ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন অ্যাপস কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য লাইভ টিভি লাইভ রেডিও সকল পত্রিকা যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
সামাজকি ন্যায়বচিার প্রতষ্ঠিায় মহানবী (সা.)
Published : Tuesday, 13 December, 2016 at 3:33 AM
ড. আ ফ ম খালদি হোসনে ||
নবুয়তি মশিনরে পরম্পরা ও ধারাবাহকিতা হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর মাধ্যমে র্পূণতা লাভ কর।ে তাঁর মশিনরে লক্ষ্য ছলি ইহকাল ও পরকালরে মুক্ত।ি
মানবজীবনরে র্সবক্ষত্রেে ন্যায়বচিার ও ইনসাফ কায়মে করা। তনিি সম্যক উপলব্ধি করনে যে ন্যায়বচিার এমন এক প্রচলতি নীত,ি যার প্রয়োগ সুস্থ সমাজরে সংরক্ষণরে জন্য অপরহর্িায। যে লক্ষ্য নয়িে তনিি দুনয়িায় আবর্ভিূত হন, ২৩ বছরে প্রাণান্তকর প্রয়াস চালয়িে তনিি তা র্কাযকর করনে র্সাথকভাব।ে তাঁর উপস্থাপতি জীবনব্যবস্থা মানবজীবনরে র্সবক্ষত্রেে সব দকি দয়িে ইনসাফ ও ন্যায়বচিার প্রতষ্ঠিার নয়িামক ও চালকিাশক্ত।ি মানবকি র্মযাদাবোধ ও পারস্পরকি দায়ত্বিবোধ এ গুণরে কারণইে সৃষ্টি হয়। নজিরে অধকিার সংরক্ষণরে পাশাপাশি সমাজরে অপরাপর সদস্যদরে অধকিাররে প্রতি সচতেন থাকা জরুর,ি যনে কারো প্রতি জুলুম না হয়। একবার কুরাইশ বংশীয় মাখজুম গোত্ররে এক সম্ভ্রান্ত মহলিা চুররি অপরাধে ধরা পড়লে রাসুলুল্লাহ (সা.) তার হাত র্কতনরে নর্দিশে দনে। আভজিাত্য ও বংশর্মযাদার উল্লখে করে সে মহলিার শাস্তি লাঘবরে জন্য রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে তাঁর একান্ত স্নহেভাজন উসামা ইবনে জায়দে (রা.) সুপারশি করনে। রাসুলুল্লাহ (সা.) তাঁকে বলনে, ‘তুমি কি আল্লাহর দ-বধিরি ব্যাপারে সুপারশি করছ?’ অতঃপর লোকজনকে আহ্বান করে তনিি র্দ্ব্যথহীন ভাষায় ঘোষণা করনে, ‘হে মানবম-লী! নশ্চিয়ই তোমাদরে র্পূবর্বতী জনগণ পথভ্রষ্ট হয়ছে।ে এ জন্য যে তাদরে কোনো সম্মানতি লোক চুরি করলে তখন তারা তাকে রহোই দতি। আর যখন কোনো র্দুবল লোক চুরি করত তখন তারা তার ওপর শাস্তি প্রয়োগ করত। আল্লাহর কসম! মুহাম্মদরে কন্যা ফাতমিাও যদি চুরি কর,ে তবে অবশ্যই তার হস্ত র্কতন করে দতিাম। ’ (বুখারি ও মুসলমি)
সোরাকা নামক জনকৈ সাহাবি এক বদেুইনরে কাছ থকেে উট ক্রয় করে তার মূল্য পরশিোধ না করায় বদেুইন তাকে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর দরবারে হাজরি করল। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রশ্নরে জবাবে সোরাকা বলনে, ‘মূল্য পরশিোধ করার ক্ষমতা তাঁর নইে। ’ রাসুলুল্লাহ (সা.) বদেুইনকে বলনে, ‘তুমি এটাকে বাজারে বক্রিয় করে তোমার পাওনা উসুল করে নাও। ’ বদেুইন তা-ই করল। (দারে কুতন)ি
এভাবে রাসুলুল্লাহ (সা.) সমাজে ন্যায় ও ইনসাফ প্রতষ্ঠিার উজ্জ্বলতম দৃষ্টান্ত স্থাপন করনে। তনিি তাঁর পরচিালতি সমাজ ও রাষ্ট্রে সুবচিার নশ্চিতি করার ব্যাপারে কতখানি যতœবান ছলিনে, ওপররে ঘটনা তার প্রকৃষ্ট প্রমাণ বহন কর।ে দুষ্টরে দমন, শষ্টিরে পালন এবং আইনরে শাসন প্রতষ্ঠিার জন্য ন্যায়নষ্ঠি বচিারব্যবস্থা অপরহর্িায র্পূবর্শত। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলনে, ‘যে ব্যক্তি ইজতহিাদ করে বচিার করে এবং তাঁর ইজতহিাদ যদি সঠকি হয়, তাহলে তাঁর জন্য দুটি পুরস্কার। আর ইজতহিাদে ভুল হলে একটি পুরস্কার। বচিারক তনি প্রকার। তন্মধ্যে দুই প্রকার জাহান্নামি ও এক প্রকার জান্নাত।ি যে ব্যক্তি হক জনেে তার দ্বারা ফয়সালা করে সে জান্নাত।ি যে ব্যক্তি অজ্ঞতাবশত ফয়সালা কর,ে সে জাহান্নামি এবং যে ব্যক্তি বচিাররে ক্ষত্রেে জুলুম কর,ে সওে জাহান্নাম।ি ’ (ইবনে মাজাহ, পৃ. ৩৪১-৩৪২)
সামাজকি জীবনে ন্যায়বচিার প্রতষ্ঠিার লক্ষ্যে রাসুলুল্লাহ (সা.) বশে কয়কেটি বপ্লৈবকি পদক্ষপে গ্রহণ করনে। প্রথমত, তনিি র্অথসম্পদ র্অজন, সঞ্চয় ও ব্যয়রে ক্ষত্রেে দৃষ্টভিঙ্গরি আমূল পরর্বিতন আনার প্রয়াস চালান। সমকালীন দুনয়িা, বশিষেত প্রাক ইসলামী সমাজে ধনসম্পদ ছলি আভজিাত্যরে মাপকাঠ,ি কাময়িাবরি নর্দিশন, শ্রষ্ঠেত্বরে প্রতীক। তাই মানুষ হন্যে হয়ে র্অথ ও সম্পদ র্অজনরে পছেনে ছুটছেে সারা জীবন। বধৈ-অবধৈ, হালাল-হারাম, ন্যায়-নীত,ি পাপ-পুণ্য এসবরে ধার ধারনে।ি এভাবে মানুষ হয়ছেে র্অথ-সম্পদরে দাস আর র্অথসম্পদ হয়ছেে তাদরে প্রভু। বশ্বিনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) দৃষ্টভিঙ্গি পরর্বিতনরে লক্ষ্যে ওহনির্ভির যে র্দশন পশে করনে তা হলো, মানবজীবনে র্অথসম্পদ অপরহর্িায। জীবন ও জীবকিার তাগদিে র্অথসম্পদ র্অজন করতে হয়, কাজে লাগাতে হয়; কন্তিু তা জীবনরে একমাত্র লক্ষ্য নয়। র্অথ, ধনসম্পদসহ দুনয়িার সব কছিুই মানুষরে সবেক ও খাদমে। পৃথবিীর বস্তু নচিয় মানুষরে জন্য সৃষ্ট।ি (সুরা আল বাকারা : ২৯)
সামাজকি সুবচিার প্রতষ্ঠিার লক্ষ্যে রাসুলুল্লাহ (সা.) জনগণকে নীতি ও বধিসিম্মতভাবে র্অথসম্পদ র্অজন করার এবং জাকাত ও সদকার মাধ্যমে সে র্অজতি সম্পদরে কয়িদংশ দুঃখী ও অভাবগ্রস্তদরে মধ্যে বতিরণরে নর্দিশে দনে। অধকিন্তু রাষ্ট্ররে র্আথকি সম্পদে জনগণরে অধকিার ও সুযোগ নশ্চিতি করার জন্য রাসুলুল্লাহ (সা.) ছয় ধরনরে রাজস্ব প্রর্বতন করনে। এগুলো হলো ১. আল-গনমিাহ বা যুদ্ধলব্ধ সম্পদ, ২. জাকাত, ৩. খারাজ বা অমুসলমি কৃষকদরে ভূমি কর, ৪. জজিয়িা বা অমুসলমিদরে নরিাপত্তা কর, ৫. আল-ফাই বা রাষ্ট্রীয় সম্পত্ত,ি ৬. সদকা বা স্বচ্ছোধীন দান।
রাসুলুল্লাহ (সা.) সামাজকি ন্যায়বচিার প্রতষ্ঠিার লক্ষ্যে সাম্য ও ভ্রাতৃত্বরে ভত্তিতিে আর্দশ সমাজ গড়ে তোলনে। বংশকৌলীন্য ও আভজিাত্যরে গৌরবরে পরর্বিতে মানবতার ভত্তিতিে সমাজরে বন্ধন সুদৃঢ় করনে। তনিি র্দ্ব্যথহীন ভাষায় ঘোষণা দনে, ‘আরবরে ওপর অনারবরে, অনারবরে ওপর আরবরে কোনো শ্রষ্ঠেত্ব নইে। সব মানুষ একে অপররে ভাই। সব মানুষ আদমরে বংশধর আর আদম মাটি থকেে তরৈ।ি ’ (মুসনাদে আহমাদ : খ. ২, পৃ. ৩৩) এই পৃথবিীতে সব মানুষই যে আল্লাহর দৃষ্টতিে সমান, কৃষ্ণ-শ্বতে, ধনী-নর্ধিন সবাই যে আল্লাহর সৃষ্ট মানুষ, সব মানুষই যে পরস্পর ভাই ভাই, র্ধমীয় ও র্কমীয় অধকিার যে সব মানুষরেই সমান এ কথা বলষ্ঠি কণ্ঠে ঘোষণা করনে এবং স্বীয় র্কমে ও আচরণে প্রমাণ করনে ইসলামরে নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)। এ কারণে ইসলামে সবার জন্য স্বীকৃত হয়ছেে ন্যায়বচিাররে অধকিার।
রাসুলুল্লাহ (সা.) শতাব্দীর এমন এক ক্রান্তকিালে নতুন সমাজ গড়ার প্রয়াসী হন, যখন গোটা দুনয়িার বভিন্নি সমাজে র্বণপ্রথা, র্বণবষৈম্য, বংশকৌলীন্য ও আভজিাত্যরে দম্ভ মানুষকে গৃহপালতি জন্তু অথবা বশিষে বৃক্ষরে চয়েে হীন র্পযায়ে নয়িে আস।ে জন্তুবশিষে ও বৃক্ষবশিষেকে পবত্রি জ্ঞানে র্অচনা করা হতো তখন। সাধারণ মানুষরে তুলনায় এসব জন্তু-বস্তুর র্মযাদা ছলি অনকে বশে।ি রাসুলুল্লাহ (সা.) মানুষরে মননে ও মানসকিতায় এ কথা চত্রিায়তি করতে সক্ষম হন যে সৃষ্টজিগতে সবচয়েে বশেি মূল্যবান ও সম্মানরে যোগ্য এবং ভালোবাসার পাত্র হলো মানুষ। মানুষ আল্লাহর প্রতনিধি।ি দুনয়িার সব কছিু মানুষরে কল্যাণে আল্লাহ সৃষ্টি করছেনে।
রাসুলুল্লাহ (সা.) মদনিায় ইনসাফর্পূণ যে সমাজ কায়মে করনে, তার ভত্তিি ছলি নতৈকিতা ও মানবজাতরি র্সাবজনীনতা। মানুষ যদি রপিুর তাড়নার কাছে পরাভূত হয়, তাহলে সুস্থ সমাজরে বকিাশধারায় সে কোনো তাৎর্পযর্পূণ অবদান রাখতে পারে না। মনুষ্যত্বরে উজ্জীবন, চারত্র্যিকি উৎর্কষ ও নতৈকি উপলব্ধি সুস্থ সমাজ বকিাশে সহায়ক আর ইন্দ্রয়িজাত প্রবণতা, অনয়িন্ত্রতি আবগে, অনষ্টিকর প্রথা সমাজরে সুস্থতার ভত্তিমিূলকে একবোরে নড়বড়ে করে দয়ে। জন্ম হয় জুলুম ও বইেনসাফরি। এই উদ্দশ্যেে রাসুলুল্লাহ (সা.) জুয়া খলো, মদ্যপান, নশো গ্রহণ, কুসদি প্রথা, জনিা-সমকামতিা ও অহতেুক রক্তপাত নষিদ্ধি করে দনে। ফলে সমাজবরিোধী র্কাযকলাপরে ভয়াবহতার হাত থকেে মানুষ রহোই পায়। উল্লখ্যে, মদ্যপান, জুয়াসহ যাবতীয় অর্মাজতি, নীচু স্বভাবরে অনষ্ঠি র্কাযকলাপ ও সব ধরনরে আতশিয্য হলো খ্রস্টিান-ইহুদি ও পৌত্তলকি সমাজরে অভশিাপ। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর গুরুত্বর্পূণ অবদান হলো, সভ্যতার অভশিাপ থকেে মানুষকে মুক্তি দয়িে র্ধমনয়িন্ত্রতি ও মানবকিতায় উজ্জীবতি নতুন সমাজরে গোড়াপত্তন। বশ্বিমানবতার প্রতি এটা মহানবী (সা.)-এর অসামান্য ইহসান।
সমাজে ন্যায়বচিার প্রতষ্ঠিার লক্ষ্যে রাসুলুল্লাহ (সা.) তত্কালীন সমাজে প্রচলতি দাসপ্রথা উচ্ছদেে সাহসী ভূমকিা রাখনে। বশ্বিরে ইতহিাসে হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.)-ই প্রথম, যনিি দাসপ্রথার বরিুদ্ধে জহিাদ ঘোষণা করনে। তখনকার যুগে গোটা গ্রসি ও রোমান সাম্রাজ্য দাসপ্রথার ওপর গড়ে উঠছেলি। খ্রস্টিজগৎ ও আরব সমাজওে ছলি দাসপ্রথার অবাধ প্রচলন। (উত্. গধলরফ অষর কযধহ, গঁযধসসধফ, ঞযব ঋরহধষ গবংংবহমবত্, ঢ়. ৩৩৭.) প্রভুরা নজিদেরে মালকি-মনবি মনে করে দাসদরে শ্রমকে শোষণ করত, তাদরে দ্বারা অমানুষকি পরশ্রিম করাত। অনকে সময় তাদরে ওপর নমেে আসত নর্যিাতনরে খড়গ-কৃপাণ। দাসদরে জীবন ছলি পশুর মতো। পণ্যদ্রব্যরে মতো হাটবাজারে তাদরে বক্রিি করা হতো। মানুষ হসিবেে তাদরে কোনো অধকিার ছলি না। মহানবী (সা.) শতাব্দীপ্রাচীন দাসপ্রথার অবসানকল্পে বভিন্নি পদক্ষপে গ্রহণ করনে এবং দাসমুক্তকিে সওয়াবরে উপায় হসিবেে চহ্নিতি করনে। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর গৃহীত পদক্ষপে দাসদরে মানুষরে র্মযাদায় অভষিক্তি কর।ে মানুষ জন্মগতভাবে স্বাধীন, কারো করতলগত হওয়াটা তার মৌলকি অধকিাররে পরপিন্থী। দাসত্বরে নগিড়ে আবদ্ধ মানবসন্তান স্বভাবগত চাহদিা ও ইমানরে দাবতিে র্ধমীয় র্কাযকলাপ যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে অপারগ। দাসত্বরে শৃঙ্খল থকেে মুক্তইি তার জীবন, তার স্বাধীনতা তার শক্ত।ি দাসমুক্তকিে উজ্জীবতি করার লক্ষ্যে মহানবী (সা.) ঘোষণা দনে, ‘যে ব্যক্তি কোনো মুসলমান দাসকে দাসত্ব থকেে মুক্ত করব,ে (আজাদকৃত দাসরে) প্রতটিি অঙ্গরে বনিমিয়ে আল্লাহ তার (মুক্তি দানকারীর) প্রত্যকে অঙ্গকে দোজখরে আগুন থকেে মুক্তি দান করবনে। ’ (মশিকাত, হা. ৩২৩৬)
রাসুলুল্লাহ (সা.) কবেল ঘোষণা দয়িে ক্ষান্ত হনন,ি নজিে দাস মুক্ত করে বাস্তব দৃষ্টান্ত স্থাপন করনে। সাহাবায়ে করোম (রা.)ও রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাতরে অনুসরণ করে দাসমুক্ততিে অংশগ্রহণ করনে। এভাবে দাসরা মানবাধকিার ফরিে পয়েে সমাজ ও রাষ্ট্রে গুরুত্বর্পূণ পদে আসীন হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) ক্রীতদাস জায়দে ইবনে হারসে (রা.)-কে সনোপতি নযিুক্ত করনে। হজরত আনাস (রা.), হজরত সালমান ফারসি ও সুহাইব রুমি (রা.) এবং অন্য ক্রীতদাসরা সামাজকি র্মযাদা লাভ করে সমাজ ও রাষ্ট্ররে গুরুত্বর্পূণ খদেমত আনজাম দনে। গতকালরে ক্রীতদাস আজকরে সনোপত,ি আগামীকাল রাষ্ট্রপ্রধান, যাঁদরে দ্বারা নতুন ইতহিাস সৃষ্টি হয়। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) ন্যায়ভত্তিকি সমাজ প্রতষ্ঠিায় যে বপ্লৈবকি অবদান রাখনে, তার মধ্যে উল্লখেযোগ্য হলো, নারীর সামাজকি র্মযাদা দান। পতিৃতান্ত্রকি সমাজ ক্রমান্বয়ে মাতৃতান্ত্রকি সমাজরে দকিে ঝুঁকে পড়।ে ইতহিাসে এই প্রথম মায়রো সামাজকি স্বীকৃতি লাভ করনে। প্রাক-ইসলামী যুগে পৃথবিীর কোথাও নারীর সামাজকি র্মযাদা ছলি না। তারা ছলি অবহলোর পাত্র ও সন্তান উৎপাদনরে যন্ত্র। তাদরে অপবত্রি মনে করা হতো। সমাজে যাতে নারীজাতরি সম্মান ও র্মযাদা সুপ্রতষ্ঠিতি হয়, তার জন্য রাসুলুল্লাহ (সা.) বভিন্নি পদক্ষপে গ্রহণ করনে। সমাজরে র্অধকোংশ নারীকে অবহলো করলে সামাজকি সুবচিার সুদূরপরাহত হবইে, এ চতেনা আল্লাহর রাসুলরে মধ্যে ছলি পুরোপুরি র্কাযকর। রাসুলুল্লাহ (সা.) নারীর র্মযাদা প্রতষ্ঠিতি করার লক্ষ্যে ঘোষণা দনে, ‘সাবধান! তোমরা নারীদরে সঙ্গে সদ্ব্যবহার করো, কনেনা তারা তোমাদরে তত্ত্বাবধানে রয়ছে।ে সাবধান! তোমাদরে স্ত্রীর ওপর তোমাদরে যমেন অধকিার রয়ছে,ে তমেনি তোমাদরে ওপরও রয়ছেে তাদরে অনুরূপ অধকিার। পুরুষ তার পরবিার-পরজিনরে রক্ষক এবং স্ত্রী তার স্বামীর গৃহরে এবং সন্তানদরে রক্ষণাবক্ষেণকারী। ’ (রয়িাদুস সালহেনি : ১ খ., পৃ. ২৭৬, ২৮৩) ববিাহ, বধিবা ববিাহ, খুল’আ তালাক, স্ত্রীলোকরে মৃত পতিা, মৃত স্বামীর সম্পত্তি ভোগরে অধকিার প্রভৃতি বধিান দ্বারা রাসুলুল্লাহ (সা.) ন্যায় ও ইনসাফ নশ্চিতি করে পারবিারকি ও সামাজকি কাঠামো গড়ে তোলনে, যা অন্য যকেোনো সামাজকি কাঠামোর চয়েে ছলি উন্নততর।
ওপরোক্ত আলোচনার প্রক্ষোপটে আমরা এই যৌক্তকি সদ্ধিান্তে উপনীত হতে পারি যে সামাজকি ন্যায়বচিার প্রতষ্ঠিায় রাসুলুল্লাহ (সা.) যসেব পদক্ষপে গ্রহণ করনে, তা ছলি যুগান্তকারী ও বপ্লৈবকি। মদনিায় তাঁর প্রতষ্ঠিতি সমাজকাঠামোতে যে শান্ত,ি সমৃদ্ধি ও নরিাপত্তা নশ্চিতি হয়ছেলি, পৃথবিীর অন্য কোনো সমাজে তার নজরি পাওয়া মুশকলি। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর শক্ষিা ও আর্দশরে অনুসরণে খোলাফায়ে রাশদেনি যে সমাজব্যবস্থা কায়মে করনে, তা ছলি পুরোপুরি সুবচিার ও ন্যায় ও ইনসাফনর্ভির। মানুষরে প্রতি ন্যায়বচিাররে যে নজরি ইসলামরে মহান রাসুল (সা.) দুনয়িার বুকে স্থাপন করে গছেনে, তার আলোর শখিা এখনো পৃথবিীতে অনর্বিাণ।
লখেক : অধ্যাপক ও বভিাগীয় প্রধান, ইসলামরে ইতহিাস ও সংস্কৃতি বভিাগ, ওমর গনি এমইএস কলজে, চট্টগ্রাম




সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০১৬
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
কার্যালয়: কাজী অহিদুজ্জামান ম্যানশন, তৃতীয় তলা, কান্দিরপাড়,কুমিল্লা-৩৫০০, বাংলাদেশ
ফোন: +৮৮০ ৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২৪৪৩, +৮৮০ ১৭১৮০৮৯৩০২
ই মেইল: [email protected], [email protected],  Developed by i2soft
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আবুল কাশেম হৃদয়
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ কাজী অহিদুজ্জামান ম্যানশান।
তৃতীয় তলা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ। ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ইমেইল : [email protected] Developed by i2soft
document.write(unescape("%3Cscript src=%27http://s10.histats.com/js15.js%27 type=%27text/javascript%27%3E%3C/script%3E")); try {Histats.start(1,3445398,4,306,118,60,"00010101"); Histats.track_hits();} catch(err){};