার এবং পাবর্ত্য ত্রিপুরা অঞ্চলের রাজা ছিলেন বীরচন্দ্র মানিক্য বাহাদুর। এ সমস্ত উত্তাপকে ধারণ করে কৈলাশচন্দ্র সরকার ত্রিপুরায় সংবাদপত্রের বীজ রোপণ করেন। আর এ কালের আবুল কাশেম হৃদয়ের সময় বৈশ্বিক উত্তাপ তো বেশ কিছুই ছিল; অন্ততঃ তিনটি ঘটনা। যেমন, সুদানের উধৎভঁৎ অঞ্চলে ২০০৩ সালের ফেব্র”য়ারিতে শুর” হওয়া সংঘাত যাতে ঝঁফধহ খরনবৎধঃরড়হ গড়াবসবহঃ (ঝখগ) এবং ঔঁংঃরপব ধহফ ঊয়ঁধষরঃু গড়াবসবহঃ (ঔঊগ) দুই গ্র”প যুদ্ধ করে যা আজও বিদ্যমান। ২০০৪ সালের ২ নভেম্বর অনুষ্ঠিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জর্জ ডব্লিউ. বুশ দ্বিতীয় বারের মত প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। আরেকটি ঘটনা হল স্বাধীন হওয়ার ১৪ বছরের মাথায় ২০০৪ সালের ২২ নভেম্বর থেকে ২০০৫ সালের ২৩ জানুয়ারি পর্যন্ত ইউক্রেনে ক্ষমতার দ¦ন্দ্বে সৃষ্টি হওয়া ঙৎধহমব জবাড়ষঁঃরড়হ. তাছাড়া সে বছরের আগেই বিশ্বে মাথাচাড়া দিয়ে উঠা ধর্মীয় উন্মাদনা ও সন্ত্রাসের রেশ এসে পড়ে বাংলাদেশেও। আর যদি দেশীয় প্রেক্ষাপট বিবেচনা করি বেশ কিছু ঘটনা ছিল ধর্মীয় উগ্রতা ও সন্ত্রাস সংক্রান্ত। তন্মধ্যে উল্লেখ্য, ১৫ জানুয়ারি খুলনা প্রেসকাবের সামনে বোমা বিষ্ফোরণে নিহত হন ইইঈ ইধহমষধ ও ঘবি অমব  এর সাংবাদিক একুশে পদকপ্রাপ্ত মানিক চন্দ্র সাহা, যা ছিল সে বছর বিশ্বে প্রথম কোন সাংবাদিক হত্যা। ৭ মে টঙ্গীতে আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্য আহসান উল্লাহ মাস্টার গুলিতে নিহত হন। ২১ মে সিলেট হযরত শাহ্জালাল (রহ.) মাজার মসজিদে জুম্মার সালাত এর সময় গ্রেনেড হামলায় আহত হন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ হাই কমিশনার আনোয়ার চৌধুরী। আর সবচেয়ে দুঃসহ ২১ আগষ্টের গ্রেনেড হামলায় আওয়ামী লীগ নেত্রী আইভি রহমান সহ ২৩ জন নিহত ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ শতাধিক আহত হওয়ার দুঃসহ স্মৃতিতো আজও হাতড়ে বেড়ায়। সন্ত্রাস দমনের লক্ষ্যে সে বছরের ২৬ মার্চ গঠিত হয় র‌্যাপিড আ্যকশন ব্যাটিলিয়ন (র‌্যাব)। এছাড়া জুলাই মাস থেকে শুর” হয় ভয়াবহ বন্যা। আবার বিশ্বে তথ্যপ্রযুক্তিগত কিছু ঘটনাও সে বছর ঘটে। উল্লেখযোগ্য হল ৪ ফেব্র”য়ারী মার্ক জাকারবার্গ প্রতিষ্ঠা করেন ফেসবুক এবং ১ এপ্রিল গুগল চালু করে জিমেইল। এসব আশা ও সংঘাতপূর্ণ সময়কে ধারণ করে যাত্রা শুর” মুক্তিযুদ্ধের চেতনাসমৃদ্ধ ‘কুমিল্লার কাগজ’ এর। কুমিল্লায় যে জঙ্গি ও ধর্মীয় উন্মাদনার ঢেউ ছড়িয়ে পরে তার শেকড় উৎপাটনেও বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে পত্রিকাটি। আবার আমার জানামতে অনলাইনে চালু হওয়া কুমিল্লার সর্বপ্রথম পত্রিকাও এটি। এখন ফেসবুকেও আছে তাঁর বিশাল পাঠকগোষ্ঠী।
একটু ২০০৪ এর ডিসেম্বরের স্মৃতি। সেসময় দৈনিক রূপসী বাংলায় দেখতাম নতুন এ পত্রিকাটি প্রকাশিত হবার বিজ্ঞাপন। মনে হত হয়তো গতানুগতিক চার পৃষ্ঠার সাদাকালো ব্রডশীট। কিš' ৮ ডিসেম্বর যেদিন পত্রিকাটি দেখলাম মনে হল এতো পত্রিকা নয়, যেন কোন সংবাদশিল্পীর শিল্পকর্ম! পত্রিকাটি আমাদের যেমন দেখাচ্ছে কুমিল্লার সুখ-দুঃখ-সংগ্রাম-সম্ভাবনার মনোরম ¯ি'রচিত্রশৈলী, আবার যেন বুকশেলফে উপবিষ্ট থেকে আহবান জানাবে সে চিত্রকে চলরূপ দেবার জন্য। এরকমই চমৎকার অঙ্গসজ্জা, ভিন্নধারার সংবাদ, তাক লাগানো ছবি ও শিরোনাম-যেমন জয় করেছে শিক্ষিত-ভদ্র-বাবুদের আবার মেহনতী মানুষদেরও। তর”ণ-তর”ণী, নেতা-নেত্রী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সকলেই লুফে নিয়েছে পত্রিকাটি। বৈশিষ্ট্য শুধুমাত্র কুমিল্লার খবর। আঞ্চলিক পত্রিকার পাঠক সৃষ্টিতে যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করেছে পত্রিকাটি। পত্রিকার নামটিও ড্রয়িংর”মের পাঠকদের মতোই চা স্টলের পাঠকদের জন্যও লাগসই-যেন পুরো কুমিল্লার মুখপত্র ‘কুমিল্লার কাগজ’। পত্রিকাটি কুমিল্লায় অনেক কিছুতেই নতুন যুগের সূচনা করেছে। এটি কুমিল্লার প্রথম রঙিন ট্যাবলয়েড দৈনিক ও সাপ্তাহিক। আজ কুমিল্লায় কোন সংবাদপত্র প্রকাশ করলেই এ আঙ্গিকে প্রকাশিত হয়। এতে প্রকাশিত সংবাদ, ফিচার, সম্পাদকীয়, উপ-সম্পাদকীয়, আলোকচিত্রে জনমতের দাবির চিত্রটি প্রস্ফুটিত হয়। তবে দৈনিক হবার পর স্বাভাবিকভাবেই ফিচারাইজ (ভবধঃঁৎরুবফ) সংবাদ কমে গেছে। তারপরও উৎসাহী পাঠকরা আশা করব এ ধরনের সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে আমাদের তৃষ্ণা মেটাবে। তার”ণ্যদীপ্ততাকে ধারণ করেও অভিজ্ঞতাপূর্ণ মুনশিয়ানা এর সম্পাদনা বৈশিষ্ট্য। ওয়েব এডিশন ও ফেসবুকে পাঠক সংখ্যা আরও বেশি। সামাজিক কাজেও কুমিল্লার কাগজ অগ্রনী ভূমিকা পালন করেছে। তন্মধ্যে কৃতি ব্যক্তিত্বদের সম্মাননা প্রদান, কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরষ্কার বিতরণ, বিশ্বকাপ কিংবা অন্যান্য টুর্নামেন্ট মাঠে প্রজেক্টরে বড় পর্দায় প্রদর্শন ইত্যাদি।
কুমিল্লার কাগজ আজ ১২টি বসন্ত পেরিয়ে দীপ্তি ছড়াচ্ছে কুমিল্লার অবয়বে। কুমিল্লাবাসীর আশা-নিরাশা, পাওয়া-না পাওয়া, আনন্দ-বেদনা, সুখ-দুঃখ সর্বসমক্ষে তুলে ধরার অনন্ত চেষ্টা তাঁর। একটি পত্রিকার যে কী রকম দুর্মর সংগ্রাম, কত যে টানাপোড়েনের মধ্যে তাঁকে উঠে আসতে হয়, তা শুধুমাত্র যিনি চালনা করেন তিনি এবং তাঁর সহযোদ্ধারাই অনুধাবন করতে পারেন। তারপরও এ সংগ্রামে কুমিল্লার কাগজ একজন অকুতোভয় যোদ্ধা বা দক্ষ নাবিকের মতোই হাল ধরে আছে-এটি বড়ই সুখোদ্দীপক কথা। আমাদের বিশ্বাস এ সংগ্রাম থামবে না, চলবে দুর্বার গতিতে কারণ কুমিল্লার কাগজ হারতে জানে না, লড়াই করে জিততে পারার সাহসিকতায় সমৃদ্ধ। এখন ‘যুগান্তরের ঘূর্ণিপাকে’ উত্তরিত হয়ে “কালের যাত্রার ধ্বনি” যেন অনন্তকাল ধরে প্রতিধ্বনিত হতে থাকে সে প্রত্যাশায় চেয়ে থাকা।




সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০১৬
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
কার্যালয়: কাজী অহিদুজ্জামান ম্যানশন, তৃতীয় তলা, কান্দিরপাড়,কুমিল্লা-৩৫০০, বাংলাদেশ
ফোন: +৮৮০ ৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২৪৪৩, +৮৮০ ১৭১৮০৮৯৩০২
ই মেইল: [email protected], [email protected],  Developed by i2soft
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আবুল কাশেম হৃদয়
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ কাজী অহিদুজ্জামান ম্যানশান।
তৃতীয় তলা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ। ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ইমেইল : [email protected] Developed by i2soft
document.write(unescape("%3Cscript src=%27http://s10.histats.com/js15.js%27 type=%27text/javascript%27%3E%3C/script%3E")); try {Histats.start(1,3445398,4,306,118,60,"00010101"); Histats.track_hits();} catch(err){};